বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

স্ত্রীর মন জয় করা কত্ত সহজ !

মে ৯, ২০২১ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

♥_♥___স্ত্রীর মন জয় করে সুখময় দাম্পত্য গড়ার কিছু উপায় ___♥__♥

১. বাহির থেকে ঘরে ফেরার সময় স্ত্রীর জন্য তার পছন্দের খাবার নিয়ে আসুন। চটপটি ফুচকা চিপস আচার আইসক্রিম বা এ জাতীয় কিছু!

২. মাসে অন্তত একদিন স্ত্রীকে গিফট করুন! ফুল। বই। চুড়ি। কিংবা বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী। মেয়েরা সাধারণত গিফট পেতে পছন্দ করে। আর তা যদি হয় সবচেয়ে পছন্দের মানুষটির তরফ থেকে, তাহলে তো কথাই নেই!

৩. পর্দা রক্ষার পরিবেশ থাকলে ছুটির দিনগুলোতে স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে যান। রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যান। সুযোগ হলে স্ত্রীকে নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতার সুন্নাতটুকুও আদায় করে নিন!

৪. হেল্প করুন। স্ত্রীকে মাঝেমধ্যে রান্নার টুকিটাকি কাজে হেল্প করুন। রান্নার ফাঁকে যখন প্রিয় মানুষটা ঘেমে উঠবে, একটু কাছে গিয়ে তার কপালের ঘামটা মুছে দিন। আদরে বলুন– তুমি একটু রেস্ট নাও বাকিটা আমি দেখছি।

৪. স্ত্রীর চুল আঁচড়ে দিন। বেণী বেঁধে দিন। চুল আঁচড়ানোয় মেয়েরা একটু সময় নিতে পছন্দ করে। গল্প করতে ভালোবাসে। আপনিই হোন তার সঙ্গী। খোশগল্প করার এটা কিন্তু সুবর্ণ সুযোগও বটে!

৫. মাঝেমধ্যে আপনিও স্ত্রীর কাপড় চোপড় ধুয়ে দিন। মাথাব্যথা না হলেও তার মাথাটা টিপে দিন। নাকটাও টিপে দিতে পারেন! হাহাহা…

৬. সবসময় একসাথে খাবার গ্রহণ করুন। সম্ভব হলে এক প্লেটেই খাবার খান। এতে আরও ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়। স্ত্রীর মুখে লোকমা তুলে দিন। আপনাকে খাইয়ে দেবার সময় প্রিয়তমার আঙুলে মৃদু কামড় দিতে ভুলবেন না আবার!

৭. বাইরে বের হবার আগে কিংবা মসজিদে নামাজে যাবার আগে স্ত্রীকে আদর করে বের হোন। তার কপালে ভালবাসার চিহ্ন এঁকে দিন। আল্লাহর হাওয়ালা করে রেখে যান।

৮. সপ্তাহের শুক্রবারে স্ত্রীর কাজগুলো আপনি করুন। রান্না, ঘরমোছা ইত্যাদি। স্ত্রী তো আপনার সাথেই থাকবে। ভয় কীসের! আর দেখবেন কাজগুলো সে নিজেই করে নেবে! বলবে– আমার প্রিয়তম স্বামীটা হাঁপিয়ে উঠেছে রে। তার এখন বিশ্রাম দরকার। স্ত্রীর এই হাসিমুখটাই তো আপনার জান্নাত!

৯. স্ত্রীকে নিয়ে জ্যোৎস্না উপভোগ করুন। ছাদে-ব্যালকনিতে বসে এক কাপ চা বা কফির পেয়ালায় চুমুক দিয়ে তুমুল গল্প করুন! স্ত্রীকে ‘গান’ শোনান, তার থেকেও শুনুন!

১০. সামান্য থেকে সামান্য কাজেরও প্রশংসা করুন। মনে রাখবেন সবাই প্রশংসা শুনতে ভালোবাসে। আর মেয়েরা তাদের স্বামীদের থেকে প্রশংসা পাওয়াটাকে অধিকারই মনে করে! খেতে বসে একটু বাজে হলেও রান্নার দোষ ধরবেন না। স্ত্রীই তো বুঝতে পারবে, আপনার বলার কী দরকার!

