বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

তিন গল্পের জীবন শিক্ষা

জুলাই ১৯, ২০২৬ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

আমাদের চারপাশের চেনা মানুষগুলোর ভেতরের আসল রূপ, তাদের জেদ এবং কু-অভ্যাসকে চেনার জন্য এই তিনটি গল্প এক একটি আয়না। গল্পগুলো ছোট হলেও এদের জীবনবোধ অনেক গভীর:

১. এক চোরের বংশ ধনী হলেও বড় ভাই সিঁধ কেটে চুরি করার পুরনো অভ্যাস ছাড়তে পারছিল না। পরিবারের সম্মান বাঁচাতে সব ভাইয়েরা মিলে তাকে এক বুদ্ধিদীপ্ত প্রস্তাব দিল। তারা বলল, “ভাই, তুমি আমাদের নিজেদের ঘরের জিনিসপত্রই রাতে সিঁধ কেটে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে সরাও।” এতে তার চুরির নেশাও মিটলো, আর বংশের সম্মানও বাঁচলো। আল্লাহর হেদায়াত ছাড়া অভ্যাস পরিবর্তন সম্ভব না।

২. এক মহিলা নিজেকে খুব পর্দানশীল দাবি করে বাড়ির সামনের গাছটি কেটে ফেলেন। সবাইকে বলেন, গাছে বসা এক পুরুষ পাখি তাকে দেখে ফেলায় তার পর্দা নষ্ট হয়েছে। কিন্তু আসল সত্য ছিল অন্যরকম। গাছের বড় বড় ডালপালার কারণে তিনি আড়াল থেকে তার অবৈধ প্রেমিককে পরিষ্কারভাবে দেখতে পেতেন না। নিজের গোপন প্রেমের রাস্তা পরিষ্কার করতেই তিনি পর্দার বাহানা দিয়ে গাছটি কেটেছিলেন। নিজের স্বার্থ ও অপরাধ লুকাতে মানুষ প্রায়ই লোকদেখানো ভালো মানুষের মুখোশ পরে।

৩. এক তোতা পাখি এক মহিলাকে দেখলেই তার সম্পর্কে অপ্রিয় সত্যি ও বাজে কথা বলতো। শাস্তি হিসেবে দোকানদার পাখিটিকে বারবার পানিতে চুবাতো। একদিন মহিলাটি পাখিটিকে এসে বললেন, “কী রে, এখন কিছু বলবি না?” পাখিটি তখন দোকানদারের পানির বালতির দিকে তাকিয়ে বলল, “খালাম্মা, আপনি কেমন তা তো আপনি ভালো করেই জানেন। কিন্তু কী আর করবো, পাশে পানির বালতি রাখা আছে!” বিশ্বাস বা ধারণা যখন অন্তরে গেঁথে থাকে তা মুছে ফেলা যায় না।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন

মে ২১, ২০২৫ by Shahana Akhter Leave a Comment (Edit)

এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন ।
এগুলো খুব পজিটিভ দিক একটা শিশুর জন্য।।
সুন্দর পরামর্শ।।।

  1. ৩ মিনিট ঘুম থেকে ওঠার সময়-সকালে সন্তানের পাশে বসুন মাথায় হাত বুলিয়ে, আলতো চুমু দিয়ে আস্তে করে ডেকে তুলুন। তার সম্পর্কে কোন সুন্দর কথা বলুন।
  2. ৩ মিনিট স্কুল থেকে ফিরে-বাচ্চা স্কুল থেকে ফিরলে হাসি মুখে তাকে স্বাগত জানান। আদর মাথা স্পর্শে জড়িয়ে নিন তাকে শুনুন তার গল্পগুলো।
  3. ৩ মিনিট রাতে ঘুমানোর আগে-একটু খুনসুটি করুন জড়িয়ে ধরে আদর করে দিন। গল্প শোনান। সারাদিনের কোন ভালো কাজের প্রশংসা করুন।

Related Images:

Shahana Akhter
Shahana Akhter
www.bn.bdtopten.com/author/shahanaa/

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিশু সুরক্ষা, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

