বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

তিন গল্পের জীবন শিক্ষা

জুলাই ১৯, ২০২৬ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

আমাদের চারপাশের চেনা মানুষগুলোর ভেতরের আসল রূপ, তাদের জেদ এবং কু-অভ্যাসকে চেনার জন্য এই তিনটি গল্প এক একটি আয়না। গল্পগুলো ছোট হলেও এদের জীবনবোধ অনেক গভীর:

১. এক চোরের বংশ ধনী হলেও বড় ভাই সিঁধ কেটে চুরি করার পুরনো অভ্যাস ছাড়তে পারছিল না। পরিবারের সম্মান বাঁচাতে সব ভাইয়েরা মিলে তাকে এক বুদ্ধিদীপ্ত প্রস্তাব দিল। তারা বলল, “ভাই, তুমি আমাদের নিজেদের ঘরের জিনিসপত্রই রাতে সিঁধ কেটে এক ঘর থেকে অন্য ঘরে সরাও।” এতে তার চুরির নেশাও মিটলো, আর বংশের সম্মানও বাঁচলো। আল্লাহর হেদায়াত ছাড়া অভ্যাস পরিবর্তন সম্ভব না।

২. এক মহিলা নিজেকে খুব পর্দানশীল দাবি করে বাড়ির সামনের গাছটি কেটে ফেলেন। সবাইকে বলেন, গাছে বসা এক পুরুষ পাখি তাকে দেখে ফেলায় তার পর্দা নষ্ট হয়েছে। কিন্তু আসল সত্য ছিল অন্যরকম। গাছের বড় বড় ডালপালার কারণে তিনি আড়াল থেকে তার অবৈধ প্রেমিককে পরিষ্কারভাবে দেখতে পেতেন না। নিজের গোপন প্রেমের রাস্তা পরিষ্কার করতেই তিনি পর্দার বাহানা দিয়ে গাছটি কেটেছিলেন। নিজের স্বার্থ ও অপরাধ লুকাতে মানুষ প্রায়ই লোকদেখানো ভালো মানুষের মুখোশ পরে।

৩. এক তোতা পাখি এক মহিলাকে দেখলেই তার সম্পর্কে অপ্রিয় সত্যি ও বাজে কথা বলতো। শাস্তি হিসেবে দোকানদার পাখিটিকে বারবার পানিতে চুবাতো। একদিন মহিলাটি পাখিটিকে এসে বললেন, “কী রে, এখন কিছু বলবি না?” পাখিটি তখন দোকানদারের পানির বালতির দিকে তাকিয়ে বলল, “খালাম্মা, আপনি কেমন তা তো আপনি ভালো করেই জানেন। কিন্তু কী আর করবো, পাশে পানির বালতি রাখা আছে!” বিশ্বাস বা ধারণা যখন অন্তরে গেঁথে থাকে তা মুছে ফেলা যায় না।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?

জুলাই ১২, ২০২৬ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

কোনোটিই সমর্থনযোগ্য নয়।

তবে দুটি অবস্থার মধ্যে পার্থক্য আছে:

  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত = এখনো ধ্বংস হয়নি, কিন্তু সেই পথে এগোচ্ছে। এখানে সতর্ক হওয়া, ভুল সংশোধন করা এবং পথ পরিবর্তনের সুযোগ থাকে।
  • ধ্বংসে নিমজ্জিত = ধ্বংস ইতোমধ্যে অনেকটাই ঘটেছে বা ঘটেই গেছে। তখন মূল কাজ হয় ক্ষতি কমানো, পুনরুদ্ধার এবং পুনর্গঠন।

তাই যদি প্রশ্ন হয় কোনটি বেশি গ্রহণযোগ্য, তাহলে সাধারণভাবে বলা যায় ধ্বংসের দিকে ধাবিত অবস্থাকে চিহ্নিত করে সেখান থেকেই ফিরে আসার চেষ্টা করা তুলনামূলকভাবে ভালো, কারণ তখনও পরিবর্তনের সুযোগ থাকে। কিন্তু ধ্বংসের দিকে যাওয়াকে সমর্থন করা বা ধ্বংসে নিমজ্জিত অবস্থাকে সমর্থন করা—দুটোর কোনোটিই যুক্তিসঙ্গত নয়।