১১. স্ত্রীর সৌন্দর্যের প্রশংসা করুন। মাশাআল্লাহ তোমার বয়স তো দেখি অর্ধেক কমে গেছে, তোমাকে একদম হুরপরীর মতো লাগছে, তোমাকে নতুন বউ নতুন বউ মনে হচ্ছে। এ জাতীয় বাক্য দ্বারা। মাঝেমধ্যে তার প্রশংসায় কবিতা কিংবা দু’চার লাইনে অনুভূতি লিখে তাকে দেখাতে পারেন। খুউব খুশি হবে।

১২. তাহাজ্জুদের সময় স্ত্রীকে জাগিয়ে দিন। স্ত্রীকে শুনিয়ে মোনাজাতে আল্লাহকে বলুন– আল্লাহ! জীবনসঙ্গিনী হিসেবে তাকে পেয়ে আমি সন্তুষ্ট। তুমিও তার প্রতি সন্তুষ্ট থেকো। তার ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়ো। তাকে জান্নাতে আমার হুরদের সর্দারনী বানিয়ো। তার কোলে মাথা রেখে কোরআন তেলাওয়াত করুন। ইনশাআল্লাহ ভালোবাসার পাশাপাশি শ্রদ্ধাবোধটুকুও সুদৃঢ় হবে।

১৩. স্ত্রীকে। কখনোই গায়ে হাত তুলবেন না।। মনে রাখবেন, সে আপনার সন্তানের মা। আপনার সন্তানের বেহেশত তাঁর পদতলে! কীভাবে আপনি তার অসম্মান করেন!

১৪. কোনও মেয়ের আলোচনা বা প্রশংসা স্ত্রীর কাছে করবেন না। মনে রাখবেন, এরা বেশি জেদি। আবার সন্দেহপ্রবণও। স্বামীর ভালোবাসায় এরা কারো ভাগ সহ্য করতে পারে না। আপনি হয়তো সাদা দীলে অন্য মেয়ের প্রশংসা করলেন, কিন্তু আপনার স্ত্রী মনে মনে রহস্যের খুঁজে নেমে পড়বে…

১৫. অপছন্দনীয় কিছু দৃষ্টিগোচর হলে সরাসরি আলোচনা করবেন। কখনোই সন্দেহ মনে পুষে রাখবেন না। অবিশ্বাস করবেন না। সন্দেহ একটি মারাত্মক ব্যাধি। ভালোবাসা অনেকটাই কিন্তু বিশ্বাস-অবিশ্বাসের উপর নির্ভর করে!

♥♥♥♥♥

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার

পবিত্র কোরআনে অনেক বেশি ব্যবহৃত ১০০ টি শব্দ

মে ৮, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

১২৫ টি শব্দের অর্থ জানলে কুরআনের ৫৫% শব্দের অর্থ জানা হয়ে যায় আর ৩২০ টি জানলে জানা হয় ৭৫%!!! (সুবহানাল্লাহ)

1st day:

1.هَذَا[হাযা](this(male-এটা
2.هَـذِهِ -[হাযিহি]this(female এটা)
3.هَـؤُلآءِ -[হা-উলা-ই]these (এইসকল)
4.ذَلِكَ -[যালিকা]that(male যাহা, যে)
5.تِلْكَ -[তিলকা]that(female যাহা,যে)

2nd day :

6.أُولَئِكَ -[উলাইকা]those(যাহারা,সেগুলো)
7.اَلَّذِىْ -[আল্লাযি]who(male যে)
8.اَلَّتِىْ -[আল্লাতি]who (female)
9.اَلَّذِيْنَ -[আল্লাযিনা]those who(তোমরা যারা)
10.تَحْتَ -[তাহতা]under(তলদেশে,নিচে)

3rd day :

11.فَوْقَ -[ফাওক্বা]above(উপর)
12.قَبْلَ -[ক্ববলা](before -(সামনে,আগে
13.ﺑَﻌْدَ -[বা’দা]after(পরে,পরবর্তী কালে,)
14.بَيْنَ -[বাইনা]between(মধ্যবর্তী স্থানে)
15.دُونَ -[দুনা]besides(তুলনায়,পার্শ্বে)

4th day :

16.عِنْدَ -[‘ইন্দা]near (নিকটবর্তী, প্রায়)
17.يَمِيْنْ -[ইয়ামিন]right(ন্যায়,ঠিক,সত্য)
18.شِمَالْ -[শিমাল]left(বাদিকে)
19.ٱللَّه -Allah
20.رَب -রব

