বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি, একটু পড়েই দেখুন না।

সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

পরলোকগত কুয়েতী লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ’র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি –

“মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।”

  • তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে
  • আমাকে গোসল করাবে
  • (তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে
  • আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে
  • আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে
  • আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে
  • অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না।

  • আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো
  • আমার চাবির গোছাগূলো
  • আমার বইপত্র
  • আমার ব্যাগ
  • আমার ‍জুতোগুলো

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে। তবে এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না।

  • এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না
  • অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে
  • আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে
  • আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে
  • অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে
  • ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান (সবকিছুর হিসাব)

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!! কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”? কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না।

  • যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
  • তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!
  • আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে। এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা।

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে।

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা।

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

  • সৌন্দর্য্য
  • ধনসম্পদ
  • সুস্বাস্থ্য
  • সন্তান-সন্তদি
  • বসতবাড়ি
  • প্রাসাদসমূহ
  • জীবনসঙ্গী

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা। আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

  • ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
  • নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
  • গোপন সাদাকাহ’র প্রতি
  • ভালো কাজের প্রতি
  • রাতের নামাজের প্রতি

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে।

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

তারা বলবে না,

  • উমরাহ পালন করতাম
  • অথবা, সালাত আদায় করতাম
  • অথবা, রোজা রাখতাম

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।

জাযাকাল্লাহ।

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: অফার, ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, সংগৃহীত Tagged With: উত্তম কথা

জান্নাতের আনন্দ নিঁখুত, নিখাদ।

আগস্ট ২৩, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

?❤️? জীবনের একটা সময় নিঃসঙ্গতা ঘিরে ধরে। সে সময় বিয়ে করতে না পারার যন্ত্রণায় ছেলে-মেয়েরা মুখ কালো করে ঘুরে বেড়ায়। কী যে কষ্ট, কত যে কষ্ট, কেউ বোঝে না।

একটা সময় বহুল আকাঙ্ক্ষিত বিয়ে হয়। কয়দিন পরে বোঝা যায়, বিয়ের সাথেও আরও কত দুঃখ-জ্বালা-সমস্যা টেনে আনা হল।

বিয়ে না হলে এই সমস্যাগুলো তৈরিই হত না।

দুনিয়ার জীবনে বাচ্চা না হলে মানুষ হা-হাকার করে। আবার বাচ্চা হলেও দিনরাত দুশ্চিন্তা, বাচ্চাকে বড় করার, ঠিকভাবে মানুষ করার।

  • বাচ্চার রোগ-বালাই হয়, অসুস্থ বাচ্চাকে নিয়ে বাবা-মায়ের মন ভার হয়ে থাকে।
  • বাচ্চার বিয়ে-শাদি হয় না, বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না।
  • বাচ্চা বাবা-মায়ের অবাধ্য হয়, তখন সারাজীবন সন্তানের জন্য খেটে মরা বাবা-মাদের কেমন লাগে?

বাচ্চা না থাকলে কিন্তু এসব কষ্ট জীবনে থাকতই না।

মানুষের জীবনের কোনো আনন্দই পরিপূর্ণ না, সেখানে একটুখানি কষ্ট, যন্ত্রণা বা ভয়ের মিশেল থাকবেই।

জান্নাতের আনন্দ নিঁখুত, নিখাদ।

  • অতি যত্ন নিয়ে সে জান্নাত তৈরি করা হয়েছে।
  • সেখানে বিন্দুমাত্র কষ্ট নেই। আনন্দের মধ্যে হালকা পাতলা ব্যথাও লুকিয়ে নেই।
  • সেখানকার সুখ পরিপূর্ণ সুখ।
  • অন্তর ভরে দেওয়া সুখ।
  • সেই সুখ কখনও কমে না, খালি বাড়তেই থাকে। বাড়তেই থাকে।

