বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট

জুলাই ২৩, ২০২৬ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

একটি সুখী পরিবার গড়ে ওঠে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, পারস্পরিক বোঝাপড়া, ত্যাগ এবং আল্লাহভীতির ভিত্তির ওপর। কিন্তু এই সুন্দর সম্পর্ককে ধীরে ধীরে ভেঙে দেওয়ার জন্য সব সময় বড় কোনো ঝড়ের প্রয়োজন হয় না। অনেক সময় একটি মাত্র নেতিবাচক বৈশিষ্ট্যই যথেষ্ট। আর সেই বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো “আমিত্ব”—অর্থাৎ সব সময় নিজের ইচ্ছা, নিজের মত, নিজের অহং এবং নিজের স্বার্থকেই সবচেয়ে বড় মনে করা।

স্বামী বা স্ত্রী—যে-ই এই আমিত্বের শিকার হোক না কেন, তার প্রভাব পুরো পরিবারের ওপর পড়ে। কারণ সংসার কখনো একার নয়; এটি দুটি মানুষের যৌথ দায়িত্ব ও যৌথ যাত্রা। সেখানে যদি একজন সব সময় বলতে থাকেন, “আমার কথাই শেষ কথা”, “আমার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত”, “আমার অনুভূতিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ”—তাহলে অন্যজন ধীরে ধীরে নিজেকে অবহেলিত, অমূল্য এবং একাকী অনুভব করতে শুরু করেন।

আমিত্বের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হলো এটি মানুষের ভুল স্বীকার করার ক্ষমতা কেড়ে নেয়। তখন মানুষ নিজের ভুল দেখেও তা মানতে চায় না। বরং ভুলকে সঠিক প্রমাণ করার চেষ্টা করে। ক্ষমা চাওয়াকে দুর্বলতা মনে করে, আর পরামর্শ গ্রহণ করাকে নিজের মর্যাদার বিরুদ্ধে মনে করে। ফলে ছোট ছোট ভুল বোঝাবুঝি একসময় বড় দূরত্বে পরিণত হয়।

একজন মানুষ যখন নিজের ইচ্ছাকেই সবকিছুর ওপরে স্থান দেন, তখন সঙ্গীর চাওয়া-পাওয়া, কষ্ট, মানসিক অবস্থা কিংবা সম্মানের মূল্য কমে যায়। ধীরে ধীরে সম্পর্কে কথোপকথন কমে, আন্তরিকতা হারিয়ে যায় এবং ভালোবাসার জায়গা দখল করে নেয় অভিমান ও নীরবতা। বাইরে থেকে সংসার ঠিকঠাক মনে হলেও ভেতরে ভেতরে সম্পর্ক ভেঙে পড়তে থাকে।

ইসলাম আমাদের শিখিয়েছে, দাম্পত্য জীবন প্রতিযোগিতার নয়; এটি সহযোগিতার সম্পর্ক। এখানে জয়ী হওয়া মানে সঙ্গীকে হারিয়ে দেওয়া নয়, বরং একসঙ্গে জান্নাতের পথে এগিয়ে যাওয়া। রাসূল ﷺ ছিলেন বিনয়, দয়া এবং উত্তম আচরণের সর্বোত্তম উদাহরণ। তিনি কখনো অহংকারকে সম্পর্কের মাঝে স্থান দেননি। তাই মুসলিম পরিবারে আমিত্বের কোনো স্থান নেই; সেখানে স্থান হওয়া উচিত নম্রতা, পরামর্শ এবং পারস্পরিক সম্মানের।

আমিত্ব শুধু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কেই প্রভাব ফেলে না; এর ছায়া সন্তানদের ওপরও পড়ে। সন্তানরা যখন প্রতিনিয়ত ঝগড়া, একগুঁয়েমি, অসম্মান ও ক্ষমাহীন আচরণ দেখে বড় হয়, তখন তাদের মনেও সম্পর্ক সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়। ভবিষ্যতে তারাও একই আচরণ নিজের জীবনে বহন করতে পারে। ফলে একটি মানুষের আমিত্ব পরবর্তী প্রজন্মের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

অন্যদিকে, যে পরিবারে স্বামী-স্ত্রী দুজনই একে অপরকে সম্মান করেন, ভুল হলে ক্ষমা চান, প্রয়োজনে নিজের ইচ্ছাকে বিসর্জন দিতে পারেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টিকে নিজের অহংকারের চেয়ে বড় মনে করেন, সেই পরিবারে প্রশান্তি নেমে আসে। সেখানে মতের অমিল থাকতে পারে, কিন্তু মনোমালিন্য দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কারণ তারা সম্পর্ককে জিতিয়ে রাখতে চান, নিজেদের অহংকে নয়।

তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত সময়ে সময়ে নিজেকে প্রশ্ন করা—আমি কি সম্পর্কটাকে বড় করছি, নাকি নিজের আমিত্বকে? আমি কি আমার সঙ্গীর কথা মন দিয়ে শুনি, নাকি শুধু নিজের কথাই শুনাতে চাই? আমি কি ক্ষমা চাইতে পারি, নাকি সব সময় নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে ব্যস্ত থাকি?