যে ভালোবাসে তাকেই পাশে রাখ।

জুন ১০, ২০২৪ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

  • একজন তোমার জন্য সামান্য sacrifice করতে পারবে না।
    • আরেকজন for no reason তোমার জন্য সব কিছু করবে।
  • একজন তোমার জন্য মিরপুর থেকে আগারগাঁও আসতে পারবে না। নানা অজুহাত দেখাবে।
    • আরেকজন গুলশান থেকে ঝড় বৃষ্টি সহ্য করে নারায়ণগঞ্জ চলে আসবে।
  • একজন তার মামা চাচার সম্পদের বড়াই তোমার সাথে দেখাবে।
    • আরেকজন তার বাবার হাজার কোটি টাকার সম্পদের গল্প কোন দিনও তোমাকে বলবে না।গর্ব দেখানো তো দূরের ব্যাপার।
  • একজন দেশের কোন এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 3.8 cGPA পেয়ে তোমার সাথে ভাব নিবে।
    • আরেকজন আমেরিকায় পড়ে ৪/৪ পেয়েও তোমার সাথে বিনয়ী হবে।
  • একজন তোমাকে ভেঙ্গে খাবে।
    • আরেকজন তোমাকে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। তোমার এলোমেলো জীবনটা সাজিয়ে দিবে।
  • একজন তোমার সাথে থাকা অবস্থায় আরেকটা সম্পর্কে জড়িয়ে যাবে।
    • আরেকজন তোমাকে পাবার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষায় থাকবে।
  • তুমি একজনের জন্য সব করেও তাকে খুশি করতে পারবা না। তোমার শত শত sacrifice তার কাছে মূল্যহীন।
    • আবার অন্যজন তার সব নিয়ে বসে আছে তোমাকে দেয়ার আশায়। তোমাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য তার আপ্রাণ চেষ্টা সে করে যাবে, শুধু তোমাকে একটু ভাল রাখার জন্য।

প্রতিটা মানুষ আলাদা। তাদের চাল চলন আলাদা। কথা বলার ধরন আলাদা। ভালোবাসার প্যাটার্ন আলাদা।

  • কেউ ভালোবাসার নামে অবিচার করবে।
    • কেউ হাজার হাজার মাইল দূরে থেকেও ছায়া দিবে।
  • কেউ কেউ তোমার জীবন অতিষ্ঠ করে তুলবে।
    • আবার কেউ একজন তোমার চোখকে শীতলতা দিবে।

So choose people who choose YOU.
যে ভালোবাসে তাকেই পাশে রাখ।

যার কারণে মানসিক শান্তি নষ্ট হয় তাকে কাছে ভিড়তে দিও না। যে ছায়া দেয় তার ছায়ায় বাস কর।
Remove all the toxic people from your life.

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, সুখি পরিবার Tagged With: চোখকে শীতল, ভালোবাস, ভালোবাসা, মানসিক শান্তি

আমাদের ছেলেরা কীভাবে পুরুষ হবে?

মে ২২, ২০২৪ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

গ্রামের বাড়িতে গেছি বেড়াতে। রাতের বেলা শুধু মুরগির বাচ্চার কিচিরমিচির শুনছি। একটু ডিস্টার্বই হচ্ছে। দোতলার বারান্দায় নাকি আম্মু মুরগির বাচ্চা এনে রেখেছেন। জানতে চাইলাম, মুরগির খোপ রেখে এখানে এগুলো কেন রেখেছেন? আম্মু জানালেন যে, মুরগির বাচ্চা মায়ের সাথে যত বেশিদিন থাকে তত দেরিতে ডিম দেয়, আর মা থেকে আলাদা করে রাখলে দ্রুত ডিম দেওয়া শুরু করে।

চট করে আমার চিন্তাটা মুরগির বাচ্চা থেকে সরে আমাদের বর্তমান সমাজের আধুনিক প্রজন্মের ‘ছেলেবাবুদের’ দিকে সরে গেল, যারা বয়স পচিশ-ত্রিশে এসেও মানসিকভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হতে পারে না।