আমরা যতই বোকা হই, বা ইসলামি জ্ঞানের দিক থেকে মূর্খ হই না কেন, জান্নাতের সুখের কথা সবাই টের পাই। তাই ছেলে-বুড়ো সবাই জান্নাতে যেতে একপায়ে খাড়া।

কিন্তু আমরা জান্নাতের জন্য কিছুই ছাড়তে রাজি না। পরীক্ষা আমাদের চিরজনমের শত্রু, অথচ পরীক্ষা পাশের পুরস্কার পেতে আগ্রহের কমতি নেই। কীভাবে পুরস্কার পাব যদি পরীক্ষাই না দিই?

কীভাবে জান্নাতে যাব, যদি দুনিয়াতেই হার মেনে নিই?

আল্লাহ বলেছেন, ঈমান এনেছি বলার পর মানুষকে পরীক্ষা নেওয়া হবেই হবে। তা না হলে কীভাবে জানা যাবে ঈমান সে সত্যিই এনেছে কিনা!

আল্লাহ মানুষের পরীক্ষা নেবেন ক্ষুধার কষ্ট, ভয়, ধন-সম্পদের ক্ষতির দ্বারা। মানুষের পরীক্ষা হবে দুঃখ দিয়ে, যন্ত্রণা দিয়ে, বুকের মাঝের ধুকপুকানি উদ্বেগ দিয়ে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।
{সুরা আল বাকারাহ আয়াত ১৫৫}

সে-ই ধৈর্য ধরতে পারবে যে জানে, এসবের বিনিময়ে তো জান্নাত!
চিরসুখের জান্নাত! যেখানের এক হাত জমিনের সুখগুলোই এই পৃথিবীর সমস্ত সুখের চেয়ে ঢের বেশি।

যদি সত্যিই জান্নাতে বিশ্বাস করে থাকি, যদি সত্যিই আল্লাহর কথায় ঈমান এনে থাকি, তাহলে দুঃখকে আর ভয় কীসের?

মৃত্যুর পরেই তো দুঃখ শেষ।
ওপারের জীবনেই তো সুখ!

আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের মেহমানদারি করতে মহান রব তো জান্নাতকে সাজিয়েই রেখেছেন.. ভয় কীসের কষ্টকে?

মাত্র কদিনেরই তো দুনিয়া, কদিনেরই তো কষ্ট।

 

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: অফার, ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, ব্যবসা, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার Tagged With: জান্নাত, জান্নাতের আনন্দ

দশজন পুরুষ ও নারী যাদের জন্য রয়েছে মাগফিরাত ও মহান প্রতিদান।

আগস্ট ১৫, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

দশজন পুরুষ ও নারীর জন্য আল্লাহ তায়ালা মাগফিরাত ও মহান প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন।

[৩৩:৩৫] আল আহ্‌যাব
إِنَّ المُسلِمينَ وَالمُسلِماتِ وَالمُؤمِنينَ وَالمُؤمِناتِ وَالقانِتينَ وَالقانِتاتِ وَالصّادِقينَ وَالصّادِقاتِ وَالصّابِرينَ وَالصّابِراتِ وَالخاشِعينَ وَالخاشِعاتِ وَالمُتَصَدِّقينَ وَالمُتَصَدِّقاتِ وَالصّائِمينَ وَالصّائِماتِ وَالحافِظينَ فُروجَهُم وَالحافِظاتِ وَالذّاكِرينَ اللَّهَ كَثيرًا وَالذّاكِراتِ أَعَدَّ اللَّهُ لَهُم مَغفِرَةً وَأَجرًا عَظيمًا

নিশ্চয়ই

  1. মুসলিম পুরুষ ও নারী
  2. মুমিন পুরুষ ও নারী
  3. অনুগত পুরুষ ও নারী
  4. সত্যবাদী পুরুষ ও নারী
  5. ধৈর্যশীল পুরুষ ও নারী
  6. বিনয়াবনত পুরুষ ও নারী
  7. দানশীল পুরুষ ও নারী
  8. সিয়ামপালনকারী পুরুষ ও নারী
  9. নিজদের লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী পুরুষ ও নারী
  10. আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও নারী

