বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

বিয়ে ও ভুল ডিসিশন

মে ২৭, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

বিয়ে লাইফের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়, এক্ষেত্রে ভুল একটা ডিসিশনের কারণে এপার, ওপার দু’পারেই ভুলের মাশুল গুণতে হতে পারে।

তাই, বাবা-মায়ের চাপে পড়ে কিংবা নিজের সাময়িক ভালোলাগা আর আবেগের বশে নন-প্র্যাকটিসিং কাউকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন না। লাইফ আপনার, আপনাকেই সংসার করতে হবে, সাফার করলেও আপনাকেই করতে হবে। তাই একটু বুঝশুনে, ধীরে সুস্থে সিদ্ধান্ত নিন।

যদি কারো ফ্যামিলি মেম্বার্স বা ঘটক কোনো পাত্র/পাত্রীর সন্ধান দেয় এবং বলে ‘অমুক পাত্র/পাত্রী’ খুব দ্বীনদার সেক্ষেত্রে অন্যের কথায় অন্ধবিশ্বাস না করে নিজেই পাত্র/পাত্রীর দ্বীনদারিতা যাচাই করে দেখবেন।

আর, নিজ এক্সপেক্টেশান অনুযায়ী কাউকে খুঁজে পেতে দেরী হলে সবর করবেন, দুয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেবেন এবং হতাশ না হয়ে বরং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে নিজ সিদ্ধান্তের ওপর অটল থাকবেন। নিশ্চয়ই যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহ্-ই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।

উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের জন্য বেশিবেশি করে নিম্নোক্ত দুয়াটি পড়বেন-

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

– হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষুশীতল করবে এবং আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন। [সূরা আল ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত।]

নিজে প্র্যাকটিসিং হয়ে নন প্র্যাকটিসিং কাউকে বিয়ে করা আর জেনেশুনে আগুনে ঝাঁপ দেয়া একই কথা!

নিজে প্র্যাকটিসিং হলে বিয়ের জন্য অবশ্যই অবশ্যই প্র্যাকটিসিং পাত্র/পাত্রী খুঁজবেন, ফ্যামিলিকেও জানিয়ে দেবেন যে প্র্যাকটিসিং কাউকে ছাড়া বিয়ে করবেন না!

অধিকাংশ প্র্যাকটিসিং পাত্র/পাত্রীর ফ্যামিলি থেকে তাদেরকে বলা হয় যে, ‘বিয়ের পর হাসবেন্ড/ওয়াইফকে দ্বীনদার বানিয়ে নিও’! এই পরামর্শ শুনে তখন অনেকেই ভুল করে বসে, নন প্র্যাকটিসিং কাউকে বিয়ে করে ফেলে আর পরবর্তীতে তাদের পরিণতি খুব একটা ভালো হয় না।

কারোর পরামর্শে নন প্র্যাকটিসিং কাউকে কখনো এই ভেবে বিয়ে করবেন না যে, বিয়ের পর আপনি তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে দ্বীনের পথে নিয়ে আসবেন,তাকে খুব দ্বীনদার বানিয়ে ফেলবেন। যদি এরকম ভেবে থাকেন তবে সেটা হবে খুব বড় রকমের বোকামি! যে মানুষটা বুঝজ্ঞান পাবার পর থেকেই আল্লাহর অবাধ্য, সে বিয়ের পর আপনার কথাতে বদলে যাবে, জাহিল লাইফ থেকে বের হয়ে দ্বীনের পথে চলে আসবে তার গ্যারান্টি কী?!

হ্যা, তবে আল্লাহ্‌ চাইলে সে আপনার সংস্পর্শে এসে বদলাতে পারে কিন্তু রিস্ক নেয়া কতোটা যৌক্তিক?!

যদি আল্লাহ্‌ আপনার স্পাউসকে হিদায়াত না দেন তখন কী হবে?! তখন তো চলতে ফিরতে দুজনের মধ্যে প্রতিদিন মতানৈক্য দেখা দেবে, ভুল বোঝাবুঝি হবে, ঝগড়া হবে!

কাউকে বদলাবার ক্ষমতা আমার বা আপনার নেই! অন্তর পরিবর্তনের মালিক একমাত্র আল্লাহ্‌! আল্লাহ্‌ না চাইলে হাজার চেষ্টা করেও আপনি আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, দাওয়াহ দিয়ে দ্বীনের পথে আনতে পারবেন না!

