বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

আমাদের ছেলেরা কীভাবে পুরুষ হবে?

মে ২২, ২০২৪ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

গ্রামের বাড়িতে গেছি বেড়াতে। রাতের বেলা শুধু মুরগির বাচ্চার কিচিরমিচির শুনছি। একটু ডিস্টার্বই হচ্ছে। দোতলার বারান্দায় নাকি আম্মু মুরগির বাচ্চা এনে রেখেছেন। জানতে চাইলাম, মুরগির খোপ রেখে এখানে এগুলো কেন রেখেছেন? আম্মু জানালেন যে, মুরগির বাচ্চা মায়ের সাথে যত বেশিদিন থাকে তত দেরিতে ডিম দেয়, আর মা থেকে আলাদা করে রাখলে দ্রুত ডিম দেওয়া শুরু করে।

চট করে আমার চিন্তাটা মুরগির বাচ্চা থেকে সরে আমাদের বর্তমান সমাজের আধুনিক প্রজন্মের ‘ছেলেবাবুদের’ দিকে সরে গেল, যারা বয়স পচিশ-ত্রিশে এসেও মানসিকভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হতে পারে না।

আমার বন্ধু কবির। ওরা দ্বিতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বৃটিশ। ওর বাবা গিয়েছিলেন ষাটের দশকে। ও ওর নিজের জীবনের দারুণ একটা ঘটনা শুনিয়েছিল আমাকে। ওর বয়স যেদিন ষোলো বছর পূর্ণ হয়ে সতেরোতে পড়ল, সেদিন ওর বাবা ওকে ডেকে বললেন, এখন থেকে তুমি বৃটিশ আইন অনুযায়ী প্রাপ্তবয়স্ক, স্বাধীন ও স্বনির্ভর পুরুষ। এখন থেকে তোমার দায়িত্ব তোমাকেই বহন করতে হবে। তোমার লেখাপড়ার খরচা তোমাকেই যোগাতে হবে। আর আমার বাসায় থাকতে হলে বাসা ভাড়া, আর খেতে হলে খাবার খরচ দিতে হবে। যেই কথা সেই কাজ। কোনো ছাড় নেই। কবির বাধ্য হয়ে একটা শপে পার্টটাইম কাজ জোগাড় করল। স্কুল শেষে সেখানে কাজ করত। সেই টাকা দিয়ে বাসা ভাড়া আর খাবার বিল দিত। লেখাপড়া তো সরকারি স্কুলে, তাই এক বাচা বাঁচল। বৃটিশ কালচারে এটা স্বাভাবিক হলেও বাঙালী হিসেবে বাবার এই আচরণ মেনে নিতে ওর বেশ কষ্ট হয়েছিল। এই সময়টাতে বাবার প্রতি জমেছিল এক রাশ ঘৃণা আর অভিমান। এই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল তা আমরা একটু পরে বলছি।

জীবনের এই প্রথম ধাক্কাই তাকে অনেকটা পরিপক্বতা এনে দিয়েছিল। ১৯ বছর বয়সে বিয়ে করেছিল। এখন মাত্র ৪৫ বছর বয়সে ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে গেছে।
আমি কবিরকে আমার এই বিশ বছরের বন্ধুত্বের জীবনে অসংখ্য ভালো কাজের উদ্যোগ নিতে ও অংশগ্রহণ করতে দেখেছি। অনেক অসহায় মানুষকে, পরিবারকে ও সাহায্য করেছে।

ঠিক এর বিপরীতে গেলে আমাদের সমাজে অসংখ্য মানুষ দেখতে পাবেন, যারা ত্রিশে এসেও বালকসুলভ জীবন কাটায়, পুরুষ হয় না। কোনো দায়িত্ব নিতে সক্ষম নয়, কোনোকিছুতে স্থির নয়, কোনো লক্ষ্যপানে ধাবিত নয়, কোনো অর্জনের জন্য স্থির নয়।

আমাদের অধিকাংশ মানুষদের দেখবেন বলতে, ছেলেমেয়েদের জন্যই তারা খেটে মরে, বাড়িগাড়ি বানায়। জিজ্ঞেস করলে বলে, আমরা যে কষ্টের মধ্য দিয়ে গেছি আমার ছেলেমেয়েরা যেন তার মধ্য দিয়ে না যায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এ ধরণের চিন্তার বাবা-মায়ের সন্তানরা খুবই অযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়।