তাদের জন্য আল্লাহ মাগফিরাত ও মহান প্রতিদান প্রস্তুত রেখেছেন।

 

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: অফার, ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান Tagged With: অনুগত, আল্লাহকে স্মরণকারী, দানশীল, ধৈর্যশীল, পুরুষ ও নারী, বিনয়াবনত, মুমিন, মুসলিম, লজ্জাস্থানের হিফাযতকারী, সত্যবাদী, সিয়ামপালনকারী

পবিত্র কোরআনের বর্ণিত ফল ও উদ্ভিদ সমূহ

জুলাই ৩১, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

কুরআনে যেসকল ফল ও উদ্ভিদের কথা বর্ণনা করা হয়েছে :-

১. আল ইনাবু : আঙুর ফল। ‘এবং আঙুর ও শাকসবজি।’ (সূরা আবাসা ৮০ : ২৮)।

২. আর রুম্মান : আনার। ‘সেখানে রয়েছে ফলমূল; খেজুর ও আনার।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ৬৮)।

৩. আত তিন : ডুমুর (ফল বা গাছ)। ‘ডুমুর ও জলপাই (বা তার গাছের) এর শপথ।’ (সূরা তিন ৯৫ : ১)।

৪. আন নাখিল : খেজুর গাছ। ‘এবং শস্যক্ষেত ও দুর্বল এবং ঘন গোছাবিশিষ্ট খেজুর বাগানে।’ (সূরা শুয়ারা ২৬ : ১৪৮)।

৫. আজ-জারউ : বীজ, চারা, শস্য বা শস্যক্ষেত। ‘মহান আল্লাহ, যিনি সৃষ্টি করেছেন নানা ধরনের বাগান। যার কিছু মাচার ওপর বিছানো থাকে (কা-হীন) এবং কিছু মাচার ওপর বিছানো থাকে না (কা-বিশিষ্ট) এবং যিনি সৃষ্টি করেছের খেজুর গাছ ও বিভিন্ন স্বাদের খাদ্যশস্য।’ (সূরা আনআম ৬ : ১৪১)।

৬. আর রাতাবু : তাজা ও পাকা খেজুর। ‘তুমি খেজুর গাছের কা- ধরে নাড়া দাও। তোমার ওপর তা ফেলবে পাকা তাজা খেজুর।’ (সূরা মরিয়াম ১৯ : ২৫)।

৭. আল ফাকিহাতু : যে কোনো ফল। ‘তাতে রয়েছে ফলমূল ও খোসায় ঢাকা খেজুর।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ১১)।

৮. আজ জায়তুন : জলপাই। ‘ডুমুর ও জলপাই (বা তার গাছের) এর শপথ।’ (সূরা তিন ৯৫ : ১)।

৯. আস সামারু : যে কোনো ফল। ‘খেজুর ও আঙুর ফলগুলো। তা থেকে তোমরা গ্রহণ করো নেশাদ্রব্য ও উত্তম রিজিক।’ (সূরা নাহল ১৬ : ৬৭)।

১০. আস সিদরু : কুল বা বরই গাছ। ‘কাঁটাবিহীন বরই গাছ তলায়।’ (সূরা ওয়াকিয়া ৫৬ : ২৮)।

১১. আল আসলু : ঝাউ গাছ। ‘আমি তাদের বাগান দুইটিকে এমন দুই বাগানে পরিবর্তন করলাম, যেখানে রইল কিছু বিস্বাদ ফল, ঝাউ গাছ ও কুল গাছ।’ (সূরা সাবা ৩৪ : ১৬)।