মনে রাখতে হবে, একটি পরিবার ভেঙে যাওয়ার জন্য সব সময় দুজন মানুষের দোষ লাগে না। অনেক সময় স্বামী বা স্ত্রীর যে কোনো একজনের “আমিত্ব”ই একটি সুন্দর পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট। আর একটি সুখী পরিবার টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজন মাত্র দুটি বিষয়—আল্লাহভীতি এবং “আমি” থেকে “আমরা”-তে ফিরে আসার মানসিকতা।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, সুখি পরিবার Tagged With: আমি আমরা, আমিত্ব, আল্লাহভীতি, পরিবার, সুন্দর পরিবার

বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?

জুলাই ১৯, ২০২৬ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

যখন একজন স্ত্রী খুব ভালো করেই জানেন, তার স্বামী কোন আচরণে কষ্ট পান, কোন কথায় ভেঙে পড়েন, কোন বিষয়টি তার হৃদয়ে গভীর আঘাত করে—তারপরও যদি তিনি সেই একই কাজ বারবার করতে থাকেন, তাহলে বিষয়টি শুধু একটি ভুল বা অসাবধানতা হিসেবে দেখার সুযোগ ধীরে ধীরে কমে যায়। কারণ একজন মানুষ যখন কাউকে সত্যিই ভালোবাসেন, তখন তিনি অন্তত চেষ্টা করেন এমন কাজ থেকে বিরত থাকতে, যা প্রিয় মানুষটির মনে অকারণ কষ্ট সৃষ্টি করে।

সম্পর্কে মতের অমিল থাকবে, তর্ক হবে, ভুল বোঝাবুঝিও হতে পারে। কিন্তু ভালোবাসার অন্যতম প্রকাশ হলো—অপরের অনুভূতির প্রতি যত্নশীল হওয়া। কেউ যদি জানেন, একটি নির্দিষ্ট আচরণ তার সঙ্গীর মনে বারবার আঘাত করছে, তবুও যদি তিনি সেটি বদলানোর কোনো আন্তরিক চেষ্টা না করেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে—এই সম্পর্কে আমার অনুভূতির মূল্য কতটুকু?

একজন স্বামী সব সময় নিখুঁত হন না। তিনিও ভুল করেন, রাগ করেন, অনেক সময় সঠিকভাবে নিজের কষ্ট প্রকাশ করতেও পারেন না। কিন্তু যদি তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন যে একটি বিষয় তাকে কষ্ট দেয়, আর সেই বিষয়টি জেনেশুনে বারবার করা হয়, তাহলে সেই কষ্ট শুধু ঘটনাটির জন্য নয়; বরং এই উপলব্ধির জন্যও বাড়ে যে, “আমার অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।”

কোনো সম্পর্কে বারবার একই আঘাত পাওয়া মানুষকে ধীরে ধীরে নীরব করে দেয়। প্রথমে সে বোঝানোর চেষ্টা করে, তারপর অনুরোধ করে, এরপর অভিমান করে, আর একসময় হয়তো চুপ হয়ে যায়। এই নীরবতা অনেক সময় সম্পর্কের সবচেয়ে বিপজ্জনক পর্যায়। কারণ তখন অভিযোগের ভাষা হারিয়ে যায়, কিন্তু ভেতরের দূরত্ব বাড়তেই থাকে।

তবে এটাও মনে রাখা জরুরি যে, সব পরিস্থিতির ব্যাখ্যা এক রকম হয় না। কেউ হয়তো নিজের অভ্যাস, রাগ, মানসিক চাপ বা যোগাযোগের দুর্বলতার কারণে একই ভুল বারবার করেন। তাই শুধু একটি আচরণ দেখেই নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে তিনি আর সম্পর্কটিকে গুরুত্ব দেন না বা সঙ্গীকে হারানোর ভয় একেবারেই নেই। অনেক সময় সমস্যার মূল কারণ হতে পারে যোগাযোগের অভাব, অমীমাংসিত দ্বন্দ্ব, অথবা পারস্পরিক বোঝাপড়ার ঘাটতি।

