বিডি টপ টেন

বিডি টপ টেন

আজকের দিন-তারিখ-সময়
আজ , |
, |
  • হোম
  • ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস
  • অফার
  • জোকস
  • স্বাস্থ্য টিপস
  • তারকা সংবাদ
  • ধর্ম
    • ইসলাম
  • জনসচেতনতা
  • নব দিগন্ত
  • জানা অজানা
  • সংগৃহীত

দাইয়্যুস কাকে বলে এবং তাদের হুকুম কি?

জুন ২৬, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

তিনজন আছেন যাদের দিকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা
কিয়ামাতের দিন নজর দেবেন না।

  1. যে পিতামাতার অবাধ্য
  2. যে নারী বেশভূষায় পুরুষের অনুকরণ করে 
  3. দাইয়্যুস ব্যক্তি

[সুনান আন নাসাঈ: ২৫৬২, হাদিস সহীহ]।

“দাইয়ুস” একটা ছোট শব্দ কিন্তু পরিনতিটা এতো ভয়ংকর যে চিন্তাই করতে পারি না। অথচ খুব সহজেই একজন বাবা বা ভাই বা হাজবেন্ড দাইয়ুসে পরিনত হচ্ছে। দাইয়ুস পুরুষরা হয়তো গর্বভরে তাদেরকে পাশে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে কিন্তু পরিনতি কঠিন আজাব, দোযখের আগুনে হবে তাদের বাসস্থান।

দাইয়ুস বলা হয় ঐ ব্যক্তিকে যে নিজ কন্যা/ বোন/ স্ত্রীকে অশ্লীলতা ও ব্যভিচার করতে সুযোগ দেয়।

  • দাইউস হলো সে ব্যক্তি যে কিনা তার পরিবার পরিজনকে সঠিক রাস্তায় পরিচালনা করেন না এবং পরিবার পরিজন সঠিক
    ভাবে না চললেও ভালো মনে করেন বা প্রতিবাদ করেন না।
  • যে ব্যক্তি তার স্ত্রী-সন্তানদের বেপর্দা বেহায়াপনা ও অশ্লীলতার সুযোগ দেয় তাকেও দাইউস বলা হয়।
  • দাইয়্যুস হয় পুরুষ। মহিলা নয়।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেছেন : দাইউস ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহ্র রাসূল (সাঃ)! দাইউস কে?

উত্তরে রাসুলূল্লাহ (সাঃ) বললেন, ‘যে ব্যক্তি তার পরিবারে আল্লাহ্র আদেশ-নিষেধ বাস্তবায়নের ব্যাপারে কোন তৎপরতা অবলম্বন করে না বরং উপেক্ষা করে চলে।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে যে, ‘দাইউস হল সে, যে তার পরিবারে বেহায়পনার বাস্তবায়নে সন্তষ্ট ও পরিতুষ্ট।’ (মুসনাদে আহমদ)

সুতরাং, সকল মুসলিম ভাইয়েরা পরিবারের পর্দার ব্যাপারে সচেতন হঊন!

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, ধর্ম, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার Tagged With: দাইয়্যুস

পৃথিবীর সর্বোত্তম সম্পদ কি?

জুন ২১, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

সূরা আন নিসা; আয়াত ৩৪ 

الرِّجَالُ قَوَّامُونَ عَلَى النِّسَاءِ بِمَا فَضَّلَ اللَّهُ بَعْضَهُمْ عَلَى بَعْضٍ وَبِمَا أَنْفَقُوا مِنْ أَمْوَالِهِمْ فَالصَّالِحَاتُ قَانِتَاتٌ حَافِظَاتٌ لِلْغَيْبِ بِمَا حَفِظَ اللَّهُ وَاللَّاتِي تَخَافُونَ نُشُوزَهُنَّ فَعِظُوهُنَّ وَاهْجُرُوهُنَّ فِي الْمَضَاجِعِ وَاضْرِبُوهُنَّ فَإِنْ أَطَعْنَكُمْ فَلَا تَبْغُوا عَلَيْهِنَّ سَبِيلًا إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيًّا كَبِيرًا (34)