5th day :

21.أَرْض -[আরদ্বা](পৃথিবী (World
22.قَوْم -[ক্বওম]nation জাতি
23.ءَايَة -[আয়াহ]চিহ্ন /আায়াত
24.كُل -[কুল্লু]every (প্রত্যেক, সব)
25.رَسُول -[রসূল]messenger (দূত)

6th day :

26.يَوْم -[ইয়াওম] day (দিন)
27.عَذَاب – [‘আযাব] punishment (আজাব)
28.سَمَآء -[সামা’] sky(আকাশ)
29.شَىْء -[শাইই্] thing(জিনিস,ঘটনা,ব্যাপার)
30.كِتَاب -[কিতাব

7th day :

31.حَق -[হাক্ব] truth (সত্য)
32.نَاس – [নাস] people (সম্প্রদায়)
33.مِن – [মিন] from (হতে, থেকে)
34.فِى -[ফী] in (অভ্যন্তরে, মধ্যে)
35.عَلَى -[‘আলা] upon (সন্নিকটে)

8th day :

36.اِلَى -[ইলা] to (কাছে, প্রতি)
37.عَن -[‘আন] about (সম্পর্কিত,সম্পর্ক)
38.حَتَّی -[হাঁত্তা] until (যতক্ষণ না)
39.مَعَ -[মা’আ]with(একত্রে, সঙ্গে)
40.بِ -[বি]with(সাথে)

9th day:

41.كَ -[কা]like (মত,প্রায়)
42.لِ -[লি] for (জন্য)
43.مَن -[মান] who (যে)
44.مَا / مَاذَا -[মা যা] (what (কী, যাহা
45.أَيْنَ -[আইনা] where (যেথায়,কোথায়)

10 the day :

46.مَتى -[মাতা] when(কখন,তখন)
47.لِمَ / لِمَاذَا -[লিমা/লিমা যা] why(কেন,কী জন্য)
48.كَيْفَ -[কাইফা] how (কেমন,কিভাবে)
49.هَلْ -[হাল] are (হয়)
50.أَيُّ -[আইয়্যু] which (যেটি, যেগুলো)

11 the day :

51.كَمْ -[কামা] how much (কতোটুকু)
52.لَا -[লা] no(না)
53.مَا -[মা] not (মোটেই নয়)
54.لَمْ -[লাম] not (নয়)
55.لَنْ -[লান] never (কখনোও না)

12 th day :

56 .كَلَّا -[কুল্লা] nay (বস্তুত)
57.لَيْسَ -[লাইসা] it is not (মতো নয়)
58.بَلَى -[বালা] of course (নিশ্চয়ই)
59.نَعَمْ [নাআ’ম]-yes
60.مُؤْمِن -[মু’মিন] believer(বিশ্বাসী)

13 th day :

61.سَبِيل -[সাবিল] way (পথ,উপায়)
62.أَمْر -[আম্র]command (আজ্ঞা, নির্দেশ)
63.بَعْض -[বা’দ] some (কেহ,কিছু)
64.خَيْر -[খইর] better (উত্তম, শ্রেষ্ঠ)
65.إِلَٰه -ইলাহ

14 th day :

66.آخِر -[আখির] last ( শেষ)
67.جَنَّة -[জান্নাহ] বাগান
68.نَار -[নার] fire ( আগুন)
69.غَيْر -[গইর] without (ব্যতিরেকে,ব্যতীত)
70.قَلْب -[ক্বলব] heart ( অন্তর)

15th day :

71.عَبْد -[আব্দ]slave (গোলাম)
72.أَهْل -[আহল] family (দল,পরিবার)
73.يَد -[ইয়াদ] hand(আয়ত্তে,হাত)
74.قَالَ -[ক্বলা] he said (বলেছেন)
75.كَانَ [কানা] -he was

16th day :(verbal)

76.ءَامَنَ- [আমানা-he believed (তিনি বিশ্বাস করেছিলেন)
77.عَلِمَ -[আলিমা]he knew (তিনি জানতেন)
78.جَعَلَ -[জা’আলা]he made (তৈরী করেছেন)
79.كَفَرَ -[কাফার] he disbelieved (অবিশ্বাস করেছিলো)
80.جَآءَ [জাআ]-he came