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার Tagged With: উত্তম জীবনসঙ্গী, ঘটক, জীবনসঙ্গী, ঝগড়া, দ্বীনদার, দ্বীনদারিতা, নন প্র‍্যাকটিসিং, প্র‍্যাকটিসিং, বিয়ে, ভুল বোঝাবুঝি, ভুলের মাশুল, সন্তান, স্ত্রী

কামনা

মে ২৩, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

প্রাচুর্যের লালসা মানুষকে আখিরাত বিমুখ করে রেখেছে, অথচ তাকে অবশ্যই সব কিছু ছেড়ে পরপারে পাড়ি জমাতে হবে, অতঃপর তাকে দেওয়া সকল নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।

অথচ আমরা সে বিষয়ে কতটা গাফেল।

জীবনে প্রতিটি মুহূর্তে এমনকি মুমূর্ষু অবস্থাতেও দুনিয়ার প্রতি এ লালসায় পড়ে আছি আমরা।
এই প্রাচুর্য ধন-সম্পদ কতটুকুই বা কাজে আসবে সে-ই অনন্তকালের জীবনে কখনো কি ভেবেছি?

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন : মৃত ব্যক্তির সাথে তিনটি জিনিস যায়, তার মধ্যে দু’টি ফিরে আসে, শুধু একটি সাথে থেকে যায়।

যে দু’টি জিনিস ফিরে আসে: আত্মীয়-স্বজন ও ধন-সম্পদ।
একটি জিনিস সাথে যায় তা হলো: আমল।
(সহীহ বুখারী হা. ৬৫১৪)

যে আমল হবে আমাদের একমাত্র সাথী সেই আমলের বেলায় আমরা কতো উদাসীন। আর দুনিয়ার ধন-সম্পদের পিছনে কত মরিয়া হয়ে ছুটছি আমরা। দুনিয়ার মহো এই লালসা এখানেই কি শেষ? মহান রবের সামনে দাড়াতে হবে না?

আমরা কেমন জানি গতানুগতিক চলাচল করি।

আল্লাহ তা’আলা কেন আমাদের মানুষ হিসাবে সৃষ্টি করলেন কেনই বা আমরা মানুষ হয়ে জন্মেছি।
কি তার উদ্দেশ্য? ভেবেছি কখনো?

আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

আর জিন ও মানুষকে কেবল এজন্যই সৃষ্টি করেছি যে তারা আমার ইবাদাত করবে। (আয-যারিয়াত-৫৬)
তারা একমাত্র আমারই ইবাদত করবে’ এটাই হলো মানব ও জিন জাতি সৃষ্টির একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) এ আয়াতের তাফসীরে বলেন :

অর্থাৎ আল্লাহ তা‘আলা তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করার জন্য জিন ও মানব জাতি সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং প্রত্যেক মানুষ ও জিন একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার ইবাদত করবে, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না এটাই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। তবে মনে রাখতে হবে ইবাদত শুধু সালাত, সিয়াম, হাজ্জ ও যাকাতের মাঝে সীমাবদ্ধ নয় বরং ইবাদত একটি ব্যাপক নাম। প্রত্যেক কথা ও কাজ তা বাহ্যিক হোক আর আভ্যন্তরীন হোক যা আল্লাহ তা‘আলা ভালবাসেন তাই ইবাদত।

প্রিয় ভাই নিজেদেরকে নিয়ে একটু চিন্তিত হোন নিজেদের আমলের বিষয়ে মনোযোগী হোন।

কি করছি কিভাবে নিজেদের সময় গুলো ব্যয় করছি? আল্লাহ তা’আলার কাছে কি বা জবাব দিবো একটু ত ভাবুন।
বিনিময়ে আল্লাহ তা’আলা আমার আপনার জন্য যা রেখেছেন।

আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘মহান আল্লাহ বলেছেন, আমি আমার নেককার বান্দাদের জন্য এমন জিনিস তৈরি করে রেখেছি, যা কোন চক্ষু দেখেনি, কোন কান শুনেনি এবং যার সম্পর্কে কোন মানুষের মনে ধারণাও জন্মেনি। [সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩২৪৪]

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: অফার, ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Tagged With: আখিরাত, ইবাদাত, কামনা, দুনিয়া, ধন-সম্পদ, মানব ও জিন, লালসা

সংসার-সংসারী বিবাহিত জীবন চাওয়া-পাওয়া।

মে ১৫, ২০২১ by Shahana Akhter Leave a Comment (Edit)

সন্তান-সন্ততি, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, বিরহ, ভালোবাসা ইত্যাদি নিয়েই সংসার।

অবশ্যই পুরুষ কিংবা নারী উভয়কে সংসার করতে এসে স্যাক্রিফাইস করতে হয়। শুধু নিজের সাক্রিফাইসিকে বড় করে দেখা চরম স্বার্থপরতা। “কি দিলাম আর কি পেলাম” এই হিসাব কষে সংসারে সুখী হওয়া যায় না।

এখন প্রশ্ন, “সংসারী তো অনেকেই হয়। কিন্তু সুখী হয় কয়জনে? যারা সুখী হয় না, তারা কেন সুখী হয় না?”