“পুরুষেরা নারীদের অভিভাবক। কারণ, আল্লাহ তাদের একের ওপর অপরকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন এবং পুরুষেরা নিজের ধন-সম্পদ থেকে ব্যয় করে। সতী-সাধ্বী স্ত্রীরা অনুগত এবং বিনম্র। স্বামীর অনুপস্থিতিতে তারা তাঁর অধিকার ও গোপন বিষয় রক্ষা করে। আল্লাহই গোপনীয় বিষয় গোপন রাখেন।যদি স্ত্রীদের অবাধ্যতার আশংকা কর তবে প্রথমে তাদের সৎ উপদেশ দাও। এরপর তাদের শয্যা থেকে পৃথক কর এবং তারপরও অনুগত না হলে তাদেরকে শাসন কর ৷ এরপর যদি তারা তোমাদের অনুগত হয়, তবে তাদের সাথে কর্কশ আচরণ করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমু্ন্নত-মহীয়ান।” (৪:৩৪)

এই আয়াতে স্বামী ও স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্কের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পরিবার নামের এই ছোট্ট সমাজের বিভিন্ন দিক পরিচালনার জন্যে একজন পরিচালক থাকা দরকার। তা-না হলে পরিবারে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। আর এই দায়িত্ব পুরুষের ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে। পুরুষরা এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল হলেও স্ত্রীদের ওপর কতৃত্বকামী হবার কোন অধিকার তাদের নেই।

সতী স্ত্রীরা পারিবারিক ব্যবস্থার প্রতি অঙ্গীকারাবদ্ধ। তারা শুধু স্বামীদের উপস্থিতিতেই নয়, তাদের অনুপস্থিতিতেও স্বামীর ব্যক্তিত্ব, গোপনীয়তা ও অধিকার রক্ষা করে৷ এই শ্রেণীর স্ত্রীরা প্রশংসা পাবার যোগ্য। অন্য এক শ্রেণীর স্ত্রী দাম্পত্য জীবনে স্বামীর অনুগত নয়।

নেককার নারীর প্রথম গুণ, সতী-সাধ্বী ও দীনদার হওয়া।আর পার্থিব জগতের সর্বোত্তম সম্পদ সতী-সাধ্বী নারী। সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১৪৬৭; মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৬৫৬৭; সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৪০৩১

হযরত আবু উমামা রা. হতে বর্ণিত, নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কোনো মুমিনের জন্য আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের পর নেককার স্ত্রীর চেয়ে কল্যাণকর কিছু নেই। কারণ স্বামী তাকে আদেশ করলে সে আনুগত্য করে, তার দিকে দৃষ্টিপাত করলে সে (স্বামী) মুগ্ধ হয়। তাকে নিয়ে শপথ করলে সে তা (শপথকৃত কর্ম) পূরণ করে। স্বামীর অনুপস্থিতিতে নিজেকে (অন্যায়-অপকর্ম থেকে) এবং স্বামীর সম্পদ সংরক্ষণ করে। সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৮৫৭

একজন ঈমানদার স্ত্রী তার স্বামীর জন্য সর্বোত্তম সম্পদ। পৃথিবীর সর্বোত্তম সম্পদ নেককার স্ত্রী। এ জন্য জীবনসঙ্গী ও সঙ্গিনী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ইসলাম দীনদারীকে প্রাধান্য দিতে জোর তাগিদ দিয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে চারিত্রিক পবিত্রতাসম্পন্ন হবে, ব্যভিচারিণী হবে না এবং গোপনে কোনো অবৈধ সম্পর্ক স্থাপনকারিণী হবে না। সুরা নিসা : ২৫

 

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: ইসলাম, জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, তাফসির, ধর্ম, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার

বিয়ে ও ভুল ডিসিশন

মে ২৭, ২০২১ by Enamul Hoque Leave a Comment (Edit)

বিয়ে লাইফের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়, এক্ষেত্রে ভুল একটা ডিসিশনের কারণে এপার, ওপার দু’পারেই ভুলের মাশুল গুণতে হতে পারে।