১২. আল খামতু : তেঁতো ও বিস্বাদ খাবার বা আরবি ভাষায় ‘আরাক’ নামক বিশেষ লতা গাছ। ‘আমি তাদের বাগান দুইটিকে এমন দুই বাগানে পরিবর্তন করলাম, যেখানে রইল কিছু বিস্বাদ ফল, ঝাউ গাছ ও কুল গাছ।’ (সূরা সাবা ৩৪ : ১৬)।

১৩. আল আব্বু : পশুখাদ্য। গৃহপালিত ও বন্যপশু যে ফল খায়। ‘তাতে উৎপন্ন করেছি ফলমূল ও ঘাস।’ (সূরা আবাসা ৮০ : ৩১)।

১৪. আল কিসসাউ : শসা। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।

১৫. আল ফুমু : মটরকলাই বা গম। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।

১৬. আল বাকলু : সবজি বা যে কোনো উদ্ভিদ। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।

১৭. আল আদাসু : ডাল। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্যÑ তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।

১৮. আল বাসালু : পেঁয়াজ। ‘তারা বলল, তুমি তোমার প্রভুর কাছে প্রার্থনা করো। যেন তিনি আমাদের জন্য ভূমিজাত খাদ্যদ্রব্য; তরকারি, শসা, গম, মসুর ও পেঁয়াজ উৎপন্ন করেন।’ (সূরা বাকারা ২ : ৬১)।

১৯. আল হাব্বু : শস্যদানা বা বীজ। ‘নিশ্চয় আল্লাহ বীজ ও আঁটিকে অঙ্কুরিত করেন।’ (সূরা আনআম ৬ : ৯৫)।

২০. আস সানাবিলু : শিষ বা মুকুল। ‘যারা আল্লাহর পথে ব্যয় করে তাদের দৃষ্টান্ত হলো বীজের মতো, যা থেকে সাতটি শিষ বের হয় এবং প্রত্যেক শিষে থাকে ১০০ বীজ।’ (সূরা বাকারা ২ : ২৬১)।

২১. আন নাবাতু : উদ্ভিদ। ‘যেন আমি তা (পানি) দিয়ে উৎপন্ন করি শস্যদানা ও উদ্ভিদ।’ (সূরা নাবা ৭৮: ১৫)।

২২. আর রায়হানু : পুদিনা জাতীয় এক ধরনের গুল্ম ও ধনিয়া পাতা বা যে কোনো সুগন্ধ গুল্ম। ‘আরও রয়েছে ভূষিযুক্ত শস্যদানা ও সুগন্ধি ফল।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ১২)।

২৩. আজ জানজাবিলু : আদা বা এক ধরনের মূল্যবান সুগন্ধি। ‘তারা সেখানে এমন শূরা পান করবে, যাতে মেশানো থাকবে জানজাবিল’। (সূরা দাহর ৭৬: ১৭)।

২৪. আল কাফুরু : কর্পূর। ‘নিশ্চয় সৎ মানুষ জান্নাতে এমন পাত্রে পান করবে, যাতে মেশানো থাকবে কর্পূর।’ (সূরা দাহর ৭৬ : ৫)।

২৫. আজ জাক্কুমু : কাঁটাযুক্ত গাছ বা ক্যাকটাস। ‘আপ্যায়নের জন্য এটাই উত্তম না কাঁটাযুক্ত গাছ?’ (সূরা সাফফাত ৩৭ : ৬২)।

২৬. আন নাজমু : ঘাস বা এমন গাছ, যার ডাল হয় না। ‘লতাপাতা ও বৃক্ষরাজি তাঁকে সিজদা করে।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ৬)।

২৭. আস সাজারু : ডালবিশিষ্ট গাছ। ‘লতাপাতা ও বৃক্ষরাজি তাঁকে সিজদা করে।’ (সূরা রহমান ৫৫ : ৬)।

২৮. আল কিনওয়ানু : খেঁজুরের কাঁদি। ‘এবং খেজুর গাছ, যার শীর্ষদেশ কাঁদির ভারে নুয়ে থাকে।’ (সূরা আনআম ৬ : ৯৯)।