আমার বন্ধু কবির। ওরা দ্বিতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বৃটিশ। ওর বাবা গিয়েছিলেন ষাটের দশকে। ও ওর নিজের জীবনের দারুণ একটা ঘটনা শুনিয়েছিল আমাকে। ওর বয়স যেদিন ষোলো বছর পূর্ণ হয়ে সতেরোতে পড়ল, সেদিন ওর বাবা ওকে ডেকে বললেন, এখন থেকে তুমি বৃটিশ আইন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক, স্বাধীন ও স্বনির্ভর পুরুষ। এখন থেকে তোমার দায়িত্ব তোমাকেই বহন করতে হবে। তোমার লেখাপড়ার খরচা তোমাকেই যোগাতে হবে। আর আমার বাসায় থাকতে হলে বাসা ভাড়া, আর খেতে হলে খাবার খরচ দিতে হবে। যেই কথা সেই কাজ। কোনো ছাড় নেই। কবির বাধ্য হয়ে একটা শপে পার্টটাইম কাজ জোগাড় করল। স্কুল শেষে সেখানে কাজ করত। সেই টাকা দিয়ে বাসা ভাড়া আর খাবার বিল দিত। লেখাপড়া তো সরকারি স্কুলে, তাই এক বাচা বাঁচল। বৃটিশ কালচারে এটা স্বাভাবিক হলেও বাঙালী হিসেবে বাবার এই আচরণ মেনে নিতে ওর বেশ কষ্ট হয়েছিল। এই সময়টাতে বাবার প্রতি জমেছিল এক রাশ ঘৃণা আর অভিমান। এই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল তা আমরা একটু পরে বলছি।

জীবনের এই প্রথম ধাক্কাই তাকে অনেকটা পরিপক্বতা এনে দিয়েছিল। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিল। এখন মাত্র ৪৫ বছর বয়সে ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেছে।
আমি কবিরকে আমার এই বিশ বছরের বন্ধুত্বের জীবনে অসংখ্য ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে ও অংশগ্রহণ করতে দেখেছি। অনেক অসহায় মানুষকে, পরিবারকে ও সাহায্য করেছে।

ঠিক এর বিপরীতে গেলে আমাদের সমাজে অসংখ্য মানুষ দেখতে পাবেন, যারা ত্রিশে এসেও বালকসুলভ জীবন কাটায়, পুরুষ হয় না। কোনো দায়িত্ব নিতে সক্ষম নয়, কোনোকিছুতে স্থির নয়, কোনো লক্ষ্যপানে ধাবিত নয়, কোনো অর্জনের জন্য স্থির নয়।

আমাদের অধিকাংশ মানুষদের দেখবেন বলতে, ছেলেমেয়েদের জন্যই তারা খেটে মরে, বাড়িগাড়ি বানায়। জিজ্ঞেস করলে বলে, আমরা যে কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছি আমার ছেলেমেয়েরা যেন তার মধ্য দিয়ে না যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এ ধরণের চিন্তার বাবা-মায়ের সন্তানরা খুবই অযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়।

যে বাবা-মা তাদের জন্য খেটে মরেছে, তাদের জন্য কিছু করা তো দূরের কথা, তারা নিজেদের দায়িত্বই নিতে সক্ষম হয় না। বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া সম্পদের উপর নির্ভরশীল হয়। সেটা ফুরিয়ে গেলে চরম মানবেতর জীবনযাপন করে।
আমাদের ভিতরে যারা একটু স্মার্ট এবং বাস্তবসম্মত চিন্তা করেন, তারা ভাবেন—ছেলেমেয়েদের জন্য বাড়িগাড়ি রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়, তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই আমাদের দায়িত্ব।

তারা দেখা যায় উন্নত লেখাপড়ার জন্য ছেলেমেয়ের পিছনে অঢেল টাকাপয়সা ব্যয় করেন, দুনিয়ার সকল ঝুটঝামেলা ও বাস্তবতা থেকে এমনভাবে দূরে রাখেন, ফলে তারা হয় ‘শিক্ষিত বলদ’।

সত্যিকারভাবে ছেলেদেরকে পুরুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ খুব কম মানুষই গ্রহণ করতে পারেন। আর এর অবধারিত ফল হলো ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার হিসেবে, সমাজ ও জাতি হিসেবে পিছিয়ে পড়া।