তাই, বাবা-মায়ের চাপে পড়ে কিংবা নিজের সাময়িক ভালোলাগা আর আবেগের বশে নন-প্র্যাকটিসিং কাউকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেবেন না। লাইফ আপনার, আপনাকেই সংসার করতে হবে, সাফার করলেও আপনাকেই করতে হবে। তাই একটু বুঝশুনে, ধীরে সুস্থে সিদ্ধান্ত নিন।

যদি কারো ফ্যামিলি মেম্বার্স বা ঘটক কোনো পাত্র/পাত্রীর সন্ধান দেয় এবং বলে ‘অমুক পাত্র/পাত্রী’ খুব দ্বীনদার সেক্ষেত্রে অন্যের কথায় অন্ধবিশ্বাস না করে নিজেই পাত্র/পাত্রীর দ্বীনদারিতা যাচাই করে দেখবেন।

আর, নিজ এক্সপেক্টেশান অনুযায়ী কাউকে খুঁজে পেতে দেরী হলে সবর করবেন, দুয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দেবেন এবং হতাশ না হয়ে বরং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে নিজ সিদ্ধান্তের ওপর অটল থাকবেন। নিশ্চয়ই যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে আল্লাহ্-ই তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যান।

উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের জন্য বেশিবেশি করে নিম্নোক্ত দুয়াটি পড়বেন-

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

– হে আমাদের রব! আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষুশীতল করবে এবং আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন। [সূরা আল ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত।]

নিজে প্র্যাকটিসিং হয়ে নন প্র্যাকটিসিং কাউকে বিয়ে করা আর জেনেশুনে আগুনে ঝাঁপ দেয়া একই কথা!

নিজে প্র্যাকটিসিং হলে বিয়ের জন্য অবশ্যই অবশ্যই প্র্যাকটিসিং পাত্র/পাত্রী খুঁজবেন, ফ্যামিলিকেও জানিয়ে দেবেন যে প্র্যাকটিসিং কাউকে ছাড়া বিয়ে করবেন না!

অধিকাংশ প্র্যাকটিসিং পাত্র/পাত্রীর ফ্যামিলি থেকে তাদেরকে বলা হয় যে, ‘বিয়ের পর হাসবেন্ড/ওয়াইফকে দ্বীনদার বানিয়ে নিও’! এই পরামর্শ শুনে তখন অনেকেই ভুল করে বসে, নন প্র্যাকটিসিং কাউকে বিয়ে করে ফেলে আর পরবর্তীতে তাদের পরিণতি খুব একটা ভালো হয় না।

কারোর পরামর্শে নন প্র্যাকটিসিং কাউকে কখনো এই ভেবে বিয়ে করবেন না যে, বিয়ের পর আপনি তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে দ্বীনের পথে নিয়ে আসবেন,তাকে খুব দ্বীনদার বানিয়ে ফেলবেন। যদি এরকম ভেবে থাকেন তবে সেটা হবে খুব বড় রকমের বোকামি! যে মানুষটা বুঝজ্ঞান পাবার পর থেকেই আল্লাহর অবাধ্য, সে বিয়ের পর আপনার কথাতে বদলে যাবে, জাহিল লাইফ থেকে বের হয়ে দ্বীনের পথে চলে আসবে তার গ্যারান্টি কী?!

হ্যা, তবে আল্লাহ্‌ চাইলে সে আপনার সংস্পর্শে এসে বদলাতে পারে কিন্তু রিস্ক নেয়া কতোটা যৌক্তিক?!

যদি আল্লাহ্‌ আপনার স্পাউসকে হিদায়াত না দেন তখন কী হবে?! তখন তো চলতে ফিরতে দুজনের মধ্যে প্রতিদিন মতানৈক্য দেখা দেবে, ভুল বোঝাবুঝি হবে, ঝগড়া হবে!