২৯. আত তালউ : খেঁজুর গাছের শিষ। ‘এবং খেজুর গাছ, যার শীর্ষদেশ কাঁদির ভারে নুয়ে থাকে।’ (সূরা আনআম ৬ : ৯৯)।

,,,সংগৃহীত,,,
Quran&Sunnah কোরআনওসুন্নাহ

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত Tagged With: Quran&Sunnah, আঙুর ফল, আদা, আনার, উদ্ভিদ, কর্পূর, কাঁটাযুক্ত গাছ, কুল, কোরআনওসুন্নাহ, ক্যাকটাস, খেজুর, খেজুর ও আঙুর, খেঁজুর গাছের শিষ, খেঁজুরের কাঁদি, ঘাস, জলপাই, ঝাউ, ডাল, ডালবিশিষ্ট গাছ, ডুমুর, তেঁতো ও বিস্বাদ, পশুখাদ্য, পুদিনা, পেঁয়াজ, মটরকলাই, শসা, শস্যক্ষেত, শস্যদানা, সবজি

আল্লাহর জন্যে নিজের ভিতরটাকে সুন্দর করার কিছু চর্চা

জুলাই ২৭, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

  • কিয়ামতের দিন যে জিনিসটি মুমিনের পাল্লায় সবচেয়ে ভারী হবে তা হলো- উত্তম চরিত্র।
    -আবু দাউদ, হাদিস নং- ৪৮০১
  • হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, কোন কাজ অধিকাংশ লোককে জান্নাতে প্রবেশ করাবে? তিনি উত্তরে বলেছেন, কিয়ামতের দিন যে জিনিসটি মুমিনের পাল্লায় সবচেয়ে ভারী হবে তা হলো- ‘তাকওয়া ও উত্তম চরিত্র’
    –তিরমিজি, হাদিস নং- ২০০৪
  • কোরআনে কারিমে আল্লাহতায়ালা মুমিনের অসংখ্য নৈতিক গুণের কথা উল্লেখ করেছেন। যেমন তিনি বলেছেন, নিশ্চয়ই মুমিনগণ সফল, যারা তাদের নামাজে ভীত ও বিনয়ী, যারা নিজেদেরকে অর্থহীন কাজ থেকে বিরত রাখে, যারা জাকাত প্রদানের ক্ষেত্রে কর্মতৎপর হয় এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গ হেফাজত করে।
    -সূরা আল মুমিনুন: ১-৫

আল্লাহর জন্যে নিজের ভিতরটাকে সুন্দর করার কিছু চর্চা এমন হতে পারে

১. সবসময় সবাইকে নিয়ে ভালো চিন্তা করা। উপযুক্ত প্রমান ছাড়া কাউকে খারাপ ভেবে না বসা।

২. নিয়তেই বরকত! প্রতিনিয়ত নিজের নিয়তকে চেক করা। আমি এই কাজটা কেন করছি? কাকে খুশি করার জন্যে করছি?

৩. অপ্রয়োজনীয় কথা-আলাপে মশগুল না হওয়া। কেউ কথা বলার সময় তাকে কথার মাঝে cut-off না করা (বিঘ্ন না ঘটানো)!

কারণ, যে কথা বলছে সে যদি জ্ঞানী হয়, তাকে শুনতে থাকলে, জ্ঞান বাড়বে! আর যে কথা বলছে, সে যদি মূর্খ হয় তাকে শুনতে থাকলে – ধৈর্য্য বাড়বে! নিশ্চয়ই ধৈর্য্য অর্জন করা জ্ঞান অর্জন করার থেকে বেশি জরুরি!

৪. নিজের সমালোচনা শুনলে ক্ষুব্ধ না হওয়া! চিন্তা করে দেখা – আমার মাঝে কি আসলেই এই ভুল আছে?