17th day :

81.عَمِلَ -[আমিলা]he did (করেছিলেন)
82.آتَى -[আ—তা] he gave (তিনি দিয়েছেন/লেন)
83.رَءَا -[—রআ]he saw (তিনি দেখেছিলেন)
84.أَتَى -[আতা]he came (তিনি এসেছিলেন)
85.شَآءَ -[শা—আ] he wished (ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন)

18th day :

86.خَلَقَ -[খলাক্ব] he created (তিনি তৈরী করেছেন)
87.أَنزَلَ -[আংযালা]he sent down(তিনি প্রেরণ করলেন)
88.كَذَّبَ -[কাযযাবা] he denied (মিথ্যে বলা অর্থে ব্যবহৃতও হয়,অস্বীকার করা অর্থেও)
89.دَعَا -[দা’আা] he invoked (প্রার্থনা করা অর্থে)
90.ٱتَّقَى -[আত্তাক্বা] he feared (ভয়)

19th day :

91.هَدَى -[হাদা] he guided (পরিচালিত করলেন)
92.هُوَ -[হুয়া] he (তিনি,সে)
93.هُمَا -[হুমা] they both (উভয়েই)
94.هُمْ -[হুম] they (male -তারা)
95.هِيَ -[হিয়া] she (এটা স্ত্রীবাচক)(সে)

20 th day :

96.هُنَّ -[হুন্না] they (female তারা)
97.أَنْتَ -[আংতা] you (male,তুমি)
98.أَنْتُمَا -[আংতুমা] you both (তোমরা উভয়েই)
99.أَنَا -[আনা] I (আমি)
100.نَحْنُ -[নাহঁনু] we (আমরা)

উপরিউক্ত শব্দগুলোর সম্ভাব্য বাংলা অর্থ দেয়ার চেষ্টা করেছি,তবে বিভিন্ন আয়াতে শব্দগুলোর অর্থ ভিন্ন হতে পারে সে ব্যাপারে ইনশাআল্লাহ খেয়াল রাখবেন।

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত

কিছু সুন্নাহ যা আমরা হয়তো অনেকে ভুলেই গেছি!!

এপ্রিল ৩০, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

প্রিয় নবি মুহাম্মদ (সাঃ) এর এমন কিছু সুন্নাহ যা আমরা হয়তো অনেকে ভুলেই গেছি!!

  • ১। মাঝে মাঝে বৃষ্টিতে ভিজা।
    সহীহ মুসলিম- ৮৯৮
  • ২। বৃষ্টি আসলে দোয়া করা।
    সহীহ বুখারী- ১০৩২
  • ৩। রাতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে নির্জনে হাঁটা।
    বুখারী- ৫২১১
  • ৪। স্ত্রীর রান্না করা হালাল খাবারের দোষ না ধরা। খেতে মন না চাইলে চুপ থাকা।
    মুসলিম- ২০৬৪।
  • ৫। কোনো কিছু জানা না থাকলে স্বীকার করা যে, আমি জানি না।
    বায়হাকী- ১৭৫৯৫।
  • ৬। মাঝে মাঝে বিপদে আকাশের দিকে মাথা তোলা। আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো আল্লাহকে বলা।
    মুসলিম- ২৫৩১।
  • ৭। খুব খুশি হলে সিজদায় লুটিয়ে পড়া।
    মুখতাসার যাদুল মা’ আদ- ১/২৭
  • ৮। ধোঁয়া ওঠা গরম খাবার ঠান্ডা না হওয়া পর্যন্ত না খাওয়া।
    বায়হাকি-৪২৮।
  • ৯। নফল ও সুন্নাহ সালাতগুলো নিজের ঘরে পড়া।
    বুখারী- ৭৩১
  • ১০। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় এবং বাসা ফিরে দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
    মুসনাদে বাযযার- ৮৫৬৭।
  • ১১। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে জুতো না পরা। বিশেষ করে শো জুতা।
    আবু দাউদ- ৪১৩৫।
  • ১২। যতই ভালো খাবার হোক, ভরা পেটে না খাওয়া।
    তিরমিযী- ২৪৭৮।
  • ১৩। ফজরের সালাতের পর সালাতের স্থানে বসে তসবি পড়া। অতঃপর সূর্য উঠার পর দুই রাকাআত সালাত আদায় করা।
    আরশিফু মুলতাকা- ৪৫৬৯।
  • ১৪। দ্বীনের দাওয়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি ভাষা শিখা।
    মুসনাদে আহমাদ- ২১৬১৮।
  • ১৫। বাড়িতে অজু করে রুমাল দিয়ে হাতপা মুছে মসজিদে জামায়াতে যাওয়া।
    তাবরানী- ৬১৩৯।
  • ১৬। মানুষের মাঝে বিবাদ মিটিয়ে দেয়া।
    মুসনাদে আহমাদ- ২৭৫০৮।
  • ১৭। রাতে অজু অবস্থায় ঘুমানো।
    ফাতহুল বারি- ১১/১১০।
  • ১৮। মাঝে মাঝে খালি পায়ে হাঁটা।
    আবু দাউদ- ৪১৬০।