কাউকে বদলাবার ক্ষমতা আমার বা আপনার নেই! অন্তর পরিবর্তনের মালিক একমাত্র আল্লাহ্‌! আল্লাহ্‌ না চাইলে হাজার চেষ্টা করেও আপনি আপনার স্বামী বা স্ত্রীকে বুঝিয়ে শুনিয়ে, দাওয়াহ দিয়ে দ্বীনের পথে আনতে পারবেন না!

Related Images:

Enamul Hoque
Enamul Hoque
www.bn.bdtopten.com/author/ehoque/

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার Tagged With: উত্তম জীবনসঙ্গী, ঘটক, জীবনসঙ্গী, ঝগড়া, দ্বীনদার, দ্বীনদারিতা, নন প্র‍্যাকটিসিং, প্র‍্যাকটিসিং, বিয়ে, ভুল বোঝাবুঝি, ভুলের মাশুল, সন্তান, স্ত্রী

সংসার-সংসারী বিবাহিত জীবন চাওয়া-পাওয়া।

মে ১৫, ২০২১ by Shahana Akhter Leave a Comment (Edit)

সন্তান-সন্ততি, সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, বিরহ, ভালোবাসা ইত্যাদি নিয়েই সংসার।

অবশ্যই পুরুষ কিংবা নারী উভয়কে সংসার করতে এসে স্যাক্রিফাইস করতে হয়। শুধু নিজের সাক্রিফাইসিকে বড় করে দেখা চরম স্বার্থপরতা। “কি দিলাম আর কি পেলাম” এই হিসাব কষে সংসারে সুখী হওয়া যায় না।

এখন প্রশ্ন, “সংসারী তো অনেকেই হয়। কিন্তু সুখী হয় কয়জনে? যারা সুখী হয় না, তারা কেন সুখী হয় না?”

সংসারী জুটির মধ্যে কঠিন এবং জটিল বিষয় হল – দুজনই সমমনা কিনা। দুইজনের বিশ্বাস, নীতি-আদর্শ, পছন্দ-অপছন্দ, রুচি-অরুচি একই কিনা। সব কিছু গল্প-উপন্যাস, নাটক-সিনেমার মত মিলানো সম্ভব না। তবে বিশ্বাস, আদর্শের মৌলিক বিষয়গুলোতে মিল থাকা জরুরি।

স্বামী স্ত্রী দুজনেই বা একজন চরিত্রহীন। স্বামী নিজের স্ত্রীতে সন্তুষ্ট নয় পক্ষান্তরে স্ত্রী স্বীয় স্বামী নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। দুজনেই পরস্ত্রী বা পরস্বামীতে আসক্ত। এই ধরনের সংসারে শান্তির বসবাস সম্ভব নয়।

স্বামী-স্ত্রী দুজনেই বা একজন ঝগড়াটে। সামান্য অজুহাতে চড়াও হয়, ক্ষেপে যায়। একে ওপরের প্রতি নেই সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ। একজন আরেকজনের সুখে সুখী, দুঃখে দুঃখী হওয়ার মত গুণ নেই। নেই পরস্পরের মধ্যে প্রেম-ভালোবাসা। সুখ সেই সংসার থেকে অনেক দূরে। এই ধরনের সংসারে কোনো দিন সুখ হয় না। শান্তি থাকে না।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, ‘বিবাহিত জীবনে স্বামী স্ত্রীর প্রেম ভালোবাসা অবিবাহিত জীবনের ভালোবাসার চেয়ে ও অনেক দামী এবং খাঁটি।”

পারিবারিক জীবনে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই যখন ভালো চরিত্র সম্পন্ন এবং আদর্শময় সৎ জীবন-যাপন করেন তখন তাদের সংসার হবে আদর্শ সংসার। তাদের জীবনে আসে সুখ আর সুখ। তাদের পরিবারে আসবে সদাচারী সন্তান। তাদের বুক গর্বে ভরিয়ে দেবে।

Related Images:

Shahana Akhter
Shahana Akhter
www.bn.bdtopten.com/author/shahanaa/

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, মগজ ধোলাই, সুখি পরিবার

ভদ্র ছেলের গুণাবলি – ছেলে চেনার উপায়

মে ১৫, ২০২১ by Rifat Chowdhury Leave a Comment (Edit)