তবুও, যদি বহুবার শান্তভাবে বিষয়টি আলোচনা করার পরও কোনো পরিবর্তনের ইচ্ছা না দেখা যায়, যদি আপনার কষ্টকে বারবার তুচ্ছ করা হয়, যদি আপনার অনুভূতিকে গুরুত্ব না দিয়ে একই আচরণ চলতেই থাকে, তাহলে এটা অন্তত ইঙ্গিত করে যে আপনার মানসিক কষ্টকে প্রত্যাশিত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। একটি সুস্থ সম্পর্কে উভয় পক্ষই একে অপরের কষ্ট কমানোর চেষ্টা করেন; কষ্ট বাড়ানোর নয়।

ভালোবাসা শুধু “ভালোবাসি” বলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ভালোবাসা প্রকাশ পায় সম্মানে, যত্নে, সংযমে এবং এমন কিছু কাজ এড়িয়ে চলায়, যা প্রিয় মানুষটির হৃদয়ে অযথা আঘাত করে। সম্পর্ক টিকে থাকে তখনই, যখন দুজনই একে অপরের অনুভূতিকে নিজের মতো করে মূল্য দিতে শেখেন।

তাই যদি কখনো মনে হয়, আপনার কষ্ট বারবার প্রকাশ করার পরও তা গুরুত্ব পাচ্ছে না, তাহলে নীরবে কষ্ট জমিয়ে না রেখে খোলামেলা ও সম্মানজনকভাবে কথা বলুন। কারণ অনেক ভুল বোঝাবুঝির সমাধান কথোপকথনের মাধ্যমেই সম্ভব। আর যদি দীর্ঘ সময় ধরে কোনো পরিবর্তনের আন্তরিক প্রচেষ্টা না দেখা যায়, তাহলে অন্তত এটুকু বোঝা যায়—সম্পর্কটিকে সুস্থ রাখার দায়িত্ব একা একজনের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। একটি সম্পর্ক টিকে থাকার জন্য দুজনেরই সমান আন্তরিকতা, সম্মান এবং একে অপরের অনুভূতির প্রতি সত্যিকারের যত্ন প্রয়োজন।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।

জুলাই ১৯, ২০২৬ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

কারও জীবনে বড় অবদান রাখতে সব সময় বড় কিছু করতে হয় না। কখনো কখনো ছোট ছোট যত্ন, আন্তরিকতা আর দায়িত্ববোধই একজন মানুষকে অন্যের কাছে অসাধারণ করে তোলে। আমার জীবনে এমনই একজন মানুষ আছেন—আমার উপকারী বান্ধবী।

তিনি এমন একজন, যিনি আমার সুবিধা-অসুবিধার কথা নিজের প্রয়োজনের মতোই ভাবেন। আমি না বললেও অনেক সময় তিনি বুঝে যান আমার কী দরকার। তাঁর এই আন্তরিকতা আমাকে বারবার মুগ্ধ করে। বন্ধুত্ব যে শুধু গল্প করা, আড্ডা দেওয়া বা আনন্দ ভাগাভাগির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একে অপরের জীবনে বাস্তব সহায়ক হয়ে ওঠাও বন্ধুত্বের অন্যতম সৌন্দর্য—তিনি সেটাই আমাকে শিখিয়েছেন।

আমাদের এলাকায় মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ চলে যায়। এমন সময় IPS চালু হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। বিশেষ করে রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে অনেক সময় ঘুমের মধ্যেই বিষয়টি টের পাওয়া যায় না। তখন তিনি আমাকে ডেকে জাগিয়ে তোলেন, যাতে আমি IPS ঠিকমতো চালু হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখতে পারি। অনেকের কাছে এটি হয়তো খুব সাধারণ একটি কাজ, কিন্তু আমার কাছে এটি তাঁর দায়িত্বশীলতা ও যত্নের সুন্দর একটি প্রকাশ।

তিনি চাইলে আমাকে কাঁচা ঘুম থেকে না জাগিয়ে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে দিতে পারতেন, কিংবা নিজেই আইপিএস চালু হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করে দেখতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেন না। বরং আমার দায়িত্বের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং আমার প্রয়োজনের কথা ভেবে আমাকে জাগিয়ে দেন, যাতে আমি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারি। তাঁর এই ছোট্ট উদ্যোগে যেমন যত্নের প্রকাশ রয়েছে, তেমনি রয়েছে আমার কাজের প্রতি তাঁর আন্তরিকতা ও গুরুত্ব দেওয়ার মানসিকতা।

