বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

ইসলাম অর্থ কি?

এপ্রিল ২৫, ২০২১ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

এদেশের লোকদের যদি জিজ্ঞাসা করেন, ‘ইসলাম অর্থ কি?’
– তারা বলবে ‘শান্তি’।

অথচ ইসলাম অর্থ কি শান্তি? সালাম অর্থ শান্তি। আমরা সালাম দেই – আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক।

ইসলামের সঠিক অর্থটা জানলে আক্বিদার অনেকাংশ ক্লিয়ার হয়ে যায়। ইহুদী খৃষ্ট্রানসহ ইসলামের শত্রুরা খুব কুকৌশলে এই কাজটি করেছে, তা হল তোমরা শিখাও ইসলাম অর্থ শান্তি। তোমরা শান্তিতে থাকবে, খানকায় বসে ইবাদাত করবে, শান্তিতে ঘুমাবে! আস্তে আস্তে হাটবে! যমিনে পিপড়ায় যেন টের না পায়!

ইসলামের কি আছে তোমরা জানবে না। ইসলামের অর্থনীতি কি? ইসলামের রাষ্ট্রনীতি কি? ইসলামের পররাষ্ট্রনীতি কি? তা দরকার নেই তোমাদের। তোমরা শান্তিতে ঘুমিয়ে থাকো, রাষ্ট্র আমরা চালাবো।

– ঠিক এই ভাবে আজ আমরা ইসলামকে মসজিদ আর ঘরের মধ্যে আবদ্ধ করেছি। গুটি কয়েক ইবাদাতের মধ্যে
ইসলামকে আবদ্ধ করেছি।

ইসলাম অর্থ ‘আত্মসমর্পন।’

– কুরআন সুন্নাহর পরিভাষায় নিজের ইচ্ছা খায়েশ তথা নিজেকে, আল্লাহর পক্ষ থেকে রাসূল (সাঃ)-এর আনিত সকল বিধানের কাছে সমর্পন করার নামই ইসলাম। আর এরকম যে নিজেকে আল্লাহর সকল বিধানের কাছে সমর্পন করে তার নাম মুসলিম।
মুসলিম অর্থ ‘আত্মসমর্পনকারী।

নিজে সত্য-সঠিক অর্থ জানুন! অন্যকে জানতে সহায়তা করুন!

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম

প্রিয় নবী সা. এর চুল যেমন ছিল!

এপ্রিল ৮, ২০২১ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

?️
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আরব পুরুষদের রীতি ছিল লম্বা চুল রাখা। রাসুল নিজেও লম্বা চুল রাখতেন। তার চুল কখনো কানের মাঝামাঝি, কানের লতি কিংবা দুই কাঁধ পর্যন্ত লম্বা থাকতো। তার চুল কাঁধ ছাড়িয়ে আরো লম্বা হত বলে জানা যায়। [১]

?️
কখনো এতদূর অবধি লম্বা হত যে তা বিনুনি/গুচ্ছ করে রাখতেন। তার চাচাতো বোন উম্মে হানী রা. বলেন, “(মক্কা বিজয়ের সময়) রাসুলুল্লাহ সাঃ যখন মক্কায় আগমন করলেন তখন তার চুলে চারটি গুচ্ছ বা বিনুনি ছিল” [২]

?️
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম বলেন, “তার চুল যখন লম্বা হতো তখন তিনি তা চারটি গুচ্ছে বিভক্ত রাখতেন” [৩]
*আরবীতে চুল জড়িয়ে বা বিনুনি করাকে “গাদীরাহ” বলে। হাদীসে “আরবায়ু গাদায়ের” চারটি গুচ্ছ ভাষাটি ব্যাবহার হয়েছে।

?️
ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, “অধিকাংশ সময়ে তার চুল এরূপ কাঁধের কাছাকাছি থাকত। কখনো তা আরো লম্বা হতো এবং ঝুলন্ত গুচ্ছে পরিনত হতো। তিনি সেগুলোকে বিনুনি বানিয়ে রাখতেন” তবে কাঁধ অবধি থাকা তার স্বাভাবিকতা ছিল।[৪]