অর্থাৎ, সমর্থনযোগ্য হলো ধ্বংস নয়, ধ্বংস থেকে উত্তরণের প্রচেষ্টা।

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: জনসচেতনতা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই

এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন

মে ২১, ২০২৫ by Shahana Akhter Leave a Comment (Edit)

এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন ।
এগুলো খুব পজিটিভ দিক একটা শিশুর জন্য।।
সুন্দর পরামর্শ।।।

  1. ৩ মিনিট ঘুম থেকে ওঠার সময়-সকালে সন্তানের পাশে বসুন মাথায় হাত বুলিয়ে, আলতো চুমু দিয়ে আস্তে করে ডেকে তুলুন। তার সম্পর্কে কোন সুন্দর কথা বলুন।
  2. ৩ মিনিট স্কুল থেকে ফিরে-বাচ্চা স্কুল থেকে ফিরলে হাসি মুখে তাকে স্বাগত জানান। আদর মাথা স্পর্শে জড়িয়ে নিন তাকে শুনুন তার গল্পগুলো।
  3. ৩ মিনিট রাতে ঘুমানোর আগে-একটু খুনসুটি করুন জড়িয়ে ধরে আদর করে দিন। গল্প শোনান। সারাদিনের কোন ভালো কাজের প্রশংসা করুন।

Related Images:

Shahana Akhter
Shahana Akhter
www.bn.bdtopten.com/author/shahanaa/

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিশু সুরক্ষা, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৫ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন (Proportional Representation) হলো এমন একটি নির্বাচন ব্যবস্থা যেখানে প্রতিটি দলের আসন সংখ্যা নির্ধারিত হয় তাদের প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে। অর্থাৎ, যদি একটি দল ৩০% ভোট পায়, তবে তারা মোট সংসদীয় আসনের ৩০% পাবে।

সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচনের সুফল:

  • প্রতিটি ভোটের মূল্য থাকবে – কোনো ভোটই হারিয়ে যাবে না, কারণ প্রতিটি দলের আসন সংখ্যা তাদের ভোটের অনুপাতে নির্ধারিত হবে।
  • সব দলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে – ছোট দলগুলোরও সুযোগ থাকবে সংসদে আসন পাওয়ার, ফলে রাজনৈতিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পাবে।
  • জনগণের প্রকৃত মতামত প্রতিফলিত হবে – বর্তমান ব্যবস্থায়, কোনো দল সামান্য বেশি ভোট পেলেই পুরো ক্ষমতা পেয়ে যায়, বাকিদের ভোট মূল্যহীন হয়ে যায়। কিন্তু অনুপাতিক পদ্ধতিতে জনগণের প্রকৃত মতামত সংসদে প্রতিফলিত হবে।
  • গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে – যেহেতু সব দলের অংশগ্রহণ থাকবে, তাই একদলীয় শাসনের বদলে অংশীদারিত্বমূলক সরকার গঠিত হবে, যা গণতন্ত্রকে আরও সুসংহত করবে।
  • স্থিতিশীল ও কার্যকর সরকার গঠন হবে – বড় ও ছোট দলগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ফলে রাজনৈতিক ঐক্য বৃদ্ধি পাবে এবং নীতিনির্ধারণে ভারসাম্য আসবে।

সংক্ষেপে, সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু হলে দেশের গণতন্ত্র আরও কার্যকর হবে, জনগণের মতামত সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে এবং সকল দলের জন্য ন্যায়সঙ্গত সুযোগ সৃষ্টি হবে।

BUT দুঃখের বিষয় হলো বিএনপি এটার বিরোধী

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: অফার, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, মগজ ধোলাই