মেয়েরা বর বা প্রেমিক নির্বাচনে বরাবরই ভুল করে। যার দরুন তারা সংসারে অশান্তি এবং রিলেশনে কষ্ট ভোগ করে থাকে । আগেই বলেছি অতিরিক্ত স্মার্টনেস ছেলেদের ভদ্রতার বঃহি প্রকাশ না । যদি সংসারে সুখী হতে চান তবে ভদ্র ছেলে দেখে বিয়ে করুন স্মার্ট দেখে নয়।

১] আপনি ভাবছেন খুব বেশী স্মার্ট হলে ছেলেটি ভদ্র? অবশ্যই না। স্মার্টনেস ছেলেটির ভদ্রতা প্রকাশ করে না। মাথায় জেল দিয়ে হাতে বেসলেট পড়ে তারা অতিরিক্ত ভাব নেয় না। ভদ্র ছেলেরা সাধারণত স্বাভাবিক থাকতে পছন্দ করে । অতিরিক্ত বাহুল্যতা এরা মোটেও পছন্দ করে না।

২] এরা কথাবার্তায় মার্জিত। উঁচু বাক্যে বা রাগান্বিত হয়ে কারো সাথে কথা বলবে না তবে একবার কোন কারণে রেগে গেলা সেটা তাদের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ কষ্ট হয়ে পড়ে।

৩] ভদ্র ছেলেরা খোদা ভীরু হয় । দুনিয়ার সম্পদে তাদের আসক্তি কম । অন্য জনের সম্পদ তাদের কষ্টের কারণ হয় না এবং তাদের চাহিদা খুব সিমিত ।

৪] ভদ্র ছেলেরা সাধারণত সিগারেট খায় না আর যদিও খায় তবে যত সামান্য, সেটাকে কখনোই তারা নেশা হিসাবে নেয় না । আর নেশা জাতীয় দ্রব্য এরা ছুঁয়েও দেখবে না ।

৫] লোভ হিংসা গিবত থেকে এরা মুক্ত । একজনের গোপন কথা এরা পেটে বোমা মারলেও প্রকাশ করবে না । এরা অবশ্যই বিশ্বাসী ।

৬] সাহিত্য বা আর্ট এর প্রতি এদের ঝোঁক থাকে । বই পড়া বা আঁকি ঝুকি করা এদের প্রিয় সখ গুলোর একটি । অনেক সময় কবিতা লিখে বা আত্ম কথা ডাইরিতে লিখে রাখতে ভালোবাসে ।

৭ ] ভদ্র ছেলেরা সাধারণত নিজেকে বড় মনে করে না এবং ক্ষমাশীল হয় । শত অন্যায় করার পরেও এরা মানুষ কে ক্ষমা করে দেয় কিন্তু মানুষ তাদের সাথে বরাবর বিশ্বাস ঘাতকতা করে

৮] ভদ্র ছেলেরা অতিরিক্ত আড্ডা, রাত করে বাসার ফেরা এরা মোটেও পছন্দ করে না । অনেকটা আত্মকেদ্রিক , ঘর কুনো এবং মা ভক্ত হয় ।

৯] চলাফেরা স্বাভাবিক । হেলে দুলে হাত নাচিয়ে তারা হাটবে না । সুন্দরী মেয়ে দেখলেও এরা নেশাতুর ভাবে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকবে না । মেয়েদের প্রতি সম্মান এদের আলাদা ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে এবং অশ্লীলতা থেকে তারা সবসময় দূরে থাকে ।

১০] ফেসবুক টুইটারে এরা সেলফি আসক্ত নয় । আত্মকেন্দ্রিক হওয়ায় এদের বাস্তবে এবং ভার্চুয়ালে বন্ধুর সংখ্যা সিমিত । এরা আর যাই করুক কখনোই মেসেজ মেয়েদের সাথে লতুপুতু করবে না ।

১১] মেয়েদের সাথে কথা বলতে এরা ভয় পায় । যেচে এরা মায়েদের কখনোই কথা বলে না । তবে একবার মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব হয়ে গেলে সেই বন্ধুত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করে ।