শুধু এই একটি বিষয়ই নয়, প্রয়োজনের সময় তিনি পরামর্শ দেন, ভুল হলে তা সংশোধন করে দেন এবং কঠিন সময়ে মানসিক সাহস জোগান। জীবনের বিভিন্ন সমস্যায় তাঁর উৎসাহ আমাকে নতুন করে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়। একজন সত্যিকারের বন্ধু কখনো শুধু সুখের সময় পাশে থাকে না; দুঃসময়েও নীরবে পাশে দাঁড়ায়। আমার বান্ধবী সেই বিরল মানুষদের একজন।

তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ হলো তাঁর নিঃস্বার্থ মানসিকতা। কোনো প্রতিদানের আশা না করেই তিনি সাহায্য করতে ভালোবাসেন। আজকের সময়ে এমন মানুষ খুব বেশি দেখা যায় না। তাই আমি তাঁর এই গুণকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। তাঁর ব্যবহার ভদ্র, কথাবার্তা মার্জিত এবং অন্যের প্রতি সম্মানবোধ প্রশংসনীয়। এসব গুণ তাঁকে আরও আপন করে তোলে।

বন্ধুত্বের প্রকৃত মূল্য বোঝা যায় আচরণে। একজন ভালো বন্ধু শুধু আনন্দের সঙ্গী নন, তিনি একজন নির্ভরযোগ্য মানুষও। আমার বান্ধবী ঠিক তেমনই। তিনি আমাকে মনে করিয়ে দেন যে, সম্পর্কের ভিত্তি হলো বিশ্বাস, আন্তরিকতা এবং একে অপরের প্রতি দায়িত্ববোধ। তাঁর ছোট ছোট যত্ন আমার প্রতিদিনের জীবনকে আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক করে তোলে।

আমি বিশ্বাস করি, জীবনে ভালো মানুষের উপস্থিতি বড় একটি আশীর্বাদ। আমার উপকারী বান্ধবীও আমার জীবনের এমনই এক মূল্যবান আশীর্বাদ। তাঁর আন্তরিকতা, সহানুভূতি, দায়িত্বশীলতা এবং নিঃস্বার্থ সহযোগিতা আমাকে সব সময় অনুপ্রাণিত করে। আমি আশা করি, আমাদের এই সুন্দর বন্ধুত্ব দীর্ঘদিন অটুট থাকবে এবং আমরা সবসময় একে অপরের পাশে থাকতে পারব। একজন সত্যিকারের বন্ধুর যে কতটা মূল্য, তাঁর মাধ্যমে আমি তা গভীরভাবে উপলব্ধি করেছি।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন

সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।

জুলাই ১৯, ২০২৬ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

আমি তো সহজলভ্য মানুষকেই খুঁজি। তিনি একজন গার্মেন্টসকর্মী হলেও আলহামদুলিল্লাহ, এটাই বর্তমান উপলব্ধি। সহজলভ্যতা কখনো মানুষকে ছোট করে না; ছোট করে তার নৈতিকতা, ব্যবহার, বিশ্বাসঘাতকতা, অহংকার আর আমিত্ব। জ্বি আমিত্ব। 

একজন দ্বিচারিতাহীন, নিঃস্বার্থ, বিশ্বস্ত ও আন্তরিক মানুষ—যিনি আল্লাহভীরু, আল্লাহর বান্দি; শয়তানের অনুসারী নয়, সেইতো শ্রেষ্ট।

যার চরিত্রে নৈতিকতা নেই, যার জীবনে আদর্শ নেই—সে নিজেকে যত বড়ই ভাবুক না কেন, মানুষ হিসাবে সে মর্যাদাহীন। কারণ মানুষের আসল পরিচয় তার সম্পদ, পদ বা বংশে নয়; তার চরিত্রে।

যার মধ্যে আমার নীতি-আদর্শের এক শতাংশও খুঁজে পাই না, তার কাছে আর কী-ই বা প্রত্যাশা করার আছে? যে নিজের ‘আমিত্ব’ আঁকড়ে ধরে দুই দশক পার করে দিয়েছে, তার কাছ থেকে পরিবর্তনের আশা করাও হয়তো অর্থহীন।

সহজ মানুষ চাই, কিন্তু সস্তা মানুষ নয়। সহজলভ্য হলেই মানুষ সস্তা হয়ে যায় না; সস্তা হয়ে যায় যখন সে নীতি, আদর্শ, বিশ্বস্ততা ও মানবিকতা হারিয়ে ফেলে।