আমার আয়না ঘর দর্শন

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

সম্ভবত আয়না ঘর ভিজিট করা youngest সাংবাদিক আমি। এটা অত্যন্ত ট্রমাটিক ছিল, কিছু লেখার ভাষা পাচ্ছিলাম না। অন্যদিকে বাংলা টাইপ করাটা আমার জন্য একটা মহা ঝামেলা। যাইহোক, আমি কয়েকটি FAQ করব এবং কিছু পর্যবেক্ষণ বলব, যেগুলো হয়তো আপনি এখনো জানেন না বা মিডিয়ায় আসেনি।

১. ওয়ালে কীভাবে লেখা হতো?
উত্তর: প্রধানত মাছের কাঁটা। খাইতে দিলে সেগুলো জমিয়ে রাখতেন। এ ছাড়া কোনো ধারালো কণা বা কিছু পেলে। অনেককেই লেখার জন্য কলম ও কাগজ দেওয়া হতো, তারা সেই কলম ব্যবহার করেছে।

২. আয়না ঘর দেখাতে এতদিন লাগল কেন?
উত্তর: ডিজিএফআই বা স্পেসিফিক্যালি আর্মি আসলে কোনো দিনই এটা দেখাতে চায়নি, কারণ এটা তাদের ইমেজের জন্য হুমকি। কিন্তু নেত্র নিউজ এটার জন্য কাজ করে গেছে। গত বুধবারে আমাদের রিপোর্ট করা হয়েছিল যে আর্মি আয়না ঘর ভিজিট দিচ্ছেন না; এর পরের দিন সরকার আয়না ঘর ভিজিটের কথা জানান। আর্মি দোষী, তাই অবশ্যই তারা চায়নি তাদের পাপ সামনে আসুক। কিন্তু মিডিয়ার চাপে তা করতে বাধ্য হয়েছে।

৩. রিভলভিং চেয়ার নাকি কী?
উত্তর: এটাকে প্রথমে অনেকেই ইলেকট্রিক শক চেয়ার ভেবে ভুল করেছেন। মূলত এটাতে হাত-পা মাথায় বেঁধে জোরে ঘুরানো হয়। আর এটা ইলেকট্রিক, তার প্রমাণ আছে—এটার সাথে লাগানো তারের লেজ ছিল। মানে তার কেটে ফেলার পরেও কিছু তার রয়ে গেছে। যেহেতু অনেকেই রিভলভিং চেয়ার শাস্তির সাথে পরিচিত না, তাই এটাকে ইলেকট্রিক শক দেওয়ার চেয়ার ভেবেছেন। এটা নরমাল।

৪. একটি মাত্র চেয়ার কেন?
উত্তর: এত মানুষকে একটা চেয়ারে কীভাবে শাস্তি দিতো? প্রথমত ডিজিএফআই অনেক আলামত নষ্ট করে ফেলেছে। গুম কমিশন এই চেয়ারটাও অনেক কষ্ট করে খুঁজে পেয়েছে। এটাও লুকানো হয়েছিল। আর সবাইকে একই শাস্তি দিতো না। অনেক রকম সাজার ব্যবস্থা ছিল। যেমন এই রুমে ঝুলিয়ে মারার মতো ব্যবস্থা ছিল, যা পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি।

৫. তাসনিম খালিলের ছবিতে করোনা আইসোলেশন সেন্টার লেখা কেন?
উত্তর: ছবিটি আমিই তুলেছি এবং লেভেলটা ইচ্ছে করেই ফ্রেমে রাখা হয়েচজে। আইসোলেশন সেন্টার আসলে একটা ভ্রম। এর ভিতরেই রাখা হতো বন্দীদের। আর এই কল্যাপসিবল গেটের কথা একাধিক সারভাইভার আমাদের বলেছেন।