প্রিয় নবী (সাঃ) এর পুরো জীবন আমাদের জন্য অনুসরণীয়।

আমাদের ইহকাল ও পরকালের মুক্তির সিঁড়িগুলো হলো রাসূল (সাঃ) এর প্রতিটি সুন্নাহ।

আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা’য়ালা আমাদেরকে প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের পদাঙ্ক অনুসরণ করার তৌফিক দান করুক!

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম..

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত

প্রিয় নবী সা. এর চুল যেমন ছিল!

এপ্রিল ৮, ২০২১ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

?️
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আরব পুরুষদের রীতি ছিল লম্বা চুল রাখা। রাসুল নিজেও লম্বা চুল রাখতেন। তার চুল কখনো কানের মাঝামাঝি, কানের লতি কিংবা দুই কাঁধ পর্যন্ত লম্বা থাকতো। তার চুল কাঁধ ছাড়িয়ে আরো লম্বা হত বলে জানা যায়। [১]

?️
কখনো এতদূর অবধি লম্বা হত যে তা বিনুনি/গুচ্ছ করে রাখতেন। তার চাচাতো বোন উম্মে হানী রা. বলেন, “(মক্কা বিজয়ের সময়) রাসুলুল্লাহ সাঃ যখন মক্কায় আগমন করলেন তখন তার চুলে চারটি গুচ্ছ বা বিনুনি ছিল” [২]

?️
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যিম বলেন, “তার চুল যখন লম্বা হতো তখন তিনি তা চারটি গুচ্ছে বিভক্ত রাখতেন” [৩]
*আরবীতে চুল জড়িয়ে বা বিনুনি করাকে “গাদীরাহ” বলে। হাদীসে “আরবায়ু গাদায়ের” চারটি গুচ্ছ ভাষাটি ব্যাবহার হয়েছে।

?️
ইবনু হাজার আসকালানী বলেন, “অধিকাংশ সময়ে তার চুল এরূপ কাঁধের কাছাকাছি থাকত। কখনো তা আরো লম্বা হতো এবং ঝুলন্ত গুচ্ছে পরিনত হতো। তিনি সেগুলোকে বিনুনি বানিয়ে রাখতেন” তবে কাঁধ অবধি থাকা তার স্বাভাবিকতা ছিল।[৪]

?️
হজ্জ বা উমরা ব্যতীত তিনি কখনো মাথার চুল মুন্ডন করেছেন বলে জানা যায় না।[৫]
সেজন্যই এ নিয়ে মতভেদ আছে মুন্ডন করা যাবে কি যাবে না। কোনো কোনো ফকীহ হজ্জ উমরা ছাড়া মাথা মুন্ডন কে মাকরুহ বলেছেন। দু কারনে তাদের মতের পক্ষে এ প্রমান পেশ করেন। প্রথমত, রাসুলুল্লাহ সাঃ নিজে কখনোই হজ্জ উমরা ছাড়া মাথা মুন্ডন করেন নি। দ্বিতীয়ত – বিভিন্ন হাদীস থেকে মাথা মুন্ডন আপত্তিকর বলে জানা যায়। সাহাবীগন ছোট চুল রাখতেন। নেড়া পরিহার করতেন।

?️
জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “হজ্জে বা উমরা ছাড়া মাথার চুল ফেলা যাবে না” (দূর্বল সনদ)[৬]