?️
হজ্জ বা উমরা ব্যতীত তিনি কখনো মাথার চুল মুন্ডন করেছেন বলে জানা যায় না।[৫]
সেজন্যই এ নিয়ে মতভেদ আছে মুন্ডন করা যাবে কি যাবে না। কোনো কোনো ফকীহ হজ্জ উমরা ছাড়া মাথা মুন্ডন কে মাকরুহ বলেছেন। দু কারনে তাদের মতের পক্ষে এ প্রমান পেশ করেন। প্রথমত, রাসুলুল্লাহ সাঃ নিজে কখনোই হজ্জ উমরা ছাড়া মাথা মুন্ডন করেন নি। দ্বিতীয়ত – বিভিন্ন হাদীস থেকে মাথা মুন্ডন আপত্তিকর বলে জানা যায়। সাহাবীগন ছোট চুল রাখতেন। নেড়া পরিহার করতেন।

?️
জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “হজ্জে বা উমরা ছাড়া মাথার চুল ফেলা যাবে না” (দূর্বল সনদ)[৬]

*দূর্বল হলেও বেশ কয়েক সনদে হাদীসটি উল্লেখ আছে। (তবে হাদীসের বর্ননা সূত্রের কেউ মিথ্যায় অভিযুক্ত নন)। আবু নু’আইমের বর্ণনায় হাদিসটি হলো,
“হজ্জে বা উমরা ছাড়া মাথার চুল ফেলা যাবে না। এছাড়া তা সৃষ্টি বিকৃতি করা বলে গণ্য হবে।”[৭]

?️
অন্য হাদীসে জাবির রা বলেন, রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেন,
“যে ব্যক্তি (মাথার চুল) মুন্ডন করে, (পোশাক পরিচ্ছদ) ছিড়ে ফেলে বা চিৎকার করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। (সহীহ সনদ) [৮]

?️
দুবা’য়ি নামক এক নিকৃষ্ট অপরাধী ব্যক্তিকে হযরত উমার (রা) শাস্তি প্রদান করেন এবং বলেন,
“তোমাকে যদি মাথা মুন্ডিত অবস্থায় পেতাম তবে আমি যাতে তোমার চক্ষুদ্বয় রয়েছে তা (তোমার মস্তক) তরবারীর আঘাতে কেটে ফেলতাম।” মানে শাস্তি অধিক হতো। [১০]

এ থেকেও বোঝা যায়, সাহাবীগণ মাথা মুন্ডনের অভ্যাস কে আপত্তিকর বলে মনে করতেন। ইমাম আহমাদ ইবনু হানবাল বলেন, প্রথম যুগের সালাফগন মাথা মুন্ডন করা মাকরুহ বলে মনে করতেন।[১০] যদিও তা হারাম বা গুনাহের কাজ ভাবা যাবেনা।

?️
মোল্লা আলী কারী বলেন, “চুল দীর্ঘ হওয়া কোনো নিন্দিত বিষয় নয়। কাঁধ ছাপিয়ে পরিমাপের চেয়ে বড় হলে চুল কেটে ফেলতে হবে বলেও কোনো নির্দেশ নেই।” [১১] সুতরাং পুরুষের চুল কাঁধের নীচে চলে গেছে মানেই তিনি গুনাহ করছেন এটি দ্বীনি জ্ঞানে অজ্ঞদের ভাবনা। তবে এটি দারা অহংকার প্রকাশ যেনো না হয়।

?️
তবে মনে রাখতে হবে- বড় চুল রাখা পুরুষের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। অনেক ফকিহ দাড়ি বড় হবার আগে চুল বড় করতে বারন করেছেন (তাশাব্বুহ মায়ান নিসওয়ান)। ছোট করে চুল রাখাও জায়েজ। তবে মাথার সব অংশে তা সমান হতে হবে। কোথায় বড় কোথাও ছোট এভাবে কাটা ইসলাম সম্মত নয়।