৬. এতদিন শুনে আসলাম আয়না ঘর হল অনেক ছোট রুম, আলো-বাতাস অসহ্য। এখন দেখি অনেক রঙ করা, আলো ভরা—এগুলো কেন?
উত্তর: যতগুলো গোপন বন্দিশালা আছে (ডিজিএফআই হেডকোয়ার্টারসহ), সবগুলাতে আলাদা মাপের রুম আছে। কোথাও রুমের ভিতরেই টয়লেট, কোথাও কয়েকটি সেলের জন্য বাইরে শেয়ার্ড টয়লেট। আর সেখানে সব টয়লেটের দরজায় ফুটো করা থাকত, যেন বন্দী টয়লেটে গিয়ে কী করছে দেখা যায়। একদম ছোট—৩ হাত যায় এমন রুমও আছে। আল্লাহ জানেন এগুলোর ভিতরে মানুষ কীভাবে বেঁচেছে! আবার একদম অন্ধকার, চারপাশ কালো ওয়াল, ছাদও কালো রঙ করা এমন রুম আছে। আমি যেটা ক্যামেরায় ঠিকমতো আনতে পারিনি আলোর অভাবে। কিছু রুম তুলনামূলক ভালো ছিল, সেগুলোকে ভিআইপি রুম বলা যায়।

৭. একটি লাল তোয়ালে কীভাবে এলো? উত্তর: লাল তোয়ালেটা আমার চোখে পড়েনি। তবে র্যাব-২-এ এখন নতুন করে যারা কাজ করতে আসছেন, তাদের অনেক সেনা সদস্যের ট্রাঙ্ক, জিনিসপত্র আছে। হতে পারে তাদের কেউ এটা রেখেছে।

এবার আমার কিছু শকিং পর্যবেক্ষণ:

  1. প্রথমত ওয়াশরুমের দরজায় ফুটো করা। দ্বিতীয়ত, ওয়াশরুমগুলো এত ছোট যে কমোডগুলো সোজা বসানো যায় না—ডায়াগোনালি বসাতে হয়েছে! আমি জানি না ওরা এখানে কীভাবে বসতেন। নিশ্চয় অর্ধেক বসেই কাজ সারতে হতো! তার ওপর ফুটো দিয়ে গার্ড এসে দেখবে! ভাবা যায়! সারভাইভারদের মুখে শোনা কিছু কোথাও কোথাক ওয়াশরুমেও সিসি ক্যামেরা লাগানো।
  2. যতটা সম্ভব এটাকে ট্রান্সফর্ম করার চেষ্টা হয়েছে। অনেক জায়গায় ওয়াল রং করা হয়েছে, লেখা মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছে। অনেক জায়গায় নতুন ওয়াল তুলে দেওয়া হয়েছে, আবার কোথাও ওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে। গুম কমিশন অনেক কষ্ট করে এসব খুঁজে বের করেছে। ডিজিএফআইয়ের আয়না ঘর ের দুপাশের ওয়াল ভেঙে ফেলা হয়েছে, যার কারণে রুমগুলোতে এখন অনেক আলো। রুমের সামনে এই ওয়ালগুলো থাকলে নিশ্চিত এখানে একটা ভৌতিক পরিবেশ হতো! এমনকি র্যাব-১-এর একটা ওয়াল না ভাঙলে গুম কমিশন সবচেয়ে ছোট খুপরির মতো রুম খুঁজে পেত না। অথচ কেউ ভাবেনি এর ভিতরে রুম থাকা সম্ভব!
  3. স্কুইড গেম সিরিজ হয়তো দেখেছেন, যেখানে গার্ডদের আইডেন্টিটি যেন না বোঝা যায়—তারা একই জামাকাপড়-মুখোশ পরে থাকে। এখানেও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হতো। যেমন এক গার্ড আরেক গার্ডকে শিস দিয়ে ডাকত, নাম ধরে ডাকত না। বন্দীদের সাথে ফিসফিস করে কথা বলত, যাতে তাদের আসল ভয়েস শোনা না যায়।
  4. আরমানকে যে রুমে ৮ বছর রাখা হয়েছিল, তার সামনে সাদা টাইলস ছিল। ওরা টাইলস চেঞ্জ করার চেষ্টা করছে। টাইলসগুলো ফ্লোর থেকে তুলে একটা সেলের মধ্যে ঢুকিয়ে, সেলের সামনে আরেকটা ওয়াল তুলে রং করে দিয়েছে। আবার সেলের ভিতরে ছোট একটা ওয়াশরুম—তার সামনেও আলাদা ওয়াল তুলে দেওয়া হয়েছে।
  5. জঙ্গি নাটক বানানোর জন্য ওদের স্টকে অনেক ইসলামিক বই আছে। যেগুলোর একটা স্ট্যাক পাওয়া গেছে।
  6. আমি প্রিজন ব্রেক মুভি পছন্দ করি—শশ্যাঙ্ক রিডেম্পশন, এস্কেপ প্ল্যান, প্রিজন ব্রেক—এমন অনেক সিরিজ দেখেছি। সেই এক্সপেরিয়েন্স থেকে মনে হয়, আয়না ঘর থেকে পালানোর কোনো সুযোগ আছে বলে আমার মনে হয় না।
  7. উপদেষ্টা আসিফ ও নাহিদ তাদের সেলগুলো চিনতে পারে। আসিফ প্রথমে চিনলেও একটু কনফিউজ ছিল, তারপর আমরা যখন ওকে ওয়াশরুম দেখাই, সে ওয়াশরুম ও ওয়াশরুমের আয়না, বেসিন এগুলো দেখে চিনতে পারে যে এটাই সেই রুম। একই বিল্ডিংয়ে নাহিদও তাকে যে রুমে রাখা হয়েছিল, সেই রুম খুঁজে পায়। তবে রুমগুলাতে কিছু মডিফিকেশন করা হয়েছে, ভিন্ন দরজা লাগানো হয়েছে, এক্সস্ট ফ্যান খুলে ফেলা হয়েছে, অনেক জায়গায় দুটি রুম ভেঙে একটি রুম বানানো হয়েছে। কিন্তু তাদের এই ট্রমা কাটানোর জন্য একটি ক্লোজার দরকার ছিল।যেটা তারা পেয়েছে।
  8. তাসনিম খালিল একজন ব্রিলিয়ান্ট সাংবাদিক।
  9. এটি মেনে নেওয়া কঠিন! মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে দেখেছি—কালো দেয়ালে লেখা আছে মানুষের ফোন নম্বর, কাকুতি-মিনতি, ঠিকানা, বন্দিদের জন্য মেসেজ! ভাবাই যায় না, একজন মানুষ দিনের পর দিন, মাসের পর মাস এই বন্দিশালায় কাটিয়েছেন! প্রতিদিন ঘুম ভাঙতেন একটা হোপলেস পৃথিবীতে! ক্ষণে ক্ষণে মৃত্যুভয়! এভাবে কি বেঁছে থাকা যায়?