সংসারী জুটির মধ্যে কঠিন এবং জটিল বিষয় হল – দুজনই সমমনা কিনা। দুইজনের বিশ্বাস, নীতি-আদর্শ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচি-অরুচি একই কিনা। সব কিছু গল্প-উপন্যাস, নাটক-সিনেমার মত মিলানো সম্ভব না। তবে বিশ্বাস, আদর্শের মৌলিক বিষয়গুলোতে মিল থাকা জরুরি।

স্বামী স্ত্রী দুজনেই বা একজন চরিত্রহীন। স্বামী নিজের স্ত্রীতে সন্তুষ্ট নয় পক্ষান্তরে স্ত্রী স্বীয় স্বামী নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। দুজনেই পরস্ত্রী বা পরস্বামীতে আসক্ত। এই ধরনের সংসারে শান্তির বসবাস সম্ভব নয়।

স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বা একজন ঝগড়াটে। সামান্য অজুহাতে চড়াও হয়, ক্ষেপে যায়। একে ওপরের প্রতি নেই সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ। একজন আরেকজনের সুখে সুখী, দুঃখে দুঃখী হওয়ার মত গুণ নেই। নেই পরস্পরের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসা। সুখ সেই সংসার থেকে অনেক দূরে। এই ধরনের সংসারে কোনো দিন সুখ হয় না। শান্তি থাকে না।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘বিবাহিত জীবনে স্বামী স্ত্রীর প্রেম ভালোবাসা অবিবাহিত জীবনের ভালোবাসার চেয়ে ও অনেক দামী এবং খাঁটি।”

পারিবারিক জীবনে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই যখন ভালো চরিত্র সম্পন্ন এবং আদর্শময় সৎ জীবন-যাপন করেন তখন তাদের সংসার হবে আদর্শ সংসার। তাদের জীবনে আসে সুখ আর সুখ। তাদের পরিবারে আসবে সদাচারী সন্তান। তাদের বুক গর্বে ভরিয়ে দেবে।

Related Images:

Shahana Akhter
Shahana Akhter
www.bn.bdtopten.com/author/shahanaa/

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার

৭০ টি কবিরা গুনাহ কি কি! জেনে রাখা ভালো।

মে ১৫, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

১. শিরক করা ৷
২. মানুষ হত্যা করা ৷
৩. জাদুটোনা করা ৷
৪. নামাজে অবহেলা করা ৷
৫. যাকাত না দেয়া ৷
৬. বিনা ওজরে রমজানের রোযা ভঙ্গ করা৷
৭. সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ্ব না করা ৷
৮. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া ৷
৯. রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা ছিন্ন করা ৷
১০. যিনা-ব্যভিচার করা ৷
১১. লাওয়াতাত বা সমকামিতা করা ৷
১২. সুদের আদান-প্রদান ৷
১৩. ইয়াতিমের মাল আত্মসাৎ করা এবং তাদের ওপর জুলুম করা৷
১৪. আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি মিথ্যারোপ করা৷
১৫. ধর্মযুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন৷
১৬. শাসক কর্তৃক জনগণের ওপর জুলুম৷
১৭. গর্ব-অহংকার৷
১৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া৷
১৯. মদ্যপান৷
২০. জুয়া খেলা৷
২১. সতী-সাধ্বী নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া৷
২২. গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা৷
২৩. চুরি করা৷
২৪. ডাকাতি করা৷
২৫. মিথ্যা শপথ করা ও আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করা৷
২৬. জুলুম বা অত্যাচার করা৷
২৭. জোর পূর্বক চাঁদা আদায় করা৷
২৮. হারাম খাওয়া ও যেকোন হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও ভোগদখল করা৷
২৯. আত্মহত্যা করা৷
৩০. কথায় কথায় মিথ্যা বলা৷
৩১. বিচারকার্যে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়া৷
৩২. ঘুষ খাওয়া৷
৩৩. পোশাক-পরিচ্ছদে নারী-পুরুষের সাদৃশ্যপূর্ণ বেশভূষা৷
৩৪. নিজ পরিবারের মধ্যে অশ্লীলতা ও পাপাচারের প্রশ্রয়দান৷
৩৫. তালাকপ্রাপ্তা মহিলাকে চুক্তিভিত্তিক হিলা বিয়ে করা৷
৩৬. প্রস্রাব থেকে পবিত্র না থাকা৷
৩৭. রিয়া বা লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে সৎ কাজ করা৷
৩৮. দুনিয়াবী উদ্দেশ্যে ইলম বা জ্ঞান অর্জন করা এবং সত্য গোপন করা৷
৩৯. আমানতের খেয়ানত বা বিশ্বাস ঘাতকতা৷
৪০. দান-খয়রাতের খোটা দেয়া৷
৪১. তকদিরকে অবিশ্বাস করা৷
৪২. কান পেতে অন্য লোকের গোপন কথা শোনা৷
৪৩. চোগলখুরি করা৷
৪৪. বিনা অপরাধে কোন মুসলমানকে অভিশাপ ও গালি দেয়া৷
৪৫. ওয়াদা খেলাফ করা৷
৪৬. গণকের কথায় বিশ্বাস করা৷
৪৭. স্বামীর অবাধ্য হওয়া৷
৪৮. প্রাণীর প্রতিকৃতি আঁকা৷
৪৯. বিপদে উচ্চঃস্বরে বিলাপ করা৷
৫০. বিদ্রোহ, দম্ভ ও অহংকার প্রকাশ৷
৫১. দাস-দাসী দুর্বল শ্রেণীর মানুষ এবং জীবজন্তুর সাথে নিষ্ঠুর আচরণ করা৷
৫২. প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়া৷
৫৩. মুসলমানদের কষ্ট ও গালি দেয়া৷
৫৪. আল্লাহর বান্দাদের কষ্ট দেয়া৷
৫৫. অহংকার ও গৌরব প্রকাশে টাখনুর নিচে পোশাক পরা৷
৫৬. পুরুষের স্বর্ণ ও রেশমী কাপড় পরিধান করা৷
৫৭. মনিবের কাছ থেকে গোলামের পলায়ন বা বৈধ কর্তৃপক্ষকে অস্বীকার করা৷
৫৮. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে পশু- পাখি যবেহ করা৷
৫৯. যে পিতা নয়, তাকে জেনে-
শুনে পিতা বলে পরিচয় দেয়া৷
৬০. ঝগড়া ও বাদানুবাদ করা৷
৬১. প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অন্যকে না দেয়া৷
৬২. মাপে এবং ওজনে কম দেয়া৷
৬৩. আল্লাহর আজাব ও গজব সম্পর্কে উদাসীন হওয়া৷
৬৪. আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হওয়া৷
৬৫. বিনা ওজরে জামায়াত ত্যাগ করা এবং একাকী নামাজ পড়া৷
৬৬. ওজর ছাড়া জুমআ এবং জামায়াত ত্যাগ করার ওপর অটল থাকা৷
৬৭. উত্তরাধিকারীদের মধ্যে শরীয়ত বিরোধী ওসিয়ত করা৷
৬৮. ধোঁকাবাজি, ছলচাতুরি, প্রতারণা করে মানুষ ঠকান৷
৬৯. মুসলমানদের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে গোয়েন্দাগিরি করা এবং তাদের গোপনীয় বিষয় অন্যদের কাছে প্রকাশ করে দেয়া৷
৭০. রাসূলের সাহাবাদের কাউকে গালি দেয়া৷

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিশু সুরক্ষা

ভদ্র ছেলের গুণাবলি – ছেলে চেনার উপায়

মে ১৫, ২০২১ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

মেয়েরা বর বা প্রেমিক নির্বাচনে বরাবরই ভুল করে। যার দরুন তারা সংসারে অশান্তি এবং রিলেশনে কষ্ট ভোগ করে থাকে । আগেই বলেছি অতিরিক্ত স্মার্টনেস ছেলেদের ভদ্রতার বঃহি প্রকাশ না । যদি সংসারে সুখী হতে চান তবে ভদ্র ছেলে দেখে বিয়ে করুন স্মার্ট দেখে নয়।

১] আপনি ভাবছেন খুব বেশী স্মার্ট হলে ছেলেটি ভদ্র? অবশ্যই না। স্মার্টনেস ছেলেটির ভদ্রতা প্রকাশ করে না। মাথায় জেল দিয়ে হাতে বেসলেট পড়ে তারা অতিরিক্ত ভাব নেয় না। ভদ্র ছেলেরা সাধারণত স্বাভাবিক থাকতে পছন্দ করে । অতিরিক্ত বাহুল্যতা এরা মোটেও পছন্দ করে না।

২] এরা কথাবার্তায় মার্জিত। উঁচু বাক্যে বা রাগান্বিত হয়ে কারো সাথে কথা বলবে না তবে একবার কোন কারণে রেগে গেলা সেটা তাদের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ কষ্ট হয়ে পড়ে।