?️
কাতাদাহ (রা) থেকে বর্নিত – তাঁর কাধ ছাপিয়ে বিশাল চুল নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের কাছে জিজ্ঞাসা করলে রাসূল সা.তাঁকে একদিন পর একদিন চুল আঁচড়াতে এবং পরিপাটি করে রাখতে নির্দেশ দেন। [১২]

?️
চুলে তেল দেয়া, সুগন্ধি মিশিয়ে তেল দেয়া, পুরুষের জন্য আঁচড়িয়ে পরিপাটি রাখা, মাঝে সিথি করাও সুন্নাহ।[১৩]

?️
সুতরাং যাদের দারা সম্ভব রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের দায়েমী এ চুলের সুন্নাতের আমল করতে পারি। কেউ বড় চুল রাখলে, কানের লতি ছাপিয়ে নীচে গেলেই না বুঝে আপত্তিকর বাজে মন্তব্য না করি। আল্লাহ আমাদের বুঝ দান করুন।
বিঃদ্রঃ কোন যৌক্তিক কারনে পিতামাতা যদি সন্তানকে চুল ছোট রাখতে বলেন তা মান্যকরা দায়িত্ব। কারন চুল বড় রাখা একটি সুন্নাহ যায়েদা, পিতামাতার বাধ্য থাকা ফরয। সুতরাং এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবেনা।

? আরো বিস্তারিত জানতে
ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহি রচিত “ইসলামে পোশাক পর্দা ও দেহ-সজ্জা” বইটি পড়ে নিতে পারেন।

?️
রেফারেন্স:
১-তিরমিযী, আশ শামাইল আল মুহাম্মাদিয়া/৪৭-৫০, আবু দাউদ, আস সুনান ৪/৮১,
আলবানী মুখতাসারুশ শামাইল/ ৩৪-৩৬
২-তিরমিযী, আস সুনান ৪/২৪৬, আবু দাউদ, আস সুনান ৪/৮৩, ইবনু মাজাহ, আস সুনান ২/১১৯৯, ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ৬/৫৭২, ১০/৩৬০, আলবানী, মুখাতাসারুশ শামাইল/৩৫
৩-ইবনুল কাইয়িম, যাদুল মা’আদ ১/১৭০
৪-ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ১০/৩৬০
৫-ইবনুল কাইয়িম, যাদুল মা’আদ ১/১৬৭, শামী সীরাহ শামিয়াহ ৭/৩৪৯-৩৫০
৬- তাবারানী, আল মু’জামুল আউসাত ৯/১৮০
৭-আবু নু’আইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া ৮/১৩৯
৮-বুখারী,আস সহীহ ৬/২৭৪৮
৯-ইবনু কুদামা, আল মুগনী ১/৬৫
১০-মোল্লা আলী কারী, মিরকাত ৮/২৪০
১১-মিরকাত ৮/২৪০
১২-নাসায়ী – ৮/১৮৪।
১৩- মুয়াত্তা মালিক- ২/৯৪৯।

Abdul Hi Muhammad Saifullah

 

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: ইসলাম, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, রূপসৌন্দর্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিশু সুরক্ষা Tagged With: চুল, চুলে তেল দেয়া, ছোট চুল, দীর্ঘ চুল, নবী সা. এর চুল, বড় চুল রাখা, বিনুনি, মাথা মুন্ডন করা, মাথার চুল, সিথি করা

কিভাবে জন্ম নিবন্ধন করবেন?