যে বাবা-মা তাদের জন্য খেটে মরেছে, তাদের জন্য কিছু করা তো দূরের কথা, তারা নিজেদের দায়িত্বই নিতে সক্ষম হয় না। বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া সম্পদের উপর নির্ভরশীল হয়। সেটা ফুরিয়ে গেলে চরম মানবেতর জীবনযাপন করে।
আমাদের ভিতরে যারা একটু স্মার্ট এবং বাস্তবসম্মত চিন্তা করেন, তারা ভাবেন—ছেলেমেয়েদের জন্য বাড়িগাড়ি রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়, তাদের শিক্ষিত করে গড়ে তোলাই আমাদের দায়িত্ব।

তারা দেখা যায় উন্নত লেখাপড়ার জন্য ছেলেমেয়ের পিছনে অঢেল টাকাপয়সা ব্যয় করেন, দুনিয়ার সকল ঝুটঝামেলা ও বাস্তবতা থেকে এমনভাবে দূরে রাখেন, ফলে তারা হয় ‘শিক্ষিত বলদ’।

সত্যিকারভাবে ছেলেদেরকে পুরুষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ খুব কম মানুষই গ্রহণ করতে পারেন। আর এর অবধারিত ফল হলো ব্যক্তি হিসেবে, পরিবার হিসেবে, সমাজ ও জাতি হিসেবে পিছিয়ে পড়া।

একটা মানুষ যদি পৃথিবীর জন্য পনেরো-ষোলো বছর থেকে অবদান রাখা শুরু করতে পারে, তাহলে তার অবদানের মাত্রা ও মান দুটোই অনেক বৃদ্ধি পায়। পক্ষান্তরে কথিত মাস্টার্স শেষ করে কর্পোরেট স্লেইভ হতে হতে যে সময় ব্যয় হয়ে যায়, তাতে অবদান রাখার সময় যেমন হারিয়ে যায়, তেমনই অবদানের মানও আর অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো হয়ে ওঠে না।

আমি ড্রাইভিং শিখেছিলাম ৩৩ বছর বয়সের দিকে। আমার এক বন্ধু তখন বলেছিল—তুমি এখন আর ফার্স্ট ক্লাস এফিশিয়েন্ট ড্রাইভার হতে পারবা না, তুমি হবা ‘আংকেল ড্রাইভার’। সামনের আরেকটা গাড়ির পেছনে পেছনে স্টিয়ারিং ধরে গাড়ি চালিয়ে তোমার জীবন যাবে।

আমি খুব গভীরভাবে লক্ষ্য করলাম যে, কথা খুবই সত্য। আমার পাশ দিয়ে বহু গাড়ি কাটিয়ে চলে যায়, আর আমার কাছে সামনের গাড়ির পিছনে ধরে রাখাকেই নিরাপদ ও আরামদায়ক মনে হয়। তাই দেরি করে দায়িত্ব নেওয়ার ব্যাপারটা শুধু দায়িত্বজ্ঞানহীন করে তা-ই নয়, দায়িত্ববোধের মান ও দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাও হ্রাস করে ফেলে।

বাবার প্রতি কবিরের ঘৃণা আর অভিমানের কথা মনে আছে? এবার বলি সেই ঘৃণা আর অভিমান কিভাবে শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় রূপ নিয়েছিল। বিয়ের দু’বছর পর যখন একটা ব্যবসা দাড় করানোর জন্য ভালো অংকের একটা নগদ অর্থ দরকার হলো তখন সেই কঠোর বাবা তার হাতে পাউন্ডের একটা বান্ডিল দিয়ে বলেছিলেন, ‘এটা বাসা ভাড়া আর খাওয়ার খরচ হিসেবে দেওয়া তোমার সেই অর্থ।

এমন কোনো প্রয়োজনের সময় দেওয়ার জন্য জমা করে রেখেছিলাম’। জীবনে কোনো এক সময় যদিও বাবার প্রতি কবিরের ঘৃণা জন্মেছিল, কিন্তু এখন বাবার সেই কঠোরতাটুকুকে সে তার জীবনের অমুল্য সম্বল মনে করে এবং বাবাকে নিয়ে সে আজ সত্যিকারে গর্ব অনুভব করে।

সেই মুরগির গল্পে ফিরে আসুন। ফিরে আসুন ইসলামের বাতলানো সমাজ চিন্তায়। মুরগির বাচ্চা যেমন মায়ের ডানার তলে থাকলে ডিম দেবে না, তেমনি আপনার ছেলেকে যতদিন ডানার নিচে রাখবেন সে দায়িত্বশীল হবে না। এটা সৃষ্টির প্রকৃতির মধ্যে দেওয়া স্রষ্টার অমোঘ নিয়ম। ইসলাম বলে একটা ছেলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার তিনটা সাইন:

১. স্বপ্ন*দো-ষ হওয়া
২. নাভির নিচে লো+ম গজানো, কিংবা
৩. বয়স পনেরো বছরে উপনীত হওয়া

এরপর ইসলামি আইনমতে সে একজন পূর্ণ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ। তার উপর শরিয়তের সকল আইন কার্যকর। মহান আল্লাহ এই সীমাটা এইজন্যই নির্ধারণ করেছেন যে, এই বয়স থেকে সে জীবন ও জগতে তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন শুরু করবে।
আমাদের উচিত ছিলো, আমাদের সন্তানদেরকে এই বয়সে উপনীত হওয়ার আগেই তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন ও যোগ্য করে গড়ে তোলা; কিন্তু সেটা না করে একটা দীর্ঘ সময় তাদেরকে স্পুন ফিডিং করে আমরা একটি অকর্মন্য ও অযোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলছি।

(কালেক্টেড)

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: জনসচেতনতা, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘর ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ খরচ বাঁচে?

এপ্রিল ২৪, ২০২৪ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

কেউ কেউ মনে করেন এসির সাথে ফ্যান চালালে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়। আবার কারো মতে, এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘর ঠান্ডা হতে দীর্ঘ সময় লাগে। ফ্যান উপর থেকে গরম বাতাসকে টেনে আনে। যার ফলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় না। আবার অপরদিকে কারো কারো চিন্তা ভাবনা থাকে এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়। সত্যিই কি তাই? এই ধারণায় ভবিষ্যতের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? তাই সময় থাকতে জেনে নিন এসির সাথে ফ্যান চালানো সুবিধাজনক নাকি অন্য কিছু।

এসির সাথে ফ্যান চালানো নিয়ে মানুষের যে ধারণাগুলো তৈরি হয় তা আসলে পুরোটাই ভ্রান্ত ধারণা। এরকম কোনো কিছুই হয় না। বিপরীতে বরং এসির সাথে ফ্যান চালালে বাতাসের প্রবাহ বৃদ্ধি হয়। যার ফলে ঘর ঠান্ডা হয় এবং ব্যক্তি আরাম পায়। পাশাপাশি এসি-ফ্যান একসাথে চালালে এসি কেও খুব একটা কাজ করতে হয় না। ঘরের চারিদিকেই ফ্যানের হাওয়া শীতল বাতাস ছড়িয়ে দেয়।

তবে এক্ষেত্রে

  • এসির তাপমাত্রা মাঝামাঝি রাখতে হবে। প্রায় ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে।
  • হালকা করে সিলিং ফ্যান চালিয়ে দিন। ফ্যানের স্পিড কমা হবে। তবেই ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে।
  • অবশ্যই ঘরের জানালা দরজা বন্ধ রাখতে হবে। তা না হলে এসি-ফ্যানের হাওয়া কোনোটাই কার্যকরী হবে না।

শুধু ঘর ঠান্ডা নয়, এসি-ফ্যান একসাথে চালালে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচে। যেখানে শুধুমাত্র ৬ ঘন্টা এসি চালালে বিদ্যুৎ খরচ হয় ১২ ইউনিট। সেখানে এসির সাথে যদি ফ্যান চালানো হয় এক্ষেত্রে ৬ ঘন্টায় বিদ্যুৎ খরচ ৬ ইউনিট বাঁচে। ফলস্বরূপ এসি-ফ্যান একসাথে চালালে অনেকটাই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি শরীরে ঘাম দিলে ফ্যানের সামনে দাঁড়ালে ফ্যানের হাওয়া গরম বাতাসকে চারপাশ থেকে সরিয়ে দেয় এবং ঠান্ডা অনুভব হয়।

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: আবহাওয়া, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, টেকনোলজি, প্রযুক্তি, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন, স্বাস্থ্য Tagged With: আরাম, এসি, এসি-ফ্যান, এসির তাপমাত্রা, ঘর ঠান্ডা, ঘর দ্রুত ঠান্ডা, ঘরের জানালা দরজা বন্ধ, ফ্যান, ফ্যানের হাওয়া শীতল, বিদ্যুৎ খরচ, শীতল বাতাস

জীবনে তিনটা গুরুত্বপূর্ণ ‘সি’ (C)

মার্চ ৭, ২০২৪ by BD TOP TEN Leave a Comment (Edit)

জীবনে তিনটা (C) ‘সি’ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ…

  • Choice (চয়েজ)
  • Chance (চান্স)
  • Change (চেইঞ্জ)