*দূর্বল হলেও বেশ কয়েক সনদে হাদীসটি উল্লেখ আছে। (তবে হাদীসের বর্ননা সূত্রের কেউ মিথ্যায় অভিযুক্ত নন)। আবু নু’আইমের বর্ণনায় হাদিসটি হলো,
“হজ্জে বা উমরা ছাড়া মাথার চুল ফেলা যাবে না। এছাড়া তা সৃষ্টি বিকৃতি করা বলে গণ্য হবে।”[৭]

?️
অন্য হাদীসে জাবির রা বলেন, রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেন,
“যে ব্যক্তি (মাথার চুল) মুন্ডন করে, (পোশাক পরিচ্ছদ) ছিড়ে ফেলে বা চিৎকার করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। (সহীহ সনদ) [৮]

?️
দুবা’য়ি নামক এক নিকৃষ্ট অপরাধী ব্যক্তিকে হযরত উমার (রা) শাস্তি প্রদান করেন এবং বলেন,
“তোমাকে যদি মাথা মুন্ডিত অবস্থায় পেতাম তবে আমি যাতে তোমার চক্ষুদ্বয় রয়েছে তা (তোমার মস্তক) তরবারীর আঘাতে কেটে ফেলতাম।” মানে শাস্তি অধিক হতো। [১০]

এ থেকেও বোঝা যায়, সাহাবীগণ মাথা মুন্ডনের অভ্যাস কে আপত্তিকর বলে মনে করতেন। ইমাম আহমাদ ইবনু হানবাল বলেন, প্রথম যুগের সালাফগন মাথা মুন্ডন করা মাকরুহ বলে মনে করতেন।[১০] যদিও তা হারাম বা গুনাহের কাজ ভাবা যাবেনা।

?️
মোল্লা আলী কারী বলেন, “চুল দীর্ঘ হওয়া কোনো নিন্দিত বিষয় নয়। কাঁধ ছাপিয়ে পরিমাপের চেয়ে বড় হলে চুল কেটে ফেলতে হবে বলেও কোনো নির্দেশ নেই।” [১১] সুতরাং পুরুষের চুল কাঁধের নীচে চলে গেছে মানেই তিনি গুনাহ করছেন এটি দ্বীনি জ্ঞানে অজ্ঞদের ভাবনা। তবে এটি দারা অহংকার প্রকাশ যেনো না হয়।

?️
তবে মনে রাখতে হবে- বড় চুল রাখা পুরুষের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। অনেক ফকিহ দাড়ি বড় হবার আগে চুল বড় করতে বারন করেছেন (তাশাব্বুহ মায়ান নিসওয়ান)। ছোট করে চুল রাখাও জায়েজ। তবে মাথার সব অংশে তা সমান হতে হবে। কোথায় বড় কোথাও ছোট এভাবে কাটা ইসলাম সম্মত নয়।

?️
কাতাদাহ (রা) থেকে বর্নিত – তাঁর কাধ ছাপিয়ে বিশাল চুল নিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের কাছে জিজ্ঞাসা করলে রাসূল সা.তাঁকে একদিন পর একদিন চুল আঁচড়াতে এবং পরিপাটি করে রাখতে নির্দেশ দেন। [১২]

?️
চুলে তেল দেয়া, সুগন্ধি মিশিয়ে তেল দেয়া, পুরুষের জন্য আঁচড়িয়ে পরিপাটি রাখা, মাঝে সিথি করাও সুন্নাহ।[১৩]

?️
সুতরাং যাদের দারা সম্ভব রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের দায়েমী এ চুলের সুন্নাতের আমল করতে পারি। কেউ বড় চুল রাখলে, কানের লতি ছাপিয়ে নীচে গেলেই না বুঝে আপত্তিকর বাজে মন্তব্য না করি। আল্লাহ আমাদের বুঝ দান করুন।
বিঃদ্রঃ কোন যৌক্তিক কারনে পিতামাতা যদি সন্তানকে চুল ছোট রাখতে বলেন তা মান্যকরা দায়িত্ব। কারন চুল বড় রাখা একটি সুন্নাহ যায়েদা, পিতামাতার বাধ্য থাকা ফরয। সুতরাং এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি করা যাবেনা।