ইমাম শাফি’ই (রা:) একবার ক্লাস করাচ্ছিলেন। তখন এক লোক হুড়মুড় করে তার ক্লাসে ঢুকে গেলেন। তার দিকে আঙ্গুল তুলে বললেন, “তুমি কি ইমাম শাফি’ই?”। ইমাম বললেন, “জ্বী, আমি শাফি” তখন লোকটি সবার সামনে চেঁচিয়ে ইমামকে বললেন, “তুমি একটা ফাসিক, কাফির এবং জঘন্য প্রকৃতির লোক!”

ইমাম চুপ করে শুনলেন। তারপর দুই হাত তুলে সবার সামনে দু’আ করলেন, “হে আল্লাহ! এই ব্যক্তি যদি সত্য বলে থাকেন, তাহলে তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, আমার উপর দয়া করো এবং আমার তাওবা কবুল করে নাও! আর যদি এই ব্যক্তি যা বললেন, সেটা যদি সত্য না হয়, তাহলে তার এ আচরণের জন্যে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তার উপর দয়া করো এবং তার তাওবা কবুল করে নাও!”

৫. প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাবার আগে সবাইকে মাফ করে দিয়ে অন্তর পরিষ্কার করে ঘুমানো।

৬. কোনো ব্যাপারে অন্তরে অহংকার ঢুকে যাচ্ছে কি না চেক করা।

যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমান অহংকার থাকবে, সে জান্নাতের ঘ্রাণ-ও পাবে না।

৭. যদি কারো উপর হিংসা হতে থাকে, সেই ব্যক্তির নাম ধরে তার সাফল্যের জন্যে বেশি বেশি দুয়া করা।

৮. নিজের ভুল/গুনাহ -র একটা লিস্ট বানানো। নিজের ভুল নিয়ে বেশি ব্যতিব্যস্ত থাকা, যেন অন্যের ভুল নিয়ে গল্প/গীবত করার কোনো সুযোগ না থাকে।

৯. এমন কোনো কথা কারো পিছনে কখনো না বলা, যেটা সে যদি সামনে থাকতো, তাহলে তার সামনে কখনোই বলা যেত না। এটাই গীবতের ক্লাসিক সংজ্ঞা!

গীবত মৃত ভাইয়ের মাংস খাবার মতন জঘন্য গুনাহ (কুরআন: সুরাহ হুজুরাত)

১০. কথায় বা আচরণে কাউকেই তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করা।

আল্লাহ সুবহানুতায়ালা আমাদের ভিতর-বাহির সব সুন্দর রাখুক।
আমাদেরকে উত্তম চরিত্রের হবার তাওফিক দিন।

আমিন!

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: অফার, ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সংগৃহীত, সুখি পরিবার

  • « Previous Page
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:44 AM
    সূর্যোদয়5:46 AM
    জোহর11:52 AM
    আসর4:16 PM
    মাগরিব5:58 PM
    ইশা7:00 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট
  • বিয়ে রেজিস্ট্রেশন কি বাধ্যতামূলক? ইসলাম কী বলে?
  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

আসলে প্রকৃত সুখে আছেটা কে?

কেউ সুখে নেই। দুনিয়া সুখে থাকার যায়গা না। দুনিয়া হচ্ছে অনন্ত সুখের পাথেয় সংগ্রহ করার যায়গা। এখানে চিরসুখী হতে চাইলে সে কষ্টে জর্জরিত হবেই। দুনিয়াতে কেবলমাত্র সেই সুখে আছে, যে সাধ্যমত পরকালের জন্য সত্যিকারভাবে কিছু করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যার বিয়ে হয়েছে, সে বলছে ‘বিয়ে করাটাই তার জীবনে সবচেয়ে বড় ভুল ছিলো। কেন যে করতে গেলাম!’ আর যারা বিয়ে করেনি, তারা দিনরাত বিয়ের সপ্নে অধীর […]

Copyright © 2026