মার্চ ৩, ২০২১ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

  • জন্ম নিবন্ধন আবেদন
  • জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা
  • জন্ম নিবন্ধন সনদ পুনঃ মুদ্রন
  • জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসন্ধান
  • জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন
  • জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট
  • সার্টিফিকেট বাতিলের আবেদন

★নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন
http://bdris.gov.bd/br/application

★জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা
http://bdris.gov.bd/br/application/status

★জন্ম নিবন্ধন সনদ পুনঃ মুদ্রন
http://bdris.gov.bd/br/reprint/add

★জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসন্ধান
http://bdris.gov.bd/br/search

★জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন
http://bdris.gov.bd/br/correction

★জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট
http://bdris.gov.bd/application/print

★ সার্টিফিকেট বাতিলের আবেদন

 

 

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: Govt. Info, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন

স্বৈরাচারী সরকারের ১০ লক্ষণ

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

গণমাধ্যমকে ভয় দেখানো

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে গণমাধ্যম বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকে৷ সরকারের সমালোচনা ও ভুল ধরিয়ে দেয়ার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনেক৷ ফলে সমালোচনার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সাংবাদিকদের দূরে রাখতে স্বৈরাচারী শাসকরা পত্রিকা, টেলিভিশনকে ভয় দেখিয়ে কোণঠাসা করতে চান৷

সরকারপন্থি গণমাধ্যম সৃষ্টি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে৷ ফলে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা সবক্ষেত্রে সম্ভব হয় না৷ পালটা ব্যবস্থা হিসেবে স্বৈরশাসকরা সরকারপন্থি গণমাধ্যম নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন৷ এর ফলে ব্যাপক হারে সরকারের নানা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো সহজ হয়৷

রাষ্ট্রীয় সংস্থার দলীয়করণ

রাষ্ট্রের সকল স্তরে নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে স্বৈরাচারী শাসকরা পুলিশ, সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে সরকারি আমলাদের মধ্যেও দলীয়করণ প্রতিষ্ঠা করে থাকেন৷ এর ফলে রাষ্ট্রের ভেতর থেকে ক্ষোভ দেখা দিলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা হয়৷

বিরোধীদের ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি

রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থাকে সরকারের রাজনৈতিক বিরোধীতাকারীদের ওপর নজরদারির কাজে লাগানো হয়৷ গোয়েন্দা মারফত পাওয়া তথ্য কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে নানাভাবে হেয় করা ও কোণঠাসা করতে অপব্যবহার করা হয় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা৷

বিশেষ সুবিধা ও দমনপীড়ণ

স্বৈরাচারী সরকার বা সরকারপ্রধানকে যেসব কর্পোরেট সংস্থা বা ব্যক্তি নানাভাবে সহায়তা করে থাকেন, তাদের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সুবিধা দেয়া হয়৷ বেআইনি উপায়ে কাজ পাইয়ে দেয়া থেকে শুরু করে নানাভাবে সহায়তা করা হয়৷ অন্যদিকে, যেসব সংস্থা সহায়তা করে না, তাদের ক্ষেত্রে চলে যে-কোনো উপায়ে দেউলিয়া বানানোর প্রক্রিয়া৷

বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ

আদালত স্বাধীন থাকলে স্বৈরাচারী শাসকদের নানা সময়ে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়৷ ফলে শুরু থেকেই স্বৈরাচারী শাসকরা সুপ্রিম কোর্টকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করেন৷ অনুগত বিচারক নিয়োগ দেয়া, বিরোধীদের ছাঁটাই করা থেকে শুরু করে, নানাভাবে চেষ্টা চলে এ নিয়ন্ত্রণের৷

একপাক্ষিক আইন প্রয়োগ

স্বৈরাচারী শাসকদের শাসনামলে ‘আইন সবার জন্য সমান’ বাক্যটি থাকে শুধু কাগজে-কলমে৷ বাস্তবে প্রতিপক্ষকে দমনের জন্য পাস করা হয় নতুন নতুন আইন৷ বিরোধীদের নানা উছিলায় গ্রেপ্তার নির্যাতন করা হলেও, নিজের সমর্থকদের রাখা হয় আইনের আওতার বাইরে৷