? আরো বিস্তারিত জানতে
ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রাহি রচিত “ইসলামে পোশাক পর্দা ও দেহ-সজ্জা” বইটি পড়ে নিতে পারেন।

?️
রেফারেন্স:
১-তিরমিযী, আশ শামাইল আল মুহাম্মাদিয়া/৪৭-৫০, আবু দাউদ, আস সুনান ৪/৮১,
আলবানী মুখতাসারুশ শামাইল/ ৩৪-৩৬
২-তিরমিযী, আস সুনান ৪/২৪৬, আবু দাউদ, আস সুনান ৪/৮৩, ইবনু মাজাহ, আস সুনান ২/১১৯৯, ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ৬/৫৭২, ১০/৩৬০, আলবানী, মুখাতাসারুশ শামাইল/৩৫
৩-ইবনুল কাইয়িম, যাদুল মা’আদ ১/১৭০
৪-ইবনু হাজার, ফাতহুল বারী ১০/৩৬০
৫-ইবনুল কাইয়িম, যাদুল মা’আদ ১/১৬৭, শামী সীরাহ শামিয়াহ ৭/৩৪৯-৩৫০
৬- তাবারানী, আল মু’জামুল আউসাত ৯/১৮০
৭-আবু নু’আইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া ৮/১৩৯
৮-বুখারী,আস সহীহ ৬/২৭৪৮
৯-ইবনু কুদামা, আল মুগনী ১/৬৫
১০-মোল্লা আলী কারী, মিরকাত ৮/২৪০
১১-মিরকাত ৮/২৪০
১২-নাসায়ী – ৮/১৮৪।
১৩- মুয়াত্তা মালিক- ২/৯৪৯।

Abdul Hi Muhammad Saifullah

 

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: ইসলাম, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, রূপসৌন্দর্য, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিশু সুরক্ষা Tagged With: চুল, চুলে তেল দেয়া, ছোট চুল, দীর্ঘ চুল, নবী সা. এর চুল, বড় চুল রাখা, বিনুনি, মাথা মুন্ডন করা, মাথার চুল, সিথি করা

স্বৈরাচারী সরকারের ১০ লক্ষণ

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

গণমাধ্যমকে ভয় দেখানো

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোতে গণমাধ্যম বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকে৷ সরকারের সমালোচনা ও ভুল ধরিয়ে দেয়ার মাধ্যমে সুশাসন নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনেক৷ ফলে সমালোচনার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সাংবাদিকদের দূরে রাখতে স্বৈরাচারী শাসকরা পত্রিকা, টেলিভিশনকে ভয় দেখিয়ে কোণঠাসা করতে চান৷

সরকারপন্থি গণমাধ্যম সৃষ্টি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রভাব ক্রমশ বাড়ছে৷ ফলে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা সবক্ষেত্রে সম্ভব হয় না৷ পালটা ব্যবস্থা হিসেবে স্বৈরশাসকরা সরকারপন্থি গণমাধ্যম নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন৷ এর ফলে ব্যাপক হারে সরকারের নানা প্রোপাগান্ডা ছড়ানো সহজ হয়৷

রাষ্ট্রীয় সংস্থার দলীয়করণ

রাষ্ট্রের সকল স্তরে নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে স্বৈরাচারী শাসকরা পুলিশ, সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে সরকারি আমলাদের মধ্যেও দলীয়করণ প্রতিষ্ঠা করে থাকেন৷ এর ফলে রাষ্ট্রের ভেতর থেকে ক্ষোভ দেখা দিলে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা হয়৷

বিরোধীদের ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারি

রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থাকে সরকারের রাজনৈতিক বিরোধীতাকারীদের ওপর নজরদারির কাজে লাগানো হয়৷ গোয়েন্দা মারফত পাওয়া তথ্য কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে নানাভাবে হেয় করা ও কোণঠাসা করতে অপব্যবহার করা হয় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা৷

বিশেষ সুবিধা ও দমনপীড়ণ

স্বৈরাচারী সরকার বা সরকারপ্রধানকে যেসব কর্পোরেট সংস্থা বা ব্যক্তি নানাভাবে সহায়তা করে থাকেন, তাদের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সুবিধা দেয়া হয়৷ বেআইনি উপায়ে কাজ পাইয়ে দেয়া থেকে শুরু করে নানাভাবে সহায়তা করা হয়৷ অন্যদিকে, যেসব সংস্থা সহায়তা করে না, তাদের ক্ষেত্রে চলে যে-কোনো উপায়ে দেউলিয়া বানানোর প্রক্রিয়া৷