যার চিন্তা, কথা ও কাজে বারবার শয়তানের প্ররোচনার প্রভাব দেখি, তার প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখা সত্যিই কঠিন। তবুও তার হেদায়েতের জন্য আল্লাহর কাছেই দোয়া করি, কারণ অন্তর পরিবর্তনের ক্ষমতা একমাত্র তাঁরই।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: অফার, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

তিন গল্পের জীবন শিক্ষা

জুলাই ১৯, ২০২৬ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

আমাদের চারপাশের চেনা মানুষগুলোর ভেতরের আসল রূপ, তাদের জেদ এবং কু-অভ্যাসকে চেনার জন্য এই তিনটি গল্প এক একটি আয়না। গল্পগুলো ছোট হলেও এদের জীবনবোধ অনেক গভীর:

১. এক চোরের বংশ ধনী হলেও বড় ভাই সিঁধ কেটে চুরি করার পুরনো অভ্যাস ছাড়তে পারছিল না। পরিবারের সম্মান বাঁচাতে সব ভাইয়েরা মিলে তাকে এক বুদ্ধিদীপ্ত প্রস্তাব দিল। তারা বলল, “ভাই, তুমি আমাদের নিজেদের ঘরের জিনিসপত্রই রাতে সিঁধ কেটে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে সরাও।” এতে তার চুরির নেশাও মিটলো, আর বংশের সম্মানও বাঁচলো। আল্লাহর হেদায়াত ছাড়া অভ্যাস পরিবর্তন সম্ভব না।

২. এক মহিলা নিজেকে খুব পর্দানশীল দাবি করে বাড়ির সামনের গাছটি কেটে ফেলেন। সবাইকে বলেন, গাছে বসা এক পুরুষ পাখি তাকে দেখে ফেলায় তার পর্দা নষ্ট হয়েছে। কিন্তু আসল সত্য ছিল অন্যরকম। গাছের বড় বড় ডালপালার কারণে তিনি আড়াল থেকে তার অবৈধ প্রেমিককে পরিষ্কারভাবে দেখতে পেতেন না। নিজের গোপন প্রেমের রাস্তা পরিষ্কার করতেই তিনি পর্দার বাহানা দিয়ে গাছটি কেটেছিলেন। নিজের স্বার্থ ও অপরাধ লুকাতে মানুষ প্রায়ই লোকদেখানো ভালো মানুষের মুখোশ পরে।

৩. এক তোতা পাখি এক মহিলাকে দেখলেই তার সম্পর্কে অপ্রিয় সত্যি ও বাজে কথা বলতো। শাস্তি হিসেবে দোকানদার পাখিটিকে বারবার পানিতে চুবাতো। একদিন মহিলাটি পাখিটিকে এসে বললেন, “কী রে, এখন কিছু বলবি না?” পাখিটি তখন দোকানদারের পানির বালতির দিকে তাকিয়ে বলল, “খালাম্মা, আপনি কেমন তা তো আপনি ভালো করেই জানেন। কিন্তু কী আর করবো, পাশে পানির বালতি রাখা আছে!” বিশ্বাস বা ধারণা যখন অন্তরে গেঁথে থাকে তা মুছে ফেলা যায় না।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

  • 1
  • 2
  • 3
  • …
  • 11
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:37 AM
    সূর্যোদয়5:41 AM
    জোহর11:58 AM
    আসর4:28 PM
    মাগরিব6:15 PM
    ইশা7:18 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট
  • বিয়ে রেজিস্ট্রেশন কি বাধ্যতামূলক? ইসলাম কী বলে?
  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

আলীবাবা, জ্যাক মা

জ্যাক মা প্রায়ই বলেন, তার কোম্পানির সাফল্য অনেকটা দুর্ঘটনা বসত। আলীবাবা শুরু থেকে এক হাজার একটি ভুল করেছে, তবুও কেন কোম্পানিটি টিকে গেল? এর পেছনে জ্যাক মা, তিনটি প্রধান কারন আছে বলে উল্লেখ করেন, এক, আমাদের কোন টাকা পয়সা ছিলো না, দুই, আমাদের কাছে কোন টেকনোলজি ছিলো না এবং তিন, আমাদের কোন পরিকল্পনাও ছিলো না। কিন্তু যাই হোক, চলুন দেখে আসি, তিনটি মূল ফ্যাক্টর যা […]

Copyright © 2026