একটা মানুষ যদি পৃথিবীর জন্য পনেরো-ষোলো বছর থেকে অবদান রাখা শুরু করতে পারে, তাহলে তার অবদানের মাত্রা ও মান দুটোই অনেক বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে কথিত মাস্টার্স শেষ করে কর্পোরেট স্লেইভ হতে হতে যে সময় ব্যয় হয়ে যায়, তাতে অবদান রাখার সময় যেমন হারিয়ে যায়, তেমনই অবদানের মানও আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো হয়ে ওঠে না।

আমি ড্রাইভিং শিখেছিলাম ৩৩ বছর বয়সের দিকে। আমার এক বন্ধু তখন বলেছিল—তুমি এখন আর ফার্স্ট ক্লাস এফিশিয়েন্ট ড্রাইভার হতে পারবা না, তুমি হবা ‘আংকেল ড্রাইভার’। সামনের আরেকটা গাড়ির পেছনে পেছনে স্টিয়ারিং ধরে গাড়ি চালিয়ে তোমার জীবন যাবে।

আমি খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করলাম যে, কথা খুবই সত্য। আমার পাশ দিয়ে বহু গাড়ি কাটিয়ে চলে যায়, আর আমার কাছে সামনের গাড়ির পিছনে ধরে রাখাকেই নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে হয়। তাই দেরি করে দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারটা শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন করে তা-ই নয়, দায়িত্ববোধের মান ও দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাও হ্রাস করে ফেলে।

বাবার প্রতি কবিরের ঘৃণা আর অভিমানের কথা মনে আছে? এবার বলি সেই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল। বিয়ের দু’বছর পর যখন একটা ব্যবসা দাড় করানোর জন্য ভালো অংকের একটা নগদ অর্থ দরকার হলো তখন সেই কঠোর বাবা তার হাতে পাউন্ডের একটা বান্ডিল দিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা বাসা ভাড়া আর খাওয়ার খরচ হিসেবে দেওয়া তোমার সেই অর্থ।

এমন কোনো প্রয়োজনের সময় দেওয়ার জন্য জমা করে রেখেছিলাম’। জীবনে কোনো এক সময় যদিও বাবার প্রতি কবিরের ঘৃণা জন্মেছিল, কিন্তু এখন বাবার সেই কঠোরতাটুকুকে সে তার জীবনের অমুল্য সম্বল মনে করে এবং বাবাকে নিয়ে সে আজ সত্যিকারে গর্ব অনুভব করে।

সেই মুরগির গল্পে ফিরে আসুন। ফিরে আসুন ইসলামের বাতলানো সমাজ চিন্তায়। মুরগির বাচ্চা যেমন মায়ের ডানার তলে থাকলে ডিম দেবে না, তেমনি আপনার ছেলেকে যতদিন ডানার নিচে রাখবেন সে দায়িত্বশীল হবে না। এটা সৃষ্টির প্রকৃতির মধ্যে দেওয়া স্রষ্টার অমোঘ নিয়ম। ইসলাম বলে একটা ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার তিনটা সাইন:

১. স্বপ্ন*দো-ষ হওয়া
২. নাভির নিচে লো+ম গজানো, কিংবা
৩. বয়স পনেরো বছরে উপনীত হওয়া

এরপর ইসলামি আইনমতে সে একজন পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ। তার উপর শরিয়তের সকল আইন কার্যকর। মহান আল্লাহ এই সীমাটা এইজন্যই নির্ধারণ করেছেন যে, এই বয়স থেকে সে জীবন ও জগতে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন শুরু করবে।
আমাদের উচিত ছিলো, আমাদের সন্তানদেরকে এই বয়সে উপনীত হওয়ার আগেই তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ও যোগ্য করে গড়ে তোলা; কিন্তু সেটা না করে একটা দীর্ঘ সময় তাদেরকে স্পুন ফিডিং করে আমরা একটি অকর্মন্য ও অযোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলছি।

(কালেক্টেড)

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: জনসচেতনতা, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘর ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ বাঁচে?