বিচার বিভাগে হস্তক্ষেপ

আদালত স্বাধীন থাকলে স্বৈরাচারী শাসকদের নানা সময়ে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়৷ ফলে শুরু থেকেই স্বৈরাচারী শাসকরা সুপ্রিম কোর্টকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করেন৷ অনুগত বিচারক নিয়োগ দেয়া, বিরোধীদের ছাঁটাই করা থেকে শুরু করে, নানাভাবে চেষ্টা চলে এ নিয়ন্ত্রণের৷

একপাক্ষিক আইন প্রয়োগ

স্বৈরাচারী শাসকদের শাসনামলে ‘আইন সবার জন্য সমান’ বাক্যটি থাকে শুধু কাগজে-কলমে৷ বাস্তবে প্রতিপক্ষকে দমনের জন্য পাস করা হয় নতুন নতুন আইন৷ বিরোধীদের নানা উছিলায় গ্রেপ্তার নির্যাতন করা হলেও, নিজের সমর্থকদের রাখা হয় আইনের আওতার বাইরে৷

‘জুজুর ভয়’ দেখানো

বিরোধীরা ক্ষমতায় এলে ভয়াবহ অবস্থা হবে, দেশ রসাতলে যাবে, বিরোধীরা কত খারাপ, ক্রমাগত সে প্রচার চালানো হয়৷ এর ফলে এমন অবস্থা তৈরির চেষ্টা হয় যাতে জনগণের মনে প্রতিপক্ষ সম্পর্কে একটা নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করা যায়৷

দৃষ্টি সরাতে ভীতি সৃষ্টি

ভিন্ন পরিস্থিতিতে ভিন্ন ধরনের ভীতি তৈরি করে থাকেন স্বৈরাচারী শাসকরা৷ অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, গণতন্ত্রহীনতা ও দুঃখ-দুর্দশা থেকে জনগণের দৃষ্টি সরিয়ে রাখতে কোথাও জঙ্গি সংকট, কোথাও মাদকবিরোধী যুদ্ধ, কোথাও অন্য দেশের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়৷

নির্বাচনে কারচুপি

আগে জোর করে ক্ষমতায় থাকার উদাহরণ থাকলেও, এখন স্বৈরাচারী শাসকরাও নিয়মিত বিরতিতে নির্বাচন দিয়ে থাকেন৷ ‘গণতন্ত্র আছে’ জনগণ ও আন্তর্জাতিক মহলে এমন ধারণা দেয়ার জন্য তারা নির্বাচন দেন৷ কিন্তু সে নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সব ধরনের আয়োজন আগে থেকেই করা থাকে৷

লেখক: অনুপম দেব কানুনজ্ঞ

source: https://p.dw.com/p/3oxvX

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই Tagged With: নাঈমুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ

  • « Previous Page
  • 1
  • …
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • …
  • 39
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:15 AM
    সূর্যোদয়5:24 AM
    জোহর12:05 PM
    আসর4:44 PM
    মাগরিব6:46 PM
    ইশা7:55 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট
  • বিয়ে রেজিস্ট্রেশন কি বাধ্যতামূলক? ইসলাম কী বলে?
  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

ইসলাম অর্থ কি?

এদেশের লোকদের যদি জিজ্ঞাসা করেন, ‘ইসলাম অর্থ কি?’ – তারা বলবে ‘শান্তি’। অথচ ইসলাম অর্থ কি শান্তি? সালাম অর্থ শান্তি। আমরা সালাম দেই – আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। ইসলামের সঠিক অর্থটা জানলে আক্বিদার অনেকাংশ ক্লিয়ার হয়ে যায়। ইহুদী খৃষ্ট্রানসহ ইসলামের শত্রুরা খুব কুকৌশলে এই কাজটি করেছে, তা হল তোমরা শিখাও ইসলাম অর্থ শান্তি। তোমরা শান্তিতে থাকবে, খানকায় বসে ইবাদাত করবে, শান্তিতে ঘুমাবে! আস্তে আস্তে […]

Copyright © 2026