এ মুহূর্তে আমার কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না। রাত তিনটা বেজে গেছে, ঘুমাতে পারছি না। ভাবতে ভাবতে… মানুষ মানুষের সাথে কীভাবে এত নিষ্ঠুর হতে পারে?

Naimul Islam Miraz
Staff Correspondent at Netra News

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত, স্টাটাস - Status

  • « Previous Page
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • …
  • 39
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:44 AM
    সূর্যোদয়5:46 AM
    জোহর11:52 AM
    আসর4:16 PM
    মাগরিব5:58 PM
    ইশা7:00 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট
  • বিয়ে রেজিস্ট্রেশন কি বাধ্যতামূলক? ইসলাম কী বলে?
  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

ছোট ব্যাবসায় আর কত দিন?

অনলাইনে ফ্রী দোকান – কোনো রেজিস্ট্রেশন ফি ছাড়াই বিনামূল্যে আপনি আপনার পণ্য প্রদর্শন করতে পারবেন। সারাদেশে আপনার ব্যবসা ছড়িয়ে দিন –  শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের ১০ লক্ষের বেশি গ্রাহক নিয়মিত ভিজিট করেন আজকেরডিল এ। আমাদের সাথে থেকে আপনি পৌঁছাতে পারেন এদের সবার কাছে। ডেলিভারি ও প্রোডাক্ট ব্র্যান্ডিং সাপোর্ট – আমরা আমাদের তত্ত্বাবধানে আপনার অফিস/দোকান থেকে প্রোডাক্ট সংগ্রহ করে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের ক্রেতাকে বুঝিয়ে দিব। […]

Copyright © 2026