Choice :
ভাগ্য আপনার হাতে নেই কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আপনার আছে। আজকে নেয়া আপনার একটা পজেটিভ সিদ্ধান্ত, কাল আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। এটিই চয়েস।

Chance :
আপনি যা করছেন তা করতে থাকলে, যা পাচ্ছেন তাই পেতেই থাকবেন। যদি এর চেয়ে ভালো কিছু পেতে চান তবে ভালোকিছু খুঁজুন ও শুরু করে দিন।
পরিবর্তন চান তো… নিজেকে পরিবর্তন করতেই হবে। এটি হল (Chance) চান্স / সুযোগ।

Change :

পরিবর্তন সম্ভব…. নিজেকে আরও যোগ্য করতে পারলে আরও সমৃদ্ধ জীবন সম্ভব। এটাই হল পরিবর্তন (Change)।

” অতীতকে আপনি বদলাতে পারবেন না, কিন্তু আপনি চাইলেই বর্তমানকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতকে বদলাতে পারেন”

  • বড় স্বপ্ন দেখুন,
    নিজেকে বিশ্বাস করুন।
  • লক্ষ্য নির্ধারণ করুন,
    পরিকল্পনা গ্রহণ করুন
    সেই অনুযায়ী কাজ করুন।
  • নিজের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন
  • সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন
  • কঠোর পরিশ্রম করুন
  • সর্বদা সামনের দিকে তাকান ও এগিয়ে যান

Related Images:

BD TOP TEN
BD TOP TEN

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, ব্যবসা, মগজ ধোলাই, সংসার জীবন Tagged With: Chance, Change, Choice, চয়েজ, চান্স, চেইঞ্জ

রিজিকের ৭টি দরজা

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৩ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

🍀 সালাত বা নামাজ :
যে রাস্তাগুলোর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা বস্তুগত ও অবস্তুগত উভয় রকমের রিজিক পৌঁছান, তার মধ্য থেকে এক নম্বর হলো নামাজ। নামাজের মাধ্যমে এবং নামাজের দাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা রিজিক পৌঁছান।
(দেখুন সূরা ত্বহা, ১৩২)

🍀 তাকওয়া বা স্রষ্টানুভূতি :
অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলার কাছে জবাবদিহিতার ভয়ে ইসলামের বিধিবিধানকে শক্তভাবে মেনে চলা। হালাল-হারামগুলো বেছে চলা, আল্লাহকে হাজির-নাজির মনে করা যে, আল্লাহ আমার সামনে উপস্থিত, আমি কীভাবে গুনাহ করতে পারি।
(দেখুন সূরা তলাক, ২-৩)

🍀 তাওয়াক্কুল :
আল্লাহর ওপর ভরসা করা। অনুকূল হোক বা প্রতিকূল, বিপদে হোক, আনন্দে হোক—সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর আস্থা রাখা, ভরসা করা, নির্ভর করা। পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর নির্ভর করা যে, আল্লাহ আপনিই করবেন; আমার কোনো শক্তি নেই, ক্ষমতা নেই; আপনিই করেন, আপনিই করবেন।

🍀 ইসতিগফার :
প্রতিদিন বেশিব এশি আল্লাহর কাছে তাওবা করা, ক্ষমা চাওয়া। এর মাধ্যমে রিজিক আসে। হাদীসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইসতিগফার করবে, আল্লাহ তাকে সব সঙ্কট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন।’
(হাকিম, ৭৬৭৭)

🍀 কামাইয়ের চেষ্টা :
যেটা আমরা করি এবং রিজিকের তালাশ বলতে শুধু এটাই বুঝি ও বোঝাই। কুরআনে এসেছে, ‘অতঃপর নামাজ সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ করো।’
(সূরা জুমা, ১০)

🍀 আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা :
একটি হাদীসে এসেছে: ‘যে ব্যক্তি কামনা করে তার রিজিক প্রশস্ত করে দেওয়া হোক এবং তার আয়ু দীর্ঘ করা হোক, সে যেন তার আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখে।’
(বুখারী ৫৯৮৫)

🍀 বিবাহ করা :
কুরআনে এসেছে, ‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও…তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন।।..”
(সূরা নূর, ৩২)

হাদীসে এসেছে, ‘বিবাহের দ্বারা রিজিক তালাশ করো।’
(আল-মাকাসিদুল হাসানাহ, ১৬২)

তার মানে বিয়ের মাধ্যমে রিজিক আসে। তাহলে দেখুন, রিজিকের জন্য আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ৭টি দোকান দিয়েছে; কিন্তু আমি দোকান খোলা রেখেছি শুধু একটি। কেবল ব্যবসা আর চাকরির দোকান। একটি মাত্র দোকান খোলা রেখে বলছি, ‘আল্লাহ, আমার অভাব দূর হয় না, আমার অভাব দূর করে দিন; আল্লাহ, আপনি আমার রিজিকে বরকত দান করুন, আমার রিজিক বাড়িয়ে দিন।’ বাকি ছয়টি দোকান বন্ধ রেখে আমি বলছি, আমার রিজিকের অভাব দূর হয় না!