৩] ভদ্র ছেলেরা খোদা ভীরু হয় । দুনিয়ার সম্পদে তাদের আসক্তি কম । অন্য জনের সম্পদ তাদের কষ্টের কারণ হয় না এবং তাদের চাহিদা খুব সিমিত ।

৪] ভদ্র ছেলেরা সাধারণত সিগারেট খায় না আর যদিও খায় তবে যত সামান্য, সেটাকে কখনোই তারা নেশা হিসাবে নেয় না । আর নেশা জাতীয় দ্রব্য এরা ছুঁয়েও দেখবে না ।

৫] লোভ হিংসা গিবত থেকে এরা মুক্ত । একজনের গোপন কথা এরা পেটে বোমা মারলেও প্রকাশ করবে না । এরা অবশ্যই বিশ্বাসী ।

৬] সাহিত্য বা আর্ট এর প্রতি এদের ঝোঁক থাকে । বই পড়া বা আঁকি ঝুকি করা এদের প্রিয় সখ গুলোর একটি । অনেক সময় কবিতা লিখে বা আত্ম কথা ডাইরিতে লিখে রাখতে ভালোবাসে ।

৭ ] ভদ্র ছেলেরা সাধারণত নিজেকে বড় মনে করে না এবং ক্ষমাশীল হয় । শত অন্যায় করার পরেও এরা মানুষ কে ক্ষমা করে দেয় কিন্তু মানুষ তাদের সাথে বরাবর বিশ্বাস ঘাতকতা করে

৮] ভদ্র ছেলেরা অতিরিক্ত আড্ডা, রাত করে বাসার ফেরা এরা মোটেও পছন্দ করে না । অনেকটা আত্মকেদ্রিক , ঘর কুনো এবং মা ভক্ত হয় ।

৯] চলাফেরা স্বাভাবিক । হেলে দুলে হাত নাচিয়ে তারা হাটবে না । সুন্দরী মেয়ে দেখলেও এরা নেশাতুর ভাবে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকবে না । মেয়েদের প্রতি সম্মান এদের আলাদা ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে এবং অশ্লীলতা থেকে তারা সবসময় দূরে থাকে ।

১০] ফেসবুক টুইটারে এরা সেলফি আসক্ত নয় । আত্মকেন্দ্রিক হওয়ায় এদের বাস্তবে এবং ভার্চুয়ালে বন্ধুর সংখ্যা সিমিত । এরা আর যাই করুক কখনোই মেসেজ মেয়েদের সাথে লতুপুতু করবে না ।

১১] মেয়েদের সাথে কথা বলতে এরা ভয় পায় । যেচে এরা মায়েদের কখনোই কথা বলে না । তবে একবার মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেলে সেই বন্ধুত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করে ।

১২] ভালোবাসার ক্ষেত্রে সেই একই কথা প্রযোজ্য । এরা প্রতিজ্ঞায় বিশ্বাসী এবং মূল্যবোধ সম্পূর্ণ । তবে এরা ফিউচার নিয়ে ভাবে, ভালোবাসার ক্ষেত্রে তারা তেমন আগ্রহী না কিন্তু কখনো যদি ভালোবেসে কষ্ট পায় সেই কষ্ট তারা সারাজীবন একা একা বয়ে বেড়াবে ।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সুখি পরিবার

  • « Previous Page
  • 1
  • …
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • …
  • 19
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:14 AM
    সূর্যোদয়5:23 AM
    জোহর12:05 PM
    আসর4:44 PM
    মাগরিব6:46 PM
    ইশা7:56 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!
  • পাপের নগদ শাস্তি
  • যে ভালোবাসে তাকেই পাশে রাখ।

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

নবাবজাদা বনাম হারামজাদা

“….ইতালির ঘটনার জের টেনে আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসীদের সম্পর্কে ঢালাওভাবে একটি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বিদেশ থেকে ফিরে প্রবাসীরা ‘নবাবজাদা’ হয়ে যান। তাঁর মন্তব্যে অনেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাঁদের মূল বক্তব্য হচ্ছে প্রবাসীরা ‘নবাবজাদা’ই, তাঁরা নবাবজাদার মতো ব্যবহার পাওয়ার যোগ্য। আমি নিজে লিখেছি নবাবজাদা হওয়া হারামজাদা হওয়ার চেয়ে অনেক ভালো। প্রবাসীরা বিদেশে কষ্ট করে টাকা পাঠিয়ে দেশটাকে টিকিয়ে রেখেছেন। আর হারামজাদারা দেশ থেকে টাকা […]

Copyright © 2026