এপ্রিল ২৪, ২০২৪ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

কেউ কেউ মনে করেন এসির সাথে ফ্যান চালালে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়। আবার কারো মতে, এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘর ঠান্ডা হতে দীর্ঘ সময় লাগে। ফ্যান উপর থেকে গরম বাতাসকে টেনে আনে। যার ফলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় না। আবার অপরদিকে কারো কারো চিন্তা ভাবনা থাকে এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়। সত্যিই কি তাই? এই ধারণায় ভবিষ্যতের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? তাই সময় থাকতে জেনে নিন এসির সাথে ফ্যান চালানো সুবিধাজনক নাকি অন্য কিছু।

এসির সাথে ফ্যান চালানো নিয়ে মানুষের যে ধারণাগুলো তৈরি হয় তা আসলে পুরোটাই ভ্রান্ত ধারণা। এরকম কোনো কিছুই হয় না। বিপরীতে বরং এসির সাথে ফ্যান চালালে বাতাসের প্রবাহ বৃদ্ধি হয়। যার ফলে ঘর ঠান্ডা হয় এবং ব্যক্তি আরাম পায়। পাশাপাশি এসি-ফ্যান একসাথে চালালে এসি কেও খুব একটা কাজ করতে হয় না। ঘরের চারিদিকেই ফ্যানের হাওয়া শীতল বাতাস ছড়িয়ে দেয়।

তবে এক্ষেত্রে

  • এসির তাপমাত্রা মাঝামাঝি রাখতে হবে। প্রায় ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে।
  • হালকা করে সিলিং ফ্যান চালিয়ে দিন। ফ্যানের স্পিড কমা হবে। তবেই ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে।
  • অবশ্যই ঘরের জানালা দরজা বন্ধ রাখতে হবে। তা না হলে এসি-ফ্যানের হাওয়া কোনোটাই কার্যকরী হবে না।

শুধু ঘর ঠান্ডা নয়, এসি-ফ্যান একসাথে চালালে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচে। যেখানে শুধুমাত্র ৬ ঘন্টা এসি চালালে বিদ্যুৎ খরচ হয় ১২ ইউনিট। সেখানে এসির সাথে যদি ফ্যান চালানো হয় এক্ষেত্রে ৬ ঘন্টায় বিদ্যুৎ খরচ ৬ ইউনিট বাঁচে। ফলস্বরূপ এসি-ফ্যান একসাথে চালালে অনেকটাই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি শরীরে ঘাম দিলে ফ্যানের সামনে দাঁড়ালে ফ্যানের হাওয়া গরম বাতাসকে চারপাশ থেকে সরিয়ে দেয় এবং ঠান্ডা অনুভব হয়।

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: আবহাওয়া, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, টেকনোলজি, প্রযুক্তি, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, স্বাস্থ্য Tagged With: আরাম, এসি, এসি-ফ্যান, এসির তাপমাত্রা, ঘর ঠান্ডা, ঘর দ্রুত ঠান্ডা, ঘরের জানালা দরজা বন্ধ, ফ্যান, ফ্যানের হাওয়া শীতল, বিদ্যুৎ খরচ, শীতল বাতাস

  • « Previous Page
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • …
  • 7
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর5:01 AM
    সূর্যোদয়6:05 AM
    জোহর11:42 AM
    আসর3:43 PM
    মাগরিব5:19 PM
    ইশা6:23 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট
  • বিয়ে রেজিস্ট্রেশন কি বাধ্যতামূলক? ইসলাম কী বলে?
  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘর ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ বাঁচে?

কেউ কেউ মনে করেন এসির সাথে ফ্যান চালালে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়। আবার কারো মতে, এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘর ঠান্ডা হতে দীর্ঘ সময় লাগে। ফ্যান উপর থেকে গরম বাতাসকে টেনে আনে। যার ফলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় না। আবার অপরদিকে কারো কারো চিন্তা ভাবনা থাকে এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়। সত্যিই কি তাই? এই ধারণায় ভবিষ্যতের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? […]

Copyright © 2026