মুহাম্মাদ আশরাফ আলী
বনগাঁও, হরিপুর, ঠাকুরগাঁও।
একুশ | বার | তেইশ

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত, সংসার জীবন, সুখি পরিবার

শিমুল মূল, কাতিলা এবং তাল মাখনা খাত্তয়ার নিয়ম

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

💪শিমুল মূল খাত্তয়ার নিয়ম:

💯ধারালো চাকু দিয়ে শিমুল মূলের উপরের ছাল তুলে ভিতরের সাদা অংশ কাঁচা খেতে হয় ।
💯প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১টি করে ।
💯গা ঘাটলে বা আনইজি বোধ করলে চিনি বা মধু দিয়েত্ত খেতে পারেন ।
💯এতে আপনার লিংঙ্গ শক্ত হবে মোটা হবে এবং সহবাসে সময়ত্ত বাড়বে ।
💯১০০% পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত ।

💋কাতিলা এবং তাল মাখনা খাত্তয়ার নিয়ম:

💯কাতিলা এবং তাল মাখনা পানিতে ৩ থেকে ৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ইসুবগুলের ভুষির মতো শরবত করে খেতে হয় ।
💯এতে বীর্য ঘন হয় এবং বীর্যে শুক্রানুর পরিমান ব্যপক ভাবে বেড়ে যায় ।

💯আর হ্যাঁ অবশ্যই সকালে ১০টি এবং রাতে ১০টি খেজুর খাবেন । এটা খুবই জরুরী । মোটামুটি একটু ভালো মানের খেজুর হলেই চলবে । খেজুর খাত্তয়া কখনোই মিস করবেন না । কারন, খেজুর এসব পন্যের পাত্তয়ার হাজার গুন বৃদ্ধি করে । এভাবে ১০ দিন খান আপনি নিজেই চমকে যাবেন ইনশা-আল্লাহ । আর ১ মাস খেলে স্খায়ী ভাবে ফলাফল পাবেন । তবে এই কোর্স শেষ হলেত্ত প্রতিদিন অন্তত ৩ টি করে খেজুর খাবেন । তাহলে আর সারাজীবন অন্য কোন ডাক্তার দেখানো লাগবে না । এবং মেডিসিন খেতে হবে না ইনশা-আল্লাহ ।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, ব্যবসা, মগজ ধোলাই, সংগৃহীত, সুখি পরিবার, স্বাস্থ্য সেবা Tagged With: কাতিলা, শিমুল মূল

  • « Previous Page
  • 1
  • …
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • …
  • 39
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:44 AM
    সূর্যোদয়5:46 AM
    জোহর11:52 AM
    আসর4:16 PM
    মাগরিব5:58 PM
    ইশা7:00 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • স্বামী বা স্ত্রী—যে কোনো একজনের “আমিত্ব” পরিবার ধ্বংসের জন্য যথেষ্ট
  • বিয়ে রেজিস্ট্রেশন কি বাধ্যতামূলক? ইসলাম কী বলে?
  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

ডিপ্রেশন কি, কেন এবং সমাধান।

দুনিয়ার মায়াজালের আসক্তিতে নিজেদের অজান্তেই আমরা ডিপ্রেশড হয়ে যাই৷  কিন্তু আল্লাহ্ তাআলা, ইসলাম, ইমান আর ডিপ্রেশন এক অন্তরে একসঙ্গে থাকতে পারে না। যদি আপনার মনে বিন্দুমাত্র ডিপ্রেশন থাকে, তার মানে আপনার হৃদয়ে আল্লাহ্ নাই, বরং ওখানে শয়তান বাসা বেঁধেছে। কোনো মুসলিম যদি ডিপ্রেশনের স্বীকার হন, তাহলে আপনার ইমান নিয়ে ভেবে দেখার সময় এসেছে। অনেকেই বলবেন, আমার পরিস্থিতি আপনি বুঝবেন না, আমার ফ্যামিলি প্রবলেম, মানি প্রবলেম, […]

Copyright © 2026