‘জুজুর ভয়’ দেখানো

বিরোধীরা ক্ষমতায় এলে ভয়াবহ অবস্থা হবে, দেশ রসাতলে যাবে, বিরোধীরা কত খারাপ, ক্রমাগত সে প্রচার চালানো হয়৷ এর ফলে এমন অবস্থা তৈরির চেষ্টা হয় যাতে জনগণের মনে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে একটা নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করা যায়৷

দৃষ্টি সরাতে ভীতি সৃষ্টি

ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন ধরনের ভীতি তৈরি করে থাকেন স্বৈরাচারী শাসকরা৷ অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, গণতন্ত্রহীনতা ও দুঃখ-দুর্দশা থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে রাখতে কোথাও জঙ্গি সংকট, কোথাও মাদকবিরোধী যুদ্ধ, কোথাও অন্য দেশের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়৷

নির্বাচনে কারচুপি

আগে জোর করে ক্ষমতায় থাকার উদাহরণ থাকলেও, এখন স্বৈরাচারী শাসকরাও নিয়মিত বিরতিতে নির্বাচন দিয়ে থাকেন৷ ‘গণতন্ত্র আছে’ জনগণ ও আন্তর্জাতিক মহলে এমন ধারণা দেয়ার জন্য তারা নির্বাচন দেন৷ কিন্তু সে নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের আয়োজন আগে থেকেই করা থাকে৷

লেখক: অনুপম দেব কানুনজ্ঞ

source: https://p.dw.com/p/3oxvX

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই Tagged With: নাঈমুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ

আইনের ধারা মনে রাখার সহজ উপায়

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

একজন সাধারণ ব্যক্তি এবং একজন আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তির মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল একজন সাধারণ ব্যক্তি জানেন কোনটা অপরাধ আর কোনটা অপরাধ নয় কিন্তু আইন বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি একই বিষয় জানার সাথে জানেন কোন আইনের কত ধারায় সেই বিষয়ে বলা আছে। কোন আইনের কোন ধারা জানেন বলেই তিনি অভিজ্ঞ। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩ হাজারের বেশি আইন রয়েছে। সব আইনের সব ধারা মনে রাখা দুঃসাধ্য ব্যাপার তবে আইনকে পেশা হিসেবে নিলে অন্তত কোন কোন আইনে কি রয়েছে সেটা মনে রাখতে হবে।

ধাপ ১) সবার প্রথমে মনকে ঠিক করতে হবে যে আপনি ধারা মনে রাখতে চান এবং মনের মধ্যে এই আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

ধাপ ২) প্রথমে আপনি মুখস্থ করার চেষ্টা করবেন মোট কয়টি ধারা আছে , কয়টি অধ্যায় বিভক্ত এবং কি ? যেমন, দণ্ডবিধি ১৮৬০ এ মোট ধারা রয়েছে ৫১১ টি এবং অধ্যায় রয়েছে ২৩ টি।

ধাপ ৩) এরপর উক্ত আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারা গুলো নির্বাচন করতে হবে।

যেমন দণ্ডবিধির গুরুত্বপূর্ণ ধারা:

  • মৃত্যুদণ্ডের ধারাগুলো: ১২১, ১৩২, ১৯৪, ৩০২, ৩০৩, ৩০৫, ৩০৭(২), ৩৯৬
  • যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ধারা গুলো:
    ১২১, ১২১ক, ১২২, ১২৪ক, ১২৫, ১২৮, ১৩০, ১৩২, ১৯৪, ১৯৫, ২২৫, ২২৫ক, ২২৬, ২৩২, ২৩৩, ২৫৫, ৩০২, ৩০৪, ৩০৫, ৩০৭, ৩১১-৩১৫ , ৩২৬, ৩২৯, ৩৬৪, ৩৭১, ৩৭৬, ৩৭৭, ৩৮৮, ৩৮৯, ৩৯৪, ৩৯৬, ৪০০, ৪০৯, ৪১২, ৪১৩, ৪৩৬, ৪৩৭, ৪৪৯, ৪৫৯, ৪৬০, ৪৬৭, ৪৭২, ৪৭৪, ৪৭৫, ৪৭৭
  • সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ধারাগুলো : ১২৬, ১২৭, ১৬৯
  • শুধুমাত্র জরিমানা দণ্ড : ১৩৭, ১৫৪-১৫৬, ১৭৬, ২৯৪ক, ১৭১, ২৭৮, ২৬৩ক, ২৮৩, ২৯০, ১২৩-১২৮, ১৩০, ১৩৪, ৩৮০, ৪৫৭।
  • দণ্ডবিধির প্রথম শাস্তির ধারা ১০৯ এবং সর্বশেষ শাস্তির ধারা ৫১১।
  • সবচেয়ে কম শাস্তির ধারা ৫১০ এবং সর্বোচ্চ ৩০৩

এভাবে আপনার নিজের মত করে সাজিয়ে নিবেন।

ধাপ ৪) যেকোনো বিষয়ের শুরুর ধারা এবং শেষ ধারা। তাহলে যেকোনো মাথায় একটি কাঠামো তৈরি হবে উক্ত বিষয় সম্পর্কে। গুরুত্বপূর্ণ ধারার মাঝে যে সকল ধারা রয়েছে সেটা সম্পর্কে একটা ধারণা নিতে হবে ।

  • যেমন চুরি বিষয়ে শুরুর ধারা ৩৭৮ এবং শেষ ধারা ৩৮২।

ধাপ ৫) নিয়মিত অনুশীলন করতে হবে। প্রতিদিন করলে খুব ভাল, না হলে সপ্তাহে অন্তত একবার পড়তে হবে। তাও সম্ভব না হলে অন্তত গুরুত্বপূর্ণ ধারা গুলো নিয়মিত পড়তে হবে।

আইন নিয়ে কিছু করতে হলে যেমন আপনি বিচারক বা আইনজীবী হলে আপনাকে ধারা মনে রাখতেই হবে। আর এই পেশায় পড়াশুনার কোন বিকল্প নাই। আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত আইনজীবীগণ এখনো নিয়মিত পড়াশুনা করেন।

আশাকরি বিষয়টি সকলে বুঝেছেন। আপনি যদি উপরোক্ত ৫ ধাপ মেনে চলেন তবে আপনি অবশ্যই ধারা মনে রাখতে পারবেন। সব সময় মূল আইন পড়ুন এবং গাইড বা নোট বইকে সহায়ক বই হিসাবে ব্যবহার করুণ।

লেখক: নুরে আলম
শিক্ষানবিশ আইনজীবী ঢাকা জজ কোর্ট

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত Tagged With: আইনের ধারা, জরিমানা দণ্ড, বিচারক বা আইনজীবী

  • « Previous Page
  • 1
  • …
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • …
  • 35
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:15 AM
    সূর্যোদয়5:24 AM
    জোহর12:05 PM
    আসর4:44 PM
    মাগরিব6:46 PM
    ইশা7:55 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট
  • বিয়ে রেজিস্ট্রেশন কি বাধ্যতামূলক? ইসলাম কী বলে?
  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

উপদ‌েশ প্রচুর, সহয‌োগিতা শূন্য।

ধার্মিক মহিলা বিয়ে করার নির্দেশ আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নারীদেরকে (সাধারণত) চারটি বিষয় দেখে বিয়ে করা হয়। তার ধন-সম্পদ, বংশমর্যাদা, তার রূপসৌন্দর্য এবং তার দ্বীনদারী। তবে তুমি দ্বীনদার নারী বিয়ে করো। অন্যথায় তুমি লাঞ্ছিত হবে। সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২০৪৭ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস নারী হচ্ছে এমন জাতি যারা বুদ্ধিমান লোককে মুহুর্তে বোকা লোকে পরিণত করতে সক্ষম। খেয়াল […]

Copyright © 2026