১২] ভালোবাসার ক্ষেত্রে সেই একই কথা প্রযোজ্য । এরা প্রতিজ্ঞায় বিশ্বাসী এবং মূল্যবোধ সম্পূর্ণ । তবে এরা ফিউচার নিয়ে ভাবে, ভালোবাসার ক্ষেত্রে তারা তেমন আগ্রহী না কিন্তু কখনো যদি ভালোবেসে কষ্ট পায় সেই কষ্ট তারা সারাজীবন একা একা বয়ে বেড়াবে ।

Related Images:

Rifat Chowdhury
Rifat Chowdhury

Filed Under: জনসচেতনতা, জানা অজানা, জেনে নিন, নব দিগন্ত, প্রেরণা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সুখি পরিবার

  • « Previous Page
  • 1
  • …
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • …
  • 18
  • Next Page »

নামাজের সময়সূচী

    ঢাকা, বাংলাদেশ
    বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬
    ওয়াক্তসময়
    ফজর4:14 AM
    সূর্যোদয়5:23 AM
    জোহর12:05 PM
    আসর4:44 PM
    মাগরিব6:46 PM
    ইশা7:56 PM

বিভাগসমূহ

সাম্প্রতিক প্রকাশনাসমূহ

  • বারবার একই আঘাত: ভালোবাসা নাকি অবহেলা?
  • আমার বান্ধবী বিরল মানুষদের একজন।
  • সংসার টিকে আছে আমার গুনে, সহনশীলতায়।
  • তিন গল্পের জীবন শিক্ষা
  • ধ্বংসের দিকে ধাবিত আর ধ্বংসে নিমজ্জিত কোনটা সমর্থনযোগ্য?
  • এই ৯ মিনিট আপনার সন্তানের জন্য ভীষণ প্রয়োজন
  • আবোল তাবোল রাজনীতি – পার্ট ২
  • সংখ্যা অনুপাতিক নির্বাচন ও এর সুফল
  • আমার আয়না ঘর দর্শন
  • কি দেখে পুরাতন/ব্যবহৃত ল্যাপটপ কিনব?
  • আবোল তাবোল রাজনীতি
  • ফলো টু ফলো – Follow to Follow
  • বি.ডি.এস. পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন।
  • আমি আজও বুঝলাম না আমার ডিভোর্সের আসল কারণ কি?
  • কিছু নির্মম ইতিহাস – Tasrif Khan
  • কেউ সুখে না রাখলে কি সুখি হওয়া যায়?
  • Sarjis Alam ভাইয়ের ২০২১ সালের পোস্ট
  • আমার গুমের গল্প।ভিক্টিম: মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী!
  • পাপের নগদ শাস্তি
  • যে ভালোবাসে তাকেই পাশে রাখ।

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ

  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় সুমাইয়া
  • অনলাইনে প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং পেনশন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রকাশনায় মোঃ শরিফুল ইসলাম
  • ❌ লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে। ? এম এম কিট MM Kit প্রকাশনায় পান্না দাশ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ
  • কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন বিষয়ক জিজ্ঞাসা প্রকাশনায় HAFEZ

অনুসন্ধান করুন

বিভাগসমূহ

স্বাস্থ্য টিপস

কামনা

প্রাচুর্যের লালসা মানুষকে আখিরাত বিমুখ করে রেখেছে, অথচ তাকে অবশ্যই সব কিছু ছেড়ে পরপারে পাড়ি জমাতে হবে, অতঃপর তাকে দেওয়া সকল নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। অথচ আমরা সে বিষয়ে কতটা গাফেল। জীবনে প্রতিটি মুহূর্তে এমনকি মুমূর্ষু অবস্থাতেও দুনিয়ার প্রতি এ লালসায় পড়ে আছি আমরা। এই প্রাচুর্য ধন-সম্পদ কতটুকুই বা কাজে আসবে সে-ই অনন্তকালের জীবনে কখনো কি ভেবেছি? রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন : মৃত ব্যক্তির সাথে […]

